
একসঙ্গে থাকার জন্য বিলাসবহুল বাড়ি কিনেছিলেন বেন অ্যাফ্লেক ও জেনিফার লোপেজ। কিন্তু দুই বছর সংসার করার পর দুজনের পথ দুটি দিকে গেছে বেঁকে। বিবাহবিচ্ছেদের পথে হেঁটেছেন তাঁরা। বেন অ্যাফ্লেক ও জেনিফার লোপেজের একসময়ের যৌথ ঠিকানা বেভারলি হিলস ম্যানশনটির মালিকানা তাই বদল হলো।
বেভারলি হিলস প্রাসাদের যৌথ মালিকানা ছিল বেন অ্যাফ্লেক ও জেনিফার লোপেজের। একসঙ্গে থাকতে ৬০ মিলিয়ন ডলার (৭৩৬ কোটি টাকার বেশি) খরচ করে বাড়িটি যৌথভাবে কিনেছিলেন এই তারকা দম্পতি। দুজনেরই ছিল সমান শেয়ার। তবে সম্প্রতি নিজের অর্ধাংশ জেনিফারকে দিয়ে দিয়েছেন বেন অ্যাফ্লেক।
সংবাদমাধ্যম টিএমজেড জানিয়েছে, বেভারলি হিলস ম্যানশনে নিজের মালিকানাধীন অংশটি গিফট বা উপহার হিসেবে জেনিফারের নামে হস্তান্তর করেছেন বেন অ্যাফ্লেক।

এই সম্পত্তি হস্তান্তর মূলত তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদের প্রক্রিয়াকে আরও সহজ করার একটি পদক্ষেপ হতে পারে। সাধারণত হাই-প্রোফাইল ডিভোর্সের ক্ষেত্রে সম্পদ ভাগাভাগি নিয়ে দীর্ঘ লড়াই চলে। কিন্তু বেনের এই সিদ্ধান্ত ইঙ্গিত দিচ্ছে, তাঁরা বন্ধুত্বপূর্ণভাবেই বিষয়টি সমাধান করতে চাইছেন।

ক্যালিফোর্নিয়ার বেভারলি হিলসের এই বিশাল প্রাসাদ ৩৮ হাজার বর্গফুটের। এতে রয়েছে ১২ বেডরুম এবং ২৪টি বাথরুম। রয়েছে ইনডোর স্পোর্টস কমপ্লেক্স, জিম ও পুল। ২০২৩ সালের জুন মাসে বাড়িটি কেনার পর সেখানে বেশ কিছুদিন ছিলেন বেন অ্যাফ্লেক ও জেনিফার লোপেজ দম্পতি। এক বছরের মাথায় তাঁদের সংসারে ভাঙন শুরু হলে বাড়িটি বিক্রির সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা। তবে উপযুক্ত ক্রেতা না পাওয়ায় তা সম্ভব হয়নি।
বেন অ্যাফ্লেক ইতিমধ্যে তাঁর মালামাল এই বাড়ি থেকে সরিয়ে নিয়েছেন। থাকছেন ব্রেন্টউডের আরেক বাড়িতে। অন্যদিকে বেভারলি হিলসের সেই বিশাল প্রাসাদে আছেন জেনিফার লোপেজ, যা এখন আইনিভাবে তাঁর একক মালিকানায়।

ক্রিটেক মাঠের পাশাপাশি দাদাগিরি দিয়ে উপস্থাপনাতেও নিজেকে প্রমাণ করেছেন সৌরভ গাঙ্গুলী। দাদাগিরি মানেই সৌরভ গাঙ্গুলী—দর্শকের কাছে এটাই সমার্থক হয়ে উঠেছিল। স্বাভাবিকভাবেই তাই নার্ভাস ছিলেন দেব। প্রথমত, নতুন অধ্যায়। দ্বিতীয়ত, বিগত এক দশকে সৌরভের লিগ্যাসি।
১ দিন আগে
কথাসাহিত্যিক সাদাত হাসান মান্টোর ছোটগল্প ‘ঠান্ডা গোশত’ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে নির্মিত হচ্ছে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘ঠান্ডা গোশত ২.০’। পরিচালনা ও প্রযোজনা করছেন শাহ নেওয়াজ খান সিজু ও সুমাইয়া আরজু মুহু। সম্প্রতি রাজধানীর বিভিন্ন লোকেশনে শেষ হয়েছে চলচ্চিত্রটির শুটিং।
১ দিন আগে
চার বছর আগে মুক্তির আগে গান দিয়ে ঝড় তুলেছিল হাওয়া। হাশিম মাহমুদের লেখা সাদা সাদা কালা কালা গানটি ছড়িয়ে পরেছিল দেশজুড়ে। সেই উন্মাদনা দেখা গিয়েছিল মুক্তির পর। সিনেপ্লেক্স থেকে শুরু করে সিঙ্গেলস্ক্রিন সব জায়গায় ছিল দর্শকের লম্বা ভিড়। বিদেশেও রেকর্ড ব্যবসা করে সিনেমাটি।
১ দিন আগে
খুন, জখম, রক্তের বন্যা, হিংসা, গদির লোভ ও ক্ষমতার লড়াইয়ের এই গল্প এবার দেখা যাবে নতুন আঙ্গিকে। গতকাল প্রকাশ পেল ‘মির্জাপুর দ্য মুভি’-এর টিজার প্রকাশ করে জানিয়ে দেওয়া হলো মুক্তির তারিখ। আগামী ৪ সেপ্টেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে মির্জাপুর দ্য মুভি।
১ দিন আগে