জয়পুরহাট প্রতিনিধি

জয়পুরহাটে স্বামীকে হত্যার দায়ে স্ত্রীসহ চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক নুর ইসলাম এই রায় ঘোষণা করেন।
চারজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার সরকারি কৌঁসুলি নৃপেন্দ্রনাথ মণ্ডল পিপি। এদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী ছিলেন আফজাল হোসেন ও আবু কায়সার।
সাজা পাওয়া আসামিরা হলেন জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার কুটাহারা গ্রামের আবুল হোসেনের স্ত্রী ডলি বেগম, একই গ্রামের মৃত নিগমা উড়াওয়ের ছেলে সুরেন উড়াও, ধলু মণ্ডলের ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান ও দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার বলরামপুর গ্রামের ফিরাজ উদ্দীনের ছেলে কাফা। তাঁদের মধ্যে ডলি বেগম পলাতক আছেন।
মামলা থেকে জানা গেছে, জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার মটপাড়া গ্রামের ফয়েজের ছেলে আবুল হোসেনের সঙ্গে একই উপজেলার কুটাহারা গ্রামের আব্দুর রহমানের মেয়ে ডলির বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে আবুল হোসেন শ্বশুরের বাড়িতে ঘরজামাই থাকতেন। বিয়ের পরে পারিবারিক নানা বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া লেগে থাকে। এরই মধ্যে সুরেন, মোস্তাফিজুর ও কাফার সঙ্গে ডলি সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন।
স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্কের জেরেই পরিকল্পনা করে ২০০১ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর রাতে সুরেন, মোস্তাফিজুর, কাফা ও ডলি শ্বাসরোধে আবুল হোসেনকে হত্যা করে পালিয়ে যান। পরের দিন খবর পেয়ে পুলিশ আবুল হোসেনের লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় ২৯ সেপ্টেম্বর নিহতের বাবা বাদী হয়ে পাঁচবিবি থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরপর আইনি প্রক্রিয়া ও দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত আজ এই রায় দেন।

জয়পুরহাটে স্বামীকে হত্যার দায়ে স্ত্রীসহ চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক নুর ইসলাম এই রায় ঘোষণা করেন।
চারজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার সরকারি কৌঁসুলি নৃপেন্দ্রনাথ মণ্ডল পিপি। এদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী ছিলেন আফজাল হোসেন ও আবু কায়সার।
সাজা পাওয়া আসামিরা হলেন জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার কুটাহারা গ্রামের আবুল হোসেনের স্ত্রী ডলি বেগম, একই গ্রামের মৃত নিগমা উড়াওয়ের ছেলে সুরেন উড়াও, ধলু মণ্ডলের ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান ও দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার বলরামপুর গ্রামের ফিরাজ উদ্দীনের ছেলে কাফা। তাঁদের মধ্যে ডলি বেগম পলাতক আছেন।
মামলা থেকে জানা গেছে, জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার মটপাড়া গ্রামের ফয়েজের ছেলে আবুল হোসেনের সঙ্গে একই উপজেলার কুটাহারা গ্রামের আব্দুর রহমানের মেয়ে ডলির বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে আবুল হোসেন শ্বশুরের বাড়িতে ঘরজামাই থাকতেন। বিয়ের পরে পারিবারিক নানা বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া লেগে থাকে। এরই মধ্যে সুরেন, মোস্তাফিজুর ও কাফার সঙ্গে ডলি সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন।
স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্কের জেরেই পরিকল্পনা করে ২০০১ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর রাতে সুরেন, মোস্তাফিজুর, কাফা ও ডলি শ্বাসরোধে আবুল হোসেনকে হত্যা করে পালিয়ে যান। পরের দিন খবর পেয়ে পুলিশ আবুল হোসেনের লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় ২৯ সেপ্টেম্বর নিহতের বাবা বাদী হয়ে পাঁচবিবি থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরপর আইনি প্রক্রিয়া ও দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত আজ এই রায় দেন।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৪ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৫ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৫ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৯ দিন আগে