
গতকাল সোমবার দক্ষিণ ভারতের কন্নড় চলচ্চিত্রের সুপারস্টার যশের জন্মদিনে ঘটে এক বড় দুর্ঘটনা। কর্ণাটকের গদগ জেলায় অভিনেতার জন্মদিনের ব্যানার টাঙাতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে নিহত হয়েছেন তিন ভক্ত। মর্মান্তিক এ ঘটনার পর মৃত ব্যক্তিদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে তাদের বাড়িতে ছুটে যান যশ। সেখান থেকে আহতদের দেখতে যান হাসপাতালে। তাদের চিকিৎসার খরচ বহন করার কথাও জানান এই অভিনেতা।
হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, অভিনেতা মৃতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করছেন। সাক্ষাতের পর সংবাদমাধ্যমের সঙ্গেও তিনি কথা বলেন। তিনি জানান, এই ধরনের ঘটনাগুলো তাঁর জন্মদিন নিয়ে ভয় তৈরি করেছে। ‘আপনারা যদি আমাকে ভালোবাসেন, তবে এমন কিছু করবেন না যাতে এই ধরনের বিপদ হয়। যাঁরা মারা গেছের, তাঁরা যেখানেই থাকুন না কেন, আমার ভালোবাসা রইল। এই ধরনের মর্মান্তিক ঘটনা আমাকে আমার জন্মদিন নিয়েই আতঙ্কিত করে তুলেছে।’
যশ আরও বলেন, ‘দয়া করে এভাবে আপনারা ভালোবাসা দেখাবেন না। আমি আপনাদের সবাইকে অনুরোধ করতে চাই। ব্যানার টাঙাবেন নানা, সাইকেলে রেস করবেন না এবং বিপজ্জনক সেলফি তুলবেন না। আমার উদ্দেশ্য হল আমার সমস্ত শ্রোতা এবং ভক্তরা আমার মতো করে জীবনে বেড়ে উঠুক। আপনি যদি আমার একজন সত্যিকারের অনুরাগী হন, তাহলে আপনাদের কাজ অধ্যবসায়ের সঙ্গে করুন। আপনার জীবনকে নিজের জন্য উৎসর্গ করুন এবং সুখী এবং সফল হন। আপনি সেই ব্যক্তি, যে আপনার পরিবারের কাছে সবকিছু। তাদের গর্বিত করার লক্ষ্য আপনার থাকা উচিত।’
যোগ করে যশ আরও বলেন, ‘আমি আমার ভক্তদের ভালোবাসা প্রদর্শন করে জনপ্রিয়তা অর্জন করতে পছন্দ করি না। আমার ভক্তেরা এতে বিরক্ত হলেও আমি সর্বদা এই চাওয়াটাকে ন্যূনতমই রাখব। তবে আমার উদ্দেশ্য কাউকে নিরাশ করা নয়। তুমি যদি আমাকে সম্মান কর, তাহলে আগে দায়িত্বশীল হও। বাড়িতে বাবা-মা আপনার জন্য অপেক্ষা করছে। দায়িত্ব শুধু আর্থিক সহায়তা নয়, কাউকে আগলে রাখাও বটে। তবে আমরা মৃতদের ফিরিয়ে আনতে পারব না। শুধু আত্মার শান্তি কামনা করতে পারি।’
যশের কথায়, ‘এই বছর, আমি আমার জন্মদিন উদ্যাপন করতে চাইনি। কারণ কোভিড বাড়ছে। আমাদের দিক থেকে কোনও ক্ষতি হওয়া উচিত নয়। শুধুমাত্র আমার পরিবারে উদ্যাপন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।’

গতকাল সোমবার দক্ষিণ ভারতের কন্নড় চলচ্চিত্রের সুপারস্টার যশের জন্মদিনে ঘটে এক বড় দুর্ঘটনা। কর্ণাটকের গদগ জেলায় অভিনেতার জন্মদিনের ব্যানার টাঙাতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে নিহত হয়েছেন তিন ভক্ত। মর্মান্তিক এ ঘটনার পর মৃত ব্যক্তিদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে তাদের বাড়িতে ছুটে যান যশ। সেখান থেকে আহতদের দেখতে যান হাসপাতালে। তাদের চিকিৎসার খরচ বহন করার কথাও জানান এই অভিনেতা।
হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, অভিনেতা মৃতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করছেন। সাক্ষাতের পর সংবাদমাধ্যমের সঙ্গেও তিনি কথা বলেন। তিনি জানান, এই ধরনের ঘটনাগুলো তাঁর জন্মদিন নিয়ে ভয় তৈরি করেছে। ‘আপনারা যদি আমাকে ভালোবাসেন, তবে এমন কিছু করবেন না যাতে এই ধরনের বিপদ হয়। যাঁরা মারা গেছের, তাঁরা যেখানেই থাকুন না কেন, আমার ভালোবাসা রইল। এই ধরনের মর্মান্তিক ঘটনা আমাকে আমার জন্মদিন নিয়েই আতঙ্কিত করে তুলেছে।’
যশ আরও বলেন, ‘দয়া করে এভাবে আপনারা ভালোবাসা দেখাবেন না। আমি আপনাদের সবাইকে অনুরোধ করতে চাই। ব্যানার টাঙাবেন নানা, সাইকেলে রেস করবেন না এবং বিপজ্জনক সেলফি তুলবেন না। আমার উদ্দেশ্য হল আমার সমস্ত শ্রোতা এবং ভক্তরা আমার মতো করে জীবনে বেড়ে উঠুক। আপনি যদি আমার একজন সত্যিকারের অনুরাগী হন, তাহলে আপনাদের কাজ অধ্যবসায়ের সঙ্গে করুন। আপনার জীবনকে নিজের জন্য উৎসর্গ করুন এবং সুখী এবং সফল হন। আপনি সেই ব্যক্তি, যে আপনার পরিবারের কাছে সবকিছু। তাদের গর্বিত করার লক্ষ্য আপনার থাকা উচিত।’
যোগ করে যশ আরও বলেন, ‘আমি আমার ভক্তদের ভালোবাসা প্রদর্শন করে জনপ্রিয়তা অর্জন করতে পছন্দ করি না। আমার ভক্তেরা এতে বিরক্ত হলেও আমি সর্বদা এই চাওয়াটাকে ন্যূনতমই রাখব। তবে আমার উদ্দেশ্য কাউকে নিরাশ করা নয়। তুমি যদি আমাকে সম্মান কর, তাহলে আগে দায়িত্বশীল হও। বাড়িতে বাবা-মা আপনার জন্য অপেক্ষা করছে। দায়িত্ব শুধু আর্থিক সহায়তা নয়, কাউকে আগলে রাখাও বটে। তবে আমরা মৃতদের ফিরিয়ে আনতে পারব না। শুধু আত্মার শান্তি কামনা করতে পারি।’
যশের কথায়, ‘এই বছর, আমি আমার জন্মদিন উদ্যাপন করতে চাইনি। কারণ কোভিড বাড়ছে। আমাদের দিক থেকে কোনও ক্ষতি হওয়া উচিত নয়। শুধুমাত্র আমার পরিবারে উদ্যাপন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।’

আগামীকাল ঢাকার মঞ্চে আবারও মঞ্চায়ন হবে দেশ নাটকের ‘দর্পণে শরৎশশী’। ১৯৯২ সালে প্রথম মঞ্চায়ন হয়েছিল নাটকটি। রচনা করেছেন মনোজ মিত্র; ২০২৪ সালে প্রয়াত হয়েছেন তিনি। নির্দেশনা দিয়েছেন অভিনেতা ও নির্দেশক আলী যাকের; ২০২০ সালে প্রয়াত হয়েছেন তিনি।
২ ঘণ্টা আগে
অস্কারের আশা কার না থাকে! হলিউডসহ বিশ্বজুড়ে সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করেন যাঁরা, অস্কারের সোনালি ট্রফি পাওয়ার স্বপ্ন প্রায় সবাই দেখেন। তবে ব্যতিক্রম কথা বললেন হলিউড অভিনেত্রী আমান্ডা সেফ্রিড। অস্কার পাওয়া নাকি তাঁর কাছে গুরুত্বপূর্ণই নয়!
২ ঘণ্টা আগে
সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ব্যবস্থাপনায় দেশের নানা প্রান্ত থেকে নিবন্ধনপ্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়া যাত্রাদলগুলোর অংশগ্রহণে ১ ডিসেম্বর শুরু হয়েছিল বিজয়ের মাসজুড়ে যাত্রাপালা প্রদর্শনী। রাষ্ট্রীয় শোক পালন উপলক্ষে বিঘ্নিত হওয়া উৎসবের সমাপনী পর্ব অনুষ্ঠিত হবে ২১ থেকে ২৩ জা
২ ঘণ্টা আগে
নেপালের কাঠমান্ডুতে ১৬ থেকে ১৯ জানুয়ারি আয়োজিত হয়েছিল ১৪তম নেপাল আফ্রিকা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল। উৎসবের শেষ দিনে ঘোষণা করা হয় পুরস্কারজয়ী সিনেমার নাম। এবারের আসরে ইন্টারন্যাশনাল ফিচার ফিল্ম বিভাগে সেরা হয়েছে বাংলাদেশের সিনেমা ‘সাঁতাও’।
২ ঘণ্টা আগে