ঘিওর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি

মানিকগঞ্জে মঞ্চস্থ হয়েছে শত বছরে পুরোনো রূপ কাহিনি ‘বেহুলা লখিন্দর’। জেলার সিঙ্গাইরের বাউল কমপ্লেক্সের মধুর মঞ্চে গতকাল রাতে বেহুলা লখিন্দর নাটকটি মঞ্চস্থ হয়। নাট্যকার শাকিল আহমেদ সনেটের নির্দেশনায় মঞ্চায়িত এই নাটকটি কয়েক হাজার নারী-পুরুষ রাতভর উপভোগ করেন।
বিজয় গুপ্ত রচিত পদ্মাপুরাণের বেহুলা লখিন্দরের ঘটনা ধর্মীয় আবরণে বাইরে গিয়ে অসাম্প্রদায়িক বাঙালির চিরায়ত আখ্যান। মনসার দেবীত্ব পাওয়ার বাসনায় চাঁদ সওদাগরের সঙ্গে দ্বন্দ্ব। বেহুলা লখিন্দরের প্রেম এ নাটকের প্রবাহ।
নাটকে কলাকুশলী হিসেবে কাজ করেছে জেলা শিল্পকলা একাডেমির বিভিন্ন বিভাগের প্রশিক্ষণার্থী। প্রযোজনা সমন্বয়কারী ছিলেন, জেলা কালচারাল অফিসার সেলিনা সাঈয়েদা সুলতানা আক্তার।
নাটক পরিবেশনার সময় উপস্থিত ছিলেন, সংসদ সদস্য কণ্ঠশিল্পী মমতাজ বেগম, মানিকগঞ্জ পৌর মেয়র রমজান আলী, ইউএনও দীপন দেবনাথ, ওসি সৈয়দ মিজানুর রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শহিদুর রহমান শহিদ, সিংগাইর পৌর মেয়র আবু নাঈম বাশার প্রমুখ।
নির্দেশক শাকিল আহমেদ সনেট বলেন, ‘মানিকগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী পালা আঙ্গিকে নাট্যরূপ প্রদান করার চেষ্টা করেছি। ঐতিহ্যের নির্যাস যেন দর্শকের হৃদয়ে পুরো নাটককে একটি নান্দনিক উপস্থাপনায় পরিণত করে সেটা আমাদের অভিপ্রায়। নাটকের কলাকুশলী সবাই শিক্ষানবিশ নাট্যশিল্পী। চিরায়ত বাংলা লোক গাঁথায় দর্শক চিত্তে নন্দনশৈলী তৈরি করেছে এতে আমরা সার্থক।’
মনসা চরিত্রের অভিনয় করেন, কৃষ্ণা সাহা, চাঁদ সওদাগর চরিত্রে জাহিদ হাসান সনাকা চরিত্রে জান্নাতুল ইসলাম আঁখি, বেহুলা-লাবনী সরকার, লখিন্দর-শরিফুল হক।
এ ছাড়া অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন, সিয়াম লালটু, শিলা আক্তার, ঐশী আক্তার, নয়ন বিন মিরাজ, ফারজানা, হৃদয় হাসান, জাহিদ হাসান তপু, আহসান ইসলাম, রাহুল, মো সবুজ, শরাফত সিকদার, কাজল আক্তার, সজনী আক্তার, জুথি, অনন্য খান ছোয়া, তামান্না খান তিথি, সামিয়া প্রমুখ।

মানিকগঞ্জে মঞ্চস্থ হয়েছে শত বছরে পুরোনো রূপ কাহিনি ‘বেহুলা লখিন্দর’। জেলার সিঙ্গাইরের বাউল কমপ্লেক্সের মধুর মঞ্চে গতকাল রাতে বেহুলা লখিন্দর নাটকটি মঞ্চস্থ হয়। নাট্যকার শাকিল আহমেদ সনেটের নির্দেশনায় মঞ্চায়িত এই নাটকটি কয়েক হাজার নারী-পুরুষ রাতভর উপভোগ করেন।
বিজয় গুপ্ত রচিত পদ্মাপুরাণের বেহুলা লখিন্দরের ঘটনা ধর্মীয় আবরণে বাইরে গিয়ে অসাম্প্রদায়িক বাঙালির চিরায়ত আখ্যান। মনসার দেবীত্ব পাওয়ার বাসনায় চাঁদ সওদাগরের সঙ্গে দ্বন্দ্ব। বেহুলা লখিন্দরের প্রেম এ নাটকের প্রবাহ।
নাটকে কলাকুশলী হিসেবে কাজ করেছে জেলা শিল্পকলা একাডেমির বিভিন্ন বিভাগের প্রশিক্ষণার্থী। প্রযোজনা সমন্বয়কারী ছিলেন, জেলা কালচারাল অফিসার সেলিনা সাঈয়েদা সুলতানা আক্তার।
নাটক পরিবেশনার সময় উপস্থিত ছিলেন, সংসদ সদস্য কণ্ঠশিল্পী মমতাজ বেগম, মানিকগঞ্জ পৌর মেয়র রমজান আলী, ইউএনও দীপন দেবনাথ, ওসি সৈয়দ মিজানুর রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শহিদুর রহমান শহিদ, সিংগাইর পৌর মেয়র আবু নাঈম বাশার প্রমুখ।
নির্দেশক শাকিল আহমেদ সনেট বলেন, ‘মানিকগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী পালা আঙ্গিকে নাট্যরূপ প্রদান করার চেষ্টা করেছি। ঐতিহ্যের নির্যাস যেন দর্শকের হৃদয়ে পুরো নাটককে একটি নান্দনিক উপস্থাপনায় পরিণত করে সেটা আমাদের অভিপ্রায়। নাটকের কলাকুশলী সবাই শিক্ষানবিশ নাট্যশিল্পী। চিরায়ত বাংলা লোক গাঁথায় দর্শক চিত্তে নন্দনশৈলী তৈরি করেছে এতে আমরা সার্থক।’
মনসা চরিত্রের অভিনয় করেন, কৃষ্ণা সাহা, চাঁদ সওদাগর চরিত্রে জাহিদ হাসান সনাকা চরিত্রে জান্নাতুল ইসলাম আঁখি, বেহুলা-লাবনী সরকার, লখিন্দর-শরিফুল হক।
এ ছাড়া অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন, সিয়াম লালটু, শিলা আক্তার, ঐশী আক্তার, নয়ন বিন মিরাজ, ফারজানা, হৃদয় হাসান, জাহিদ হাসান তপু, আহসান ইসলাম, রাহুল, মো সবুজ, শরাফত সিকদার, কাজল আক্তার, সজনী আক্তার, জুথি, অনন্য খান ছোয়া, তামান্না খান তিথি, সামিয়া প্রমুখ।

মারা গেছেন বাংলা সিনেমার সোনালি যুগের অভিনেতা ইলিয়াস জাভেদ। অনেক দিন ধরে ক্যানসারে ভুগছিলেন। আজ বুধবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকার উত্তরার একটি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়।
৩২ মিনিট আগে
আগামীকাল ঢাকার মঞ্চে আবারও মঞ্চায়ন হবে দেশ নাটকের ‘দর্পণে শরৎশশী’। ১৯৯২ সালে প্রথম মঞ্চায়ন হয়েছিল নাটকটি। রচনা করেছেন মনোজ মিত্র; ২০২৪ সালে প্রয়াত হয়েছেন তিনি। নির্দেশনা দিয়েছেন অভিনেতা ও নির্দেশক আলী যাকের; ২০২০ সালে প্রয়াত হয়েছেন তিনি।
৬ ঘণ্টা আগে
অস্কারের আশা কার না থাকে! হলিউডসহ বিশ্বজুড়ে সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করেন যাঁরা, অস্কারের সোনালি ট্রফি পাওয়ার স্বপ্ন প্রায় সবাই দেখেন। তবে ব্যতিক্রম কথা বললেন হলিউড অভিনেত্রী আমান্ডা সেফ্রিড। অস্কার পাওয়া নাকি তাঁর কাছে গুরুত্বপূর্ণই নয়!
৬ ঘণ্টা আগে
সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ব্যবস্থাপনায় দেশের নানা প্রান্ত থেকে নিবন্ধনপ্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়া যাত্রাদলগুলোর অংশগ্রহণে ১ ডিসেম্বর শুরু হয়েছিল বিজয়ের মাসজুড়ে যাত্রাপালা প্রদর্শনী। রাষ্ট্রীয় শোক পালন উপলক্ষে বিঘ্নিত হওয়া উৎসবের সমাপনী পর্ব অনুষ্ঠিত হবে ২১ থেকে ২৩ জা
৬ ঘণ্টা আগে