হিলি স্থলবন্দর, প্রতিনিধি

অবৈধভাবে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের দায়ে আটক নারী-পুরুষসহ ৫ ভারতীয় নাগরিককে ৮ থেকে ২৬ মাস পর্যন্ত বিভিন্ন মেয়াদে কারাভোগ শেষে ভারতে ফেরত পাঠানো হয়েছে। আজ বুধবার বেলা ১১টায় হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে তাঁদের দেশ ভারতে পাঠানো হয়েছে। ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট গেটের শূন্য রেখায় বাংলাদেশের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ ভারতীয় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের কাছে তাদের হস্তান্তর করে। এ সময় বিজিবি ও বিএসএফ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এদের মধ্যে একজন মাদক মামলার আসামি ছিলেন। তিন বছর কারাভোগ শেষে তাঁকেও ভারতে ফেরত পাঠানো হয়েছে। এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের অফিসার ইনচার্জ বদিউজ্জামান।
হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট কর্মকর্তা বদিউজ্জামান বলেন, আটক এসব ভারতীয় নাগরিকেরা নওগাঁর পোরশা সীমান্তসহ বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করলে সীমান্তে কর্তব্যরত বিজিবি সদস্যরা তাঁদের আটক করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে সোপর্দ করে। পরে তাদের আদালতে হাজির করা হলে আদালত অনুপ্রবেশের দায়ে তাঁদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা প্রদান করেন।
ভারতে ফেরত পাঠানো নাগরিকেরা হলেন—ভারতের বর্ধমান জেলার ভাতা থানার গর্ধমানমারী গ্রামের নরেন হাঁসদার ছেলে ছামিউল হাঁসদা, মুর্শিদাবাদ জেলার সাগরদিঘি থানার চোরদিঘি গ্রামের একরাম মার্ডির ছেলে রুবেল মার্ডি, বর্ধমান জেলার ভাতা থানার গর্ধমানমারী গ্রামের মন্টু মুর্মুর স্ত্রী শান্তনা মুর্মু, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার পশ্চিম আপতুর গ্রামের হোপনার ছেলে লিপলাল হেমবোম ও আসাম জেলার কালাইর আলগা গ্রামের শহিদুর রহমানের ছেলে নুর আমিন শেখ।
হাকিমপুর থানা অফিসার ইনচার্জ খায়রুল বাসার জানান, ‘এসব ভারতীয় নাগরিকদের কারাভোগ শেষে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আজ তাদের ভারতীয় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এদের মধ্যে একজনকে মাদকের মামলায় আটক হয়েছিল। তিন বছর কারাভোগের পর তাঁকেও তার দেশ ভারতে ফেরত পাঠানো হলো।’

অবৈধভাবে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের দায়ে আটক নারী-পুরুষসহ ৫ ভারতীয় নাগরিককে ৮ থেকে ২৬ মাস পর্যন্ত বিভিন্ন মেয়াদে কারাভোগ শেষে ভারতে ফেরত পাঠানো হয়েছে। আজ বুধবার বেলা ১১টায় হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে তাঁদের দেশ ভারতে পাঠানো হয়েছে। ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট গেটের শূন্য রেখায় বাংলাদেশের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ ভারতীয় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের কাছে তাদের হস্তান্তর করে। এ সময় বিজিবি ও বিএসএফ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এদের মধ্যে একজন মাদক মামলার আসামি ছিলেন। তিন বছর কারাভোগ শেষে তাঁকেও ভারতে ফেরত পাঠানো হয়েছে। এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের অফিসার ইনচার্জ বদিউজ্জামান।
হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট কর্মকর্তা বদিউজ্জামান বলেন, আটক এসব ভারতীয় নাগরিকেরা নওগাঁর পোরশা সীমান্তসহ বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করলে সীমান্তে কর্তব্যরত বিজিবি সদস্যরা তাঁদের আটক করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে সোপর্দ করে। পরে তাদের আদালতে হাজির করা হলে আদালত অনুপ্রবেশের দায়ে তাঁদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা প্রদান করেন।
ভারতে ফেরত পাঠানো নাগরিকেরা হলেন—ভারতের বর্ধমান জেলার ভাতা থানার গর্ধমানমারী গ্রামের নরেন হাঁসদার ছেলে ছামিউল হাঁসদা, মুর্শিদাবাদ জেলার সাগরদিঘি থানার চোরদিঘি গ্রামের একরাম মার্ডির ছেলে রুবেল মার্ডি, বর্ধমান জেলার ভাতা থানার গর্ধমানমারী গ্রামের মন্টু মুর্মুর স্ত্রী শান্তনা মুর্মু, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার পশ্চিম আপতুর গ্রামের হোপনার ছেলে লিপলাল হেমবোম ও আসাম জেলার কালাইর আলগা গ্রামের শহিদুর রহমানের ছেলে নুর আমিন শেখ।
হাকিমপুর থানা অফিসার ইনচার্জ খায়রুল বাসার জানান, ‘এসব ভারতীয় নাগরিকদের কারাভোগ শেষে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আজ তাদের ভারতীয় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এদের মধ্যে একজনকে মাদকের মামলায় আটক হয়েছিল। তিন বছর কারাভোগের পর তাঁকেও তার দেশ ভারতে ফেরত পাঠানো হলো।’

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
২ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
২ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৩ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৬ দিন আগে