
টেলর সুইফটের বায়োডাটায় যুক্ত হলো আরেক অলংকার: তিনি এখন আনুষ্ঠানিকভাবে একজন বিলিয়নিয়ার। ব্লুমবার্গ বিলিয়নিয়ার্স ইনডেক্স বলছে, টেইলর সুইফটের মোট সম্পদ এখন ১ দশমিক ১ বিলিয়ন বা ১১০ কোটি ডলার। রেকর্ড–ব্রেকিং ইরাস ট্যুরের কল্যাণে চলতি গ্রীষ্মে মার্কিন অর্থনীতিতে বিপুল অঙ্কের অর্থ যোগ করেছেন সুইফট।
ব্লুমবার্গ বলছে, টেলর সুইফট শুধু তাঁর সংগীত এবং পারফরম্যান্সের ওপর ভিত্তি করে এত অর্থ উপার্জন করেছেন। বিনোদন জগতে এমন অর্জন খুব কম মানুষের ঝুলিতেই রয়েছে।
সিটজিকের গ্রোথ মার্কেটিং ডিরেক্টর ক্রিস লেডেন মার্কিন সম্প্রচার মাধ্যম সিএনএনকে এর আগে বলেছিলেন, টেইলর সুইফটের ‘ইরাস’ ট্যুর বিনোদন অর্থনীতির প্লেবুক নতুন করে লিখছে। তিনি কেবল একজন পারফরমারই নন—তিনি একটি অর্থনৈতিক ঘটনা।
চলতি বছরে টেইলর সুইফট শুধু সুপার বৌল আকারের আয়োজনেই নয়, স্থানীয় সিনেমা থিয়েটারগুলোতেও আধিপত্য বিস্তার করেছেন। উদ্বোধনী সপ্তাহান্তে এই মার্কিন পপ শিল্পীর কনসার্ট ফিল্ম ‘টেলর সুইফট: দ্য ইরাস ট্যুর’ যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডার বক্স অফিসে প্রায় ৯ কোটি ৬০ লাখ ডলার আয় করেছে।
এএমসির তথ্য অনুসারে, উদ্বোধনী সপ্তাহান্তে অভ্যন্তরীণ হলগুলোতে সর্বাধিক ব্যবসা করা কনসার্ট চলচ্চিত্রে পরিণত হয়েছে টেলর সুইফটের ইরাস ট্যুর।
গবেষণা সংস্থা কোয়েশ্চন প্রোর আগস্টের সমীক্ষার তথ্য অনুসারে, ইরাস ট্যুর উত্তর আমেরিকায় টিকিট বিক্রি থেকে আয় করেছে ২২০ কোটি ডলার। এই অভূতপূর্ব আয় যুক্তরাষ্ট্রের প্রাথমিক টিকিট বিক্রিতে এটি রেকর্ড। সুইফট সবে লস অ্যাঞ্জেলেস ট্যুর শেষ করেছেন। পরের বছর উত্তর আমেরিকায় দ্বিতীয় সফর শুরু হবে। ফলে সবচেয়ে বেশি উপার্জনকারী সংগীত সফর হতে যাচ্ছে এটি।
টেলর সুইফট এখন একটি সাংস্কৃতিক ঘটনা হয়ে ওঠার পাশাপাশি, অর্থনীতিরও বড় প্রভাবক হয়ে উঠেছেন। যেসব শহরে সুইফট পারফর্ম করেছেন, সেখানে গণপরিবহনে চলাচল বেড়েছে এবং হোটেলগুলো ব্যবসা করেছে অভূতপূর্ব। উত্তর ক্যালিফোর্নিয়ায় অবস্থিত প্রযুক্তি শহর সান্তা ক্লারাকে ডাকা হচ্ছে ‘সুইফটি ক্লারা’ নামে। সিয়াটলে সুইফটের কনসার্টে হাজার হাজার মানুষ একসঙ্গে নাচার কারণে মৃদু ভূকম্পন অনুভূত হয়েছিল। একজন ভূমিকম্পবিদ বলেছিলেন, সেই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ২ দশমিক ৩।
এই মার্কিন তারকা আজ শুক্রবার আরেকটি অ্যালবাম দ্বিতীয়বার রিলিজ করছেন—‘১৯৮৯ (টেলরস সংস্করণ) ’। এটি প্রথম মুক্তির পর ১০টি গ্র্যামি মনোনয়ন জিতেছিল।
টেলর সুইফট ২০১৯ সালে ঘোষণা দিয়েছিলেন, তাঁর সাবেক লেবেল তাঁর মাস্টার রেকর্ডিং বিক্রি করেছে। তিনি তাঁর প্রথম ছয়টি স্টুডিও অ্যালবাম আবার রেকর্ড করার পরিকল্পনা করেছেন। এরপর থেকে তিনি ‘রেড’, ‘স্পিক নাউ’ এবং ‘ফিয়ারলেস’ অ্যালবামের ‘টেইলর সংস্করণ’ প্রকাশ করেছেন।
ফোর্বস ম্যাগাজিন অনুসারে, টেইলর সুইফট এখন রিয়ান্নাকে ছুঁয়ে ফেলতে পারেন। রিয়ান্না ২০২১ সালে বিলিয়নিয়ার ক্লাবে যুক্ত হন। জে জি এবং বিয়ন্সে ২০১৭ সালে এই মাইলফলক ছুঁয়েছেন। সংগীত ছাড়াও, এই জুটির বিভিন্ন ব্যবসায়িক উদ্যোগ রয়েছে।

টেলর সুইফটের বায়োডাটায় যুক্ত হলো আরেক অলংকার: তিনি এখন আনুষ্ঠানিকভাবে একজন বিলিয়নিয়ার। ব্লুমবার্গ বিলিয়নিয়ার্স ইনডেক্স বলছে, টেইলর সুইফটের মোট সম্পদ এখন ১ দশমিক ১ বিলিয়ন বা ১১০ কোটি ডলার। রেকর্ড–ব্রেকিং ইরাস ট্যুরের কল্যাণে চলতি গ্রীষ্মে মার্কিন অর্থনীতিতে বিপুল অঙ্কের অর্থ যোগ করেছেন সুইফট।
ব্লুমবার্গ বলছে, টেলর সুইফট শুধু তাঁর সংগীত এবং পারফরম্যান্সের ওপর ভিত্তি করে এত অর্থ উপার্জন করেছেন। বিনোদন জগতে এমন অর্জন খুব কম মানুষের ঝুলিতেই রয়েছে।
সিটজিকের গ্রোথ মার্কেটিং ডিরেক্টর ক্রিস লেডেন মার্কিন সম্প্রচার মাধ্যম সিএনএনকে এর আগে বলেছিলেন, টেইলর সুইফটের ‘ইরাস’ ট্যুর বিনোদন অর্থনীতির প্লেবুক নতুন করে লিখছে। তিনি কেবল একজন পারফরমারই নন—তিনি একটি অর্থনৈতিক ঘটনা।
চলতি বছরে টেইলর সুইফট শুধু সুপার বৌল আকারের আয়োজনেই নয়, স্থানীয় সিনেমা থিয়েটারগুলোতেও আধিপত্য বিস্তার করেছেন। উদ্বোধনী সপ্তাহান্তে এই মার্কিন পপ শিল্পীর কনসার্ট ফিল্ম ‘টেলর সুইফট: দ্য ইরাস ট্যুর’ যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডার বক্স অফিসে প্রায় ৯ কোটি ৬০ লাখ ডলার আয় করেছে।
এএমসির তথ্য অনুসারে, উদ্বোধনী সপ্তাহান্তে অভ্যন্তরীণ হলগুলোতে সর্বাধিক ব্যবসা করা কনসার্ট চলচ্চিত্রে পরিণত হয়েছে টেলর সুইফটের ইরাস ট্যুর।
গবেষণা সংস্থা কোয়েশ্চন প্রোর আগস্টের সমীক্ষার তথ্য অনুসারে, ইরাস ট্যুর উত্তর আমেরিকায় টিকিট বিক্রি থেকে আয় করেছে ২২০ কোটি ডলার। এই অভূতপূর্ব আয় যুক্তরাষ্ট্রের প্রাথমিক টিকিট বিক্রিতে এটি রেকর্ড। সুইফট সবে লস অ্যাঞ্জেলেস ট্যুর শেষ করেছেন। পরের বছর উত্তর আমেরিকায় দ্বিতীয় সফর শুরু হবে। ফলে সবচেয়ে বেশি উপার্জনকারী সংগীত সফর হতে যাচ্ছে এটি।
টেলর সুইফট এখন একটি সাংস্কৃতিক ঘটনা হয়ে ওঠার পাশাপাশি, অর্থনীতিরও বড় প্রভাবক হয়ে উঠেছেন। যেসব শহরে সুইফট পারফর্ম করেছেন, সেখানে গণপরিবহনে চলাচল বেড়েছে এবং হোটেলগুলো ব্যবসা করেছে অভূতপূর্ব। উত্তর ক্যালিফোর্নিয়ায় অবস্থিত প্রযুক্তি শহর সান্তা ক্লারাকে ডাকা হচ্ছে ‘সুইফটি ক্লারা’ নামে। সিয়াটলে সুইফটের কনসার্টে হাজার হাজার মানুষ একসঙ্গে নাচার কারণে মৃদু ভূকম্পন অনুভূত হয়েছিল। একজন ভূমিকম্পবিদ বলেছিলেন, সেই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ২ দশমিক ৩।
এই মার্কিন তারকা আজ শুক্রবার আরেকটি অ্যালবাম দ্বিতীয়বার রিলিজ করছেন—‘১৯৮৯ (টেলরস সংস্করণ) ’। এটি প্রথম মুক্তির পর ১০টি গ্র্যামি মনোনয়ন জিতেছিল।
টেলর সুইফট ২০১৯ সালে ঘোষণা দিয়েছিলেন, তাঁর সাবেক লেবেল তাঁর মাস্টার রেকর্ডিং বিক্রি করেছে। তিনি তাঁর প্রথম ছয়টি স্টুডিও অ্যালবাম আবার রেকর্ড করার পরিকল্পনা করেছেন। এরপর থেকে তিনি ‘রেড’, ‘স্পিক নাউ’ এবং ‘ফিয়ারলেস’ অ্যালবামের ‘টেইলর সংস্করণ’ প্রকাশ করেছেন।
ফোর্বস ম্যাগাজিন অনুসারে, টেইলর সুইফট এখন রিয়ান্নাকে ছুঁয়ে ফেলতে পারেন। রিয়ান্না ২০২১ সালে বিলিয়নিয়ার ক্লাবে যুক্ত হন। জে জি এবং বিয়ন্সে ২০১৭ সালে এই মাইলফলক ছুঁয়েছেন। সংগীত ছাড়াও, এই জুটির বিভিন্ন ব্যবসায়িক উদ্যোগ রয়েছে।

রায়হান রাফীর ‘পরাণ’ সিনেমায় প্রথম জুটি বেঁধেছিলেন শরিফুল রাজ ও বিদ্যা সিনহা মিম। সিনেমার ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি প্রশংসিত হয় রাজ-মিম জুটির রসায়ন। এরপর একই নির্মাতার ‘দামাল’ সিনেমাতেও দেখা যায় তাঁদের।
১ দিন আগে
২০০৮ সালের ১৪ জানুয়ারি না ফেরার দেশে পাড়ি জমান নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন। এ বছর তাঁর ১৮তম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে নাট্যসংগঠন স্বপ্নদল ১৪ থেকে ১৬ জানুয়ারি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটারে আয়োজন করেছে তিন দিনব্যাপী নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন স্মরণোৎসব।
১ দিন আগে
রাজধানীর পাঁচটি মিলনায়তন এবং কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবণী বিচ পয়েন্টে ১০ জানুয়ারি থেকে চলছে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। চলচ্চিত্র নিয়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এই আয়োজনে দেখানো হচ্ছে দেশ-বিদেশের নির্মাতাদের কাজ।
১ দিন আগে
তামিল সুপারস্টার থালাপতি বিজয় ‘জন নায়াগন’ দিয়ে শেষ করবেন অভিনয়ের ক্যারিয়ার। এরপর পাকাপাকিভাবে নামবেন রাজনীতির ময়দানে। এরই মধ্যে শুটিং শেষ, ৯ জানুয়ারি মুক্তির তারিখ চূড়ান্ত ছিল। ভক্তদের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ ছিল বিজয়ের শেষ সিনেমা নিয়ে। তবে শেষ মুহূর্তে সেন্সর বোর্ডের নিষেধাজ্ঞায় আটকে যায় সিনেমাটি।
১ দিন আগে