
সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে পুঁজিবাজারে বড় দরপতন হয়েছে। দিনভর সূচকের পতন শেষে গতকাল রোববার দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচক কমেছে ২৩১ পয়েন্ট। আর চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচক কমেছে ৪১৯ পয়েন্ট। সূচকের পাশাপাশি কমেছে লেনদেন হওয়া অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম।

দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার পর দেশের পুঁজিবাজারে স্বস্তির ঢেউ বইছে। গত বৃহস্পতিবার নির্বাচন শেষ হওয়ার পর সরকার গঠনের সব প্রক্রিয়া প্রায় চূড়ান্ত হওয়ায় বিনিয়োগকারীরা আবার বাজারে ফিরেছেন। সেই প্রভাব দেখা গেছে ঢাকা ও চট্টগ্রামের শেয়ারবাজারে।

পুঁজিবাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হবে—সমালোচিত ও বড় বিনিয়োগকারী হিসেবে পরিচিত আবুল খায়ের হিরুর এমন বার্তার পরই দেশের পুঁজিবাজারে বড় উত্থান দেখা গেছে। গতকাল রোববার প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দরপতনের তুলনায় দরবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ৭ গুণ।

৯টি দুর্বল ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান (এনবিএফআই) অবসায়নের সিদ্ধান্তে পুঁজিবাজারে আরেকটি বড় ধাক্কার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পাঁচটি ব্যাংক একীভূত করার পর বাংলাদেশ ব্যাংকের এই উদ্যোগে আমানতকারীদের অর্থ ফেরতের ব্যবস্থা নেওয়া হলেও এগুলোর শেয়ারে বিনিয়োগকারীরা কার্যত পুরোপুরি উপেক্ষিতই থাকছেন।