
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ অবসানের সম্ভাব্য কোনো চুক্তি হলে তা মেনে নেওয়া ছাড়া ইসরায়েলের সামনে ‘আর কোনো বিকল্প থাকবে না’। গত রোববার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক ফোন সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এই অবস্থান ব্যক্ত করেন। খবর দ্য হিলের।
ট্রাম্প বলেন, ‘আমি সিদ্ধান্ত নিই। আমি সব সিদ্ধান্ত নিই। তিনি সিদ্ধান্ত নেন না।’ তিনি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর প্রসঙ্গ টেনে এ মন্তব্য করেন। সাক্ষাৎকারটি এমন সময় প্রকাশিত হলো, যার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইরান ও ইসরায়েল পরস্পরের ভূখণ্ডে হামলা চালায়। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান নাজুক যুদ্ধবিরতির সময় এটি ছিল তেহরানের প্রথম এ ধরনের হামলা।
একই সময়ে ইয়েমেনের হুতিরাও ঘোষণা দেয়, তারা লোহিত সাগর দিয়ে চলাচলকারী ইসরায়েলি জাহাজগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালাবে। এতে বৈশ্বিক শিপিং রুট আরও বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়ে। সপ্তাহান্তজুড়ে ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকে, যখন ইসরায়েল লেবাননের সঙ্গে থাকা নিরাপত্তা বাফার জোনের সীমা লঙ্ঘন করে এবং ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহকে লক্ষ্য করার উদ্দেশ্যে সেখানে প্রবেশ করে। এর আগে ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় লেবাননের সঙ্গে একটি যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছিল।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে ইরানের বিরুদ্ধে পাল্টা হামলা না চালাতে বলেন। তবে রোববার সন্ধ্যায় ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী জানায়, তারা পাল্টা আক্রমণ চালিয়েছে এবং পশ্চিম ও মধ্য ইরানের সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা করেছে। এরপর সোমবার সকালে ট্রাম্প তাঁর মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দুই দেশকে অবিলম্বে গোলাগুলি বন্ধ করার আহ্বান জানান। পরবর্তী একটি পোস্টে তিনি বলেন, ইসরায়েল ও ইরান ‘তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতি’র দিকে অগ্রসর হচ্ছে।
ট্রাম্প আরও জানান, শান্তিচুক্তির চূড়ান্ত আলোচনা ‘এগোচ্ছে, তবে অজ্ঞতা বা বোকামি যদি পথে বাধা না হয়ে দাঁড়ায়’। তিনি যোগ করেন, চূড়ান্ত চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত একটি অবরোধ বহাল থাকবে। অন্যদিকে, ইরান সোমবার ঘোষণা করে যে তারা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে তাদের সামরিক অভিযান স্থগিত করছে। তবে একই সঙ্গে সতর্ক করে বলা হয়, দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েল যদি ‘আগ্রাসন পুনরায় শুরু করে’, তাহলে তারা আরও কঠোর ও ‘ধ্বংসাত্মক প্রতিক্রিয়া’ জানাবে।

হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আইআরজিসির এক শীর্ষ কমান্ডার। একই সময়ে প্রণালি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে ইরানের সামরিক বাহিনী, যদিও এ দাবি অস্বীকার করেছে সেন্টকম।
১ ঘণ্টা আগে
এর আগে ফরওয়ার্ড সি–মেনস ইউনিয়ন অব ইন্ডিয়ার (এফএসইউআই) সাধারণ সম্পাদক মনোজ যাদব সংবাদ সংস্থা এএনআইকে বলেন, ‘আমরা জাহাজটির সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করতে সক্ষম হইনি। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দুইজন মারা গেছেন, আর প্রধান প্রকৌশলী এখনও নিখোঁজ হিসেবে আছেন।’
২ ঘণ্টা আগে
চীনের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ১২ টির বেশি ওয়েবসাইট জব্দ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। অভিযোগ, ভুয়া কনসালটিং প্রতিষ্ঠানের আড়ালে নিরাপত্তা ছাড়পত্রধারী বর্তমান ও সাবেক মার্কিন কর্মকর্তাদের নিয়োগ দিয়ে সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছিল।
৪ ঘণ্টা আগে
হরমুজ প্রণালি বন্ধ ঘোষণা করেছে ইরানের সর্বোচ্চ যৌথ সামরিক কমান্ড। তেলবাহী ট্যাংকার ও বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল নিষিদ্ধ করে সতর্ক করা হয়েছে, কোনো জাহাজ পার হওয়ার চেষ্টা করলে গুলি চালানো হবে। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলা ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে