
দায়িত্ব নেওয়ার চার মাসে ৩৩টি খাতে ২২৫টি কাজ ও উদ্যোগের বিবরণী পেশ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)। আজ সোমবার মধুর ক্যানটিনের সামনে ‘ডাকসুর চার মাস: কার্যবিবরণী ও জবাবদিহিতা’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এসব কাজ ও উদ্যোগের বিবরণী তুলে ধরা হয়।
ডাকসু নির্বাচন নিয়মিত করতে একাডেমিক ক্যালেন্ডারে অন্তর্ভুক্তির প্রস্তাব পাস, শেখ হাসিনার আজীবন সদস্যপদসংক্রান্ত অবৈধ রেজল্যুশন বাতিল, কেন্দ্রীয় মসজিদ ও মেডিকেল সেন্টারের বড় পরিসরের সংস্কার, নতুন হল নির্মাণ ও উন্নয়ন প্রকল্পে প্রশাসনের সঙ্গে যৌথ কাজ, ছাত্রীদের ইবাদতের ব্যবস্থা উন্নয়ন, ডাকসুর ওয়েবসাইট চালু, শিক্ষার্থীদের জন্য ছাড়ে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতকরণ, ১১৯ জন শিক্ষার্থীকে আইনগত ও নিরাপত্তা সহায়তা প্রদান এবং হলগুলোতে নিয়মিত ছারপোকানিধন কার্যক্রম পরিচালনাসহ মোট ২২৫টি কাজ করেছে বলে দাবি ডাকসুর। চার মাসের কার্যবিবরণী তুলে ধরেন ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) এস এম ফরহাদ।
এ সময় সংবাদ সম্মেলনে ‘দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম চার মাসে ডাকসুর কার্যক্রমের বিররণী’ ও ‘প্রতিনিধি সম্মেলন-২০২৫’ স্মারক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করা হয় ৷
ডাকসুর জিএস এস এম ফরহাদ বলেন, ‘আমরা ১৪ সেপ্টেম্বর দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলাম। তবে ১০ সেপ্টেম্বর যেদিন ফলাফল ঘোষণা করা হয়, সেদিনই আমরা বলেছিলাম—আমরা সব সময় শিক্ষার্থীদের কাছে আমাদের কাজের জবাবদিহি করব। আমরা আমাদের যে ইশতেহার দিয়েছিলাম এবং অন্য যারা নির্বাচিত হয়েছিল, তাদের সবার ইশতেহারগুলো নোট ডাউন করেছিলাম। যতগুলো ইশতেহার ছিল, আমরা সবগুলোতে কাজ করার চেষ্টা করেছি। এমন কোনো ইশতেহার নেই যে আমরা যেগুলোতে কোনো কাজ করিনি বা উদ্যোগ গ্রহণ করিনি। সবগুলো জায়গায় আমরা কাজ করেছি কিংবা কাজের উদ্যোগ নিয়েছি। এরপরেও যদি শিক্ষার্থীদের চোখে কোনো বিষয়ে মনে হয় আমরা কোনো কাজ করিনি, সেটি আমাদের জানালে আমরা সেটি নিয়ে অবশ্যই কাজ করব।’

ডাকসুর সহসভাপতি (ভিপি) সাদিক কায়েম বলেন, আজ বিশ্ববিদ্যালয় ১০৪ বছরে পা রেখেছে, স্বাধীনতার পাঁচ দশক পেরিয়ে গেছে; অথচ শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিত্বকারী প্রতিষ্ঠানটিকে ইচ্ছাকৃতভাবে নিষ্ক্রিয় রাখার চেষ্টা চলছে। কারণ, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি স্তরে সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। তারা চায় না শিক্ষার্থীদের কণ্ঠস্বর থাকুক, চায় না স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও দায়িত্বশীলতা প্রতিষ্ঠিত হোক। এই অকার্যকর অবস্থান বজায় রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্নভাবে অসহযোগিতা করা হয়েছে।
সাদিক কায়েম বলেন, ‘আজ আমরা চাইলে বলতে পারতাম, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফান্ড পাইনি, তাই কাজ করতে পারিনি। কিন্তু আমরা সেই পথ বেছে নিইনি। আমাদের সামর্থ্যের সর্বোচ্চ ব্যবহার করে আজ পর্যন্ত প্রায় ২২৫টি কাজ সম্পন্ন করেছি, যা ৩৩টি খাতে বিভক্ত। এর বিস্তারিত তথ্য আমাদের ওয়েবসাইট ও আপনাদের হাতে দেওয়া বুকলেটে প্রকাশ করা হয়েছে।’
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন কমনরুম-রিডিংরুম ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক উম্মে সালমা, আন্তর্জাতিক সম্পাদক জসীমউদ্দীন খান, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ, ক্রীড়া সম্পাদক আরমান হোসেন, ছাত্র পরিবহন সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহ, সমাজসেবা সম্পাদক যুবাইর বিন নেসারী (এবি যুবায়ের), ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মিনহাজ, মানবাধিকার ও আইনবিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ জাকারিয়া, কার্যনির্বাহী সদস্য সাবিকুন নাহার তামান্না, ইমরান হোসাইন, মোছা. আফসানা আক্তার, তাজিনুর রহমান, রায়হান উদ্দীন, আনাস ইবনে মুনির, মো. রাইসুল ইসলাম ও মো. শাহিনুর রহমান।

ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজির (আইইউবিএটি) নবম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সমাবর্তনে প্রায় ১ হাজার স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীকে ডিগ্রি দেওয়া হয়।
৩৭ মিনিট আগে
বসার স্থান না পাওয়ায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) কার্যক্রম অগোছালো ও অপরিকল্পিতভাবে চলছে বলে জানিয়েছেন জকসুর ভিপি মো. রিয়াজুল ইসলাম।
৪ ঘণ্টা আগে
কান ধরে ওঠবস করানোর দুটি ভিডিও ছড়ানোর পর পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) কার্যনির্বাহী সদস্য সর্বমিত্র চাকমা। এ বিষয়ে ডাকসু জিএস এস এম ফরহাদ বলেছেন, ‘সাধারণত পদত্যাগ-সংক্রান্ত কোনো ইস্যু আসলে লিখিত আকারে আমার কাছে আসবার কথা।
৪ ঘণ্টা আগে
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) ভিপি মো. রিয়াজুল ইসলাম বলেছেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনে (ইউজিসি) জবির কোনো শিক্ষক না থাকায় আমরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছি। সেখানে একটি সিন্ডিকেট কাজ করছে।’
৫ ঘণ্টা আগে