সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

সিরাজগঞ্জে মাকে ছুরি দিয়ে গলা কেটে হত্যার মামলায় ছেলে নাহিদ ইমরান নিয়নকে (৩৫) মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি তাঁকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
আজ রোববার দুপুর ১২টার দিকে সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক মো. আবুল বাশার মিঞা এই দণ্ডাদেশ দেন। সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর জেবু ন্নেছা (জেবা রহমান) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত নাহিদ সিরাজগঞ্জ শহরের মুজিব সড়কের রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক-সংলগ্ন এলাকার মৃত গাজী তোজাম্মেল হকের ছেলে।
মামলায় উল্লেখ করা হয়, নাহিদ তাঁর স্ত্রী-সন্তান নিয়ে মা রশিদা খানমের সঙ্গে শহরের মুজিব সড়কের রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক-সংলগ্ন নিজ বাড়িতে থাকতেন। ২০২০ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি রাতে রশিদা খানম পরিবারের সদস্যদের নিয়ে রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। ১৮ ফেব্রুয়ারি সকালে রশিদা খানম ফজরের নামজ পড়ে আবারও ঘুমিয়ে পড়েন। পরে সকালে পিংকী খাতুন তাঁর শিশুকন্যাকে নিয়ে স্কুলে যান। তিনি বাড়ি ফেরার পথে দেখতে পান নাহিদ চাদর গায়ে দিয়ে দ্রুত বাড়ি থেকে বের হয়ে যাচ্ছেন। তিনি বাড়ি পৌঁছে শাশুড়িকে ডাকতে থাকেন। পরে ঘরের মধ্যে গিয়ে দেখতে পান শাশুড়ির গলাকাটা মরদেহ বিছানায় পড়ে আছে।
খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ধারালো ছুরি জব্দ করে। এ ঘটনায় নিহতের ছোট ছেলে নাছিম ইমরান নিশাত বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পর থেকে নাহিদ ইমরান নিয়ন পলাতক ছিলেন।
মামলায় আরও বলা হয়, নাহিদ জুয়া খেলায় জড়িত হয়ে বিভিন্ন লোকের কাছ থেকে টাকা ধার নিয়ে ঋণগ্রস্ত হয়েছেন। টাকা বা অন্য কোনো বিষয় নিয়ে নাহিদ ইমরান নিয়নসহ অজ্ঞাতনামা আসামিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে রশিদা খানমকে ধারালো ছুরি দিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে। পরে পুলিশ নাহিদকে গ্রেপ্তার করলে তিনি নিজের দোষ স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে আজ আদালত নাহিদের মৃত্যুদণ্ড দেন।

সিরাজগঞ্জে মাকে ছুরি দিয়ে গলা কেটে হত্যার মামলায় ছেলে নাহিদ ইমরান নিয়নকে (৩৫) মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি তাঁকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
আজ রোববার দুপুর ১২টার দিকে সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক মো. আবুল বাশার মিঞা এই দণ্ডাদেশ দেন। সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর জেবু ন্নেছা (জেবা রহমান) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত নাহিদ সিরাজগঞ্জ শহরের মুজিব সড়কের রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক-সংলগ্ন এলাকার মৃত গাজী তোজাম্মেল হকের ছেলে।
মামলায় উল্লেখ করা হয়, নাহিদ তাঁর স্ত্রী-সন্তান নিয়ে মা রশিদা খানমের সঙ্গে শহরের মুজিব সড়কের রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক-সংলগ্ন নিজ বাড়িতে থাকতেন। ২০২০ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি রাতে রশিদা খানম পরিবারের সদস্যদের নিয়ে রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। ১৮ ফেব্রুয়ারি সকালে রশিদা খানম ফজরের নামজ পড়ে আবারও ঘুমিয়ে পড়েন। পরে সকালে পিংকী খাতুন তাঁর শিশুকন্যাকে নিয়ে স্কুলে যান। তিনি বাড়ি ফেরার পথে দেখতে পান নাহিদ চাদর গায়ে দিয়ে দ্রুত বাড়ি থেকে বের হয়ে যাচ্ছেন। তিনি বাড়ি পৌঁছে শাশুড়িকে ডাকতে থাকেন। পরে ঘরের মধ্যে গিয়ে দেখতে পান শাশুড়ির গলাকাটা মরদেহ বিছানায় পড়ে আছে।
খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ধারালো ছুরি জব্দ করে। এ ঘটনায় নিহতের ছোট ছেলে নাছিম ইমরান নিশাত বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পর থেকে নাহিদ ইমরান নিয়ন পলাতক ছিলেন।
মামলায় আরও বলা হয়, নাহিদ জুয়া খেলায় জড়িত হয়ে বিভিন্ন লোকের কাছ থেকে টাকা ধার নিয়ে ঋণগ্রস্ত হয়েছেন। টাকা বা অন্য কোনো বিষয় নিয়ে নাহিদ ইমরান নিয়নসহ অজ্ঞাতনামা আসামিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে রশিদা খানমকে ধারালো ছুরি দিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে। পরে পুলিশ নাহিদকে গ্রেপ্তার করলে তিনি নিজের দোষ স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে আজ আদালত নাহিদের মৃত্যুদণ্ড দেন।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৪ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৫ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৫ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৮ দিন আগে