বিনোদন প্রতিবেদক

চলচ্চিত্র পরিচালক হারুনর রশীদ আজ তাঁর ব্যক্তিগত সংগ্রহে থাকা প্রায় ৮০টি দুর্লভ বই, ১৯৬৫ সালের পাকিস্তান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের ১৭৪টি দুর্লভ স্থিরচিত্রসহ বেশ কিছু নাটক, সিনেমা ও চলচ্চিত্র সামগ্রী হস্তান্তর করলেন বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভে। এ তালিকায় রয়েছে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘মেঘের অনেক রং’, স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘বাহন’, ‘গৌরব’, প্যাকেজ নাটক ‘উত্তরাধিকার’ পরিচালকের ব্যবহৃত একটি কমপ্লিট স্যুট এবং জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত ১৪টি পুরস্কার ও বিভিন্ন সম্মাননা স্মারক। ফিল্ম আর্কাইভের মহাপরিচালক মো. জসীম উদ্দিনের কাছে এসব সামগ্রী হস্তান্তর করেন চলচ্চিত্র পরিচালক হারুনর রশীদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. মোফাকখারুল ইকবাল, পরিচালক ফারহানা রহমান ও ফিল্ম অফিসার মো. ফখরুল আলম।
ষাটের দশকের প্রথম দিকে কৃষি ও পরিবার পরিকল্পনার ওপর নির্মিত তথ্যচিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে চলচ্চিত্রের সঙ্গে জড়িত হন হারুনর রশীদ। পরিচালক সালাউদ্দিনের সহাকারী হিসাবে কাজ করার পাশাপাশি জহির রায়হানসহ অনেকেরই সহকারী চলচ্চিত্র পরিচালক হিসাবে কাজ করেছেন তিনি। ১৯৭৬ সালে মুক্তি পায় তাঁর পরিচালিত প্রথম সিনেমা ‘মেঘের অনেক রং’। মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সিনেমাটি দিয়েই পূর্ণাঙ্গ পরিচালক হিসেবে কাজ শুরু করেন হারুনর রশীদ। এরপর বানিয়েছেন ‘রঙিন গুনাই বিবি’, ‘ভাগ্যবতী’, ‘ধনবান’সহ বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্র। তিনি পরিচালক সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য হিসাবেও দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বিভিন্ন জার্নাল ও পত্র পত্রিকায় চলচ্চিত্র বিষয়ে লেখালেখি করেছেন। বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ প্রতিষ্ঠার পর থেকে তিনি এর সঙ্গে সংযুক্ত রয়েছেন। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিজের কাছে থাকা চলচ্চিত্র সংক্রান্ত যাবতীয় সামগ্রী বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভে সংরক্ষণের জন্য প্রদান করেছেন হারুনর রশীদ।

চলচ্চিত্র পরিচালক হারুনর রশীদ আজ তাঁর ব্যক্তিগত সংগ্রহে থাকা প্রায় ৮০টি দুর্লভ বই, ১৯৬৫ সালের পাকিস্তান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের ১৭৪টি দুর্লভ স্থিরচিত্রসহ বেশ কিছু নাটক, সিনেমা ও চলচ্চিত্র সামগ্রী হস্তান্তর করলেন বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভে। এ তালিকায় রয়েছে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘মেঘের অনেক রং’, স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘বাহন’, ‘গৌরব’, প্যাকেজ নাটক ‘উত্তরাধিকার’ পরিচালকের ব্যবহৃত একটি কমপ্লিট স্যুট এবং জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত ১৪টি পুরস্কার ও বিভিন্ন সম্মাননা স্মারক। ফিল্ম আর্কাইভের মহাপরিচালক মো. জসীম উদ্দিনের কাছে এসব সামগ্রী হস্তান্তর করেন চলচ্চিত্র পরিচালক হারুনর রশীদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. মোফাকখারুল ইকবাল, পরিচালক ফারহানা রহমান ও ফিল্ম অফিসার মো. ফখরুল আলম।
ষাটের দশকের প্রথম দিকে কৃষি ও পরিবার পরিকল্পনার ওপর নির্মিত তথ্যচিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে চলচ্চিত্রের সঙ্গে জড়িত হন হারুনর রশীদ। পরিচালক সালাউদ্দিনের সহাকারী হিসাবে কাজ করার পাশাপাশি জহির রায়হানসহ অনেকেরই সহকারী চলচ্চিত্র পরিচালক হিসাবে কাজ করেছেন তিনি। ১৯৭৬ সালে মুক্তি পায় তাঁর পরিচালিত প্রথম সিনেমা ‘মেঘের অনেক রং’। মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সিনেমাটি দিয়েই পূর্ণাঙ্গ পরিচালক হিসেবে কাজ শুরু করেন হারুনর রশীদ। এরপর বানিয়েছেন ‘রঙিন গুনাই বিবি’, ‘ভাগ্যবতী’, ‘ধনবান’সহ বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্র। তিনি পরিচালক সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য হিসাবেও দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বিভিন্ন জার্নাল ও পত্র পত্রিকায় চলচ্চিত্র বিষয়ে লেখালেখি করেছেন। বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ প্রতিষ্ঠার পর থেকে তিনি এর সঙ্গে সংযুক্ত রয়েছেন। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিজের কাছে থাকা চলচ্চিত্র সংক্রান্ত যাবতীয় সামগ্রী বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভে সংরক্ষণের জন্য প্রদান করেছেন হারুনর রশীদ।

রায়হান রাফীর ‘পরাণ’ সিনেমায় প্রথম জুটি বেঁধেছিলেন শরিফুল রাজ ও বিদ্যা সিনহা মিম। সিনেমার ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি প্রশংসিত হয় রাজ-মিম জুটির রসায়ন। এরপর একই নির্মাতার ‘দামাল’ সিনেমাতেও দেখা যায় তাঁদের।
১১ ঘণ্টা আগে
২০০৮ সালের ১৪ জানুয়ারি না ফেরার দেশে পাড়ি জমান নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন। এ বছর তাঁর ১৮তম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে নাট্যসংগঠন স্বপ্নদল ১৪ থেকে ১৬ জানুয়ারি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটারে আয়োজন করেছে তিন দিনব্যাপী নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন স্মরণোৎসব।
১২ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর পাঁচটি মিলনায়তন এবং কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবণী বিচ পয়েন্টে ১০ জানুয়ারি থেকে চলছে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। চলচ্চিত্র নিয়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এই আয়োজনে দেখানো হচ্ছে দেশ-বিদেশের নির্মাতাদের কাজ।
১২ ঘণ্টা আগে
তামিল সুপারস্টার থালাপতি বিজয় ‘জন নায়াগন’ দিয়ে শেষ করবেন অভিনয়ের ক্যারিয়ার। এরপর পাকাপাকিভাবে নামবেন রাজনীতির ময়দানে। এরই মধ্যে শুটিং শেষ, ৯ জানুয়ারি মুক্তির তারিখ চূড়ান্ত ছিল। ভক্তদের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ ছিল বিজয়ের শেষ সিনেমা নিয়ে। তবে শেষ মুহূর্তে সেন্সর বোর্ডের নিষেধাজ্ঞায় আটকে যায় সিনেমাটি।
১২ ঘণ্টা আগে