
নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার তিনটি দাখিল মাদ্রাসা থেকে চলতি বছরের দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১২ শিক্ষার্থীর কেউই উত্তীর্ণ হতে পারেনি। আজ সোমবার ফল প্রকাশের পর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, গোঁবরচাপাহাট আখতার হামিদ দাখিল মাদ্রাসা, জোলাপাড়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা ও খাদাইল দাখিল মাদ্রাসায় পাসের হার শূন্য।
উপজেলা শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, তিনটি প্রতিষ্ঠানই নন-এমপিওভুক্ত। এসব মাদ্রাসার কোনো শিক্ষার্থীই দাখিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হওয়ায় প্রতিষ্ঠানগুলোর পাঠদান, শিক্ষার্থী উপস্থিতি ও শিক্ষার পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি বছর বদলগাছী উপজেলায় মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষায় ৫৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। এর মধ্যে মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৩২টি, দাখিল মাদ্রাসা ১৭টি ও ভোকেশনাল প্রতিষ্ঠান পাঁচটি।
গোঁবরচাপাহাট আখতার হামিদ দাখিল মাদ্রাসা থেকে একজন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ফেল করেছে। জোলাপাড়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে তিনজন অংশ নিয়ে সবাই ফেল করেছে। খাদাইল দাখিল মাদ্রাসা থেকে আটজন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই ফেল করেছে।
গোঁবরচাপাহাট এলাকার বাসিন্দা শহিদুল ও রাহেল বলেন, কয়েক বছর ধরে গোঁবরচাপাহাট আখতার হামিদ দাখিল মাদ্রাসায় শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের নিয়মিত দেখা যায় না। মাদ্রাসার বিভিন্ন কক্ষ পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। কোথাও কোথাও আগাছাও জন্মেছে। তাঁদের ভাষ্য, শিক্ষকদের বেতন-ভাতা না হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির এমন অবস্থা হয়েছে।
গোঁবরচাপাহাট আখতার হামিদ দাখিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার মো. কামরুজ্জামান বলেন, ‘প্রতিষ্ঠানটি টিকিয়ে রাখতে একজন শিক্ষার্থীকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করিয়েছিলাম। আজ ফল প্রকাশের পর শুনলাম, সে ফেল করেছে।’

জোলাপাড়া এলাকার বাসিন্দা জহুরুল ইসলাম বলেন, জোলাপাড়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসায়ও শিক্ষার্থী বা শিক্ষকদের নিয়মিত দেখা যায় না। তাঁর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ রয়েছে।
জোলাপাড়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার আব্দুল আজিজ বলেন, ‘আমার মাদ্রাসা থেকে তিনজন দাখিল পরীক্ষা দিয়েছে। তিনজনই ফেল করেছে। বিষয়টি খুবই দুঃখজনক।’
খাদাইল দাখিল মাদ্রাসার সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘এই প্রথমবার আমার মাদ্রাসার সবাই ফেল করেছে। এর আগে এমন হয়নি।’
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নূর ইসলাম জানান, তাঁরা ২০ থেকে ২৫ বছর ধরে প্রতিষ্ঠানে বেকার সময় দিচ্ছেন। এখনো এমপিওভুক্ত হয়নি। প্রতিষ্ঠান টিকিয়ে রাখতে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করানো হয়েছে। কিন্তু ঠিকমতো ক্লাস না হওয়ায় ফলাফল শতভাগ ফেল।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শফিউল আলম তিন মাদ্রাসার ফলাফলের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানগুলোর বিষয়ে খোঁজ নিয়ে দেখা হবে। নন-এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান হওয়ায় সেখানে নিয়মিত পাঠদান হয় কি না, সে বিষয়ে তাঁর কাছে বিস্তারিত তথ্য নেই।

বান্দরবানের থানচিতে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় চার বিদ্যালয়ের ২০৩ পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৫২ জন। পাসের হার ২৫ দশমিক ৬১ শতাংশ, জিপিএ-৫ শূন্য। সংশ্লিষ্টদের মতে, অনিয়মিত শিক্ষার্থী, নিয়মিত পাঠদানের ঘাটতি ও যাতায়াতের সমস্যা ফল বিপর্যয়ের প্রধান কারণ।
২ ঘণ্টা আগে
২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় পাবনা ক্যাডেট কলেজের ৫২ জন পরীক্ষার্থী সবাই উত্তীর্ণ হয়েছে। তাদের সবাই জিপিএ-৫ পেয়েছে, যার মধ্যে ৫০ জন গোল্ডেন জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তির হার শতভাগ।
২ ঘণ্টা আগে
চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার ফলাফলে সাফল্য দেখিয়েছে রাজধানীর উত্তরায় অবস্থিত মাইলস্টোন কলেজ। এ বছর কলেজটির বাংলা মাধ্যম ও ইংরেজি ভার্সন থেকে মোট ১ হাজার ৪৯৩ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে পাস করেছে ১ হাজার ৪৮৮ জন। পাসের হার ৯৯ দশমিক ৬৭ শতাংশ।
৪ ঘণ্টা আগে
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান–২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত চিত্র প্রদর্শনীতে বিতর্কিত ‘৭১ থেকে ২৪ বড়’ চিত্রকর্মটি সরিয়েছে প্রশাসন। চিত্রকর্মটিতে দেখা যায়, একটি হাতের মুষ্টি দাঁড়িপাল্লা ধরে আছে। পাল্লার একপাশে লাল রঙে ’৭১ এবং অপর পাশে কালচে রঙে ’২৪ লেখা। ’২৪ লেখা পাল্লাটি খানিকটা বেশি ঝুঁকে আছে।
৬ ঘণ্টা আগে