দেওয়ানগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে সমবায় সমিতির নামে ৪০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে দীর্ঘদিন ধরে লাপাত্তা থাকা প্রভাষক আকবর হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে থানা-পুলিশ। গতকাল বুধবার রাতে রাজধানীর উত্তরা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, আকবর হোসেন উপজেলার হাতীভাঙ্গা মোফাজ্জল মিঞা মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজের গণিতের প্রভাষক। তিনি সমাজসেবার নামে উপজেলার কাঠারবিল বাজারে যমুনা বহুমুখী সমবায় সমিতি গঠন করেন। সমিতির সদস্যদের মাঝে সঞ্চয় ও ঋণ কার্যক্রম শুরু করে অল্প সময়ের মধ্যে বেশ সুনাম অর্জন করেন তিনি। এতে দিনদিন আকবরের গড়ে তোলা সমিতির সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে থাকে। পরবর্তীতে ২০২০ সালের মার্চ মাসে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ, ইসলামপুর ও বকশীগঞ্জ; গাইবান্ধার ফুলছড়ি; কুড়িগ্রামের রাজিবপুর, রৌমারী উপজেলার সাড়ে ৬ হাজার সদস্যদের কাছ থেকে প্রায় ৪০ কোটি টাকা বেশি অর্থ সমিতির তহবিলে জমা হয়। সমিতিটি কয়েক বছর সদস্যদের সঞ্চয়ের বিপরীতে মুনাফার টাকা নিয়মিত পরিশোধ করে।
হঠাৎ ২০২০ সালে সমিতির কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দিলে সদস্যরা তাঁদের জমানো জামানতের মুনাফার অর্থসহ ও মূল টাকা ফেরতের জন্য সমিতির পরিচালক আকবরকে চাপ দেন। কিন্তু মুনাফা তো দূরের কথা সঞ্চয়ের আসল টাকা ফেরত দিতে টালবাহানা শুরু করে সমিতির কর্তৃপক্ষ। অপরদিকে, একই বছর আত্মগোপন করেন আকবর হোসেন। ফলে জমানতের অর্থ ফেরতের দাবিতে ভুক্তভোগী সদস্যরা তাঁর নামে মামলা দায়ের এবং বিভিন্ন সময় আকবরকে গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন।
দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শ্যামল চন্দ্র ধর বলেন, আকবর আট মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। বহুদিন থেকে তাঁকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছিল। গতকাল রাতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে আজ বৃহস্পতিবার তাঁকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে সমবায় সমিতির নামে ৪০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে দীর্ঘদিন ধরে লাপাত্তা থাকা প্রভাষক আকবর হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে থানা-পুলিশ। গতকাল বুধবার রাতে রাজধানীর উত্তরা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, আকবর হোসেন উপজেলার হাতীভাঙ্গা মোফাজ্জল মিঞা মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজের গণিতের প্রভাষক। তিনি সমাজসেবার নামে উপজেলার কাঠারবিল বাজারে যমুনা বহুমুখী সমবায় সমিতি গঠন করেন। সমিতির সদস্যদের মাঝে সঞ্চয় ও ঋণ কার্যক্রম শুরু করে অল্প সময়ের মধ্যে বেশ সুনাম অর্জন করেন তিনি। এতে দিনদিন আকবরের গড়ে তোলা সমিতির সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে থাকে। পরবর্তীতে ২০২০ সালের মার্চ মাসে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ, ইসলামপুর ও বকশীগঞ্জ; গাইবান্ধার ফুলছড়ি; কুড়িগ্রামের রাজিবপুর, রৌমারী উপজেলার সাড়ে ৬ হাজার সদস্যদের কাছ থেকে প্রায় ৪০ কোটি টাকা বেশি অর্থ সমিতির তহবিলে জমা হয়। সমিতিটি কয়েক বছর সদস্যদের সঞ্চয়ের বিপরীতে মুনাফার টাকা নিয়মিত পরিশোধ করে।
হঠাৎ ২০২০ সালে সমিতির কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দিলে সদস্যরা তাঁদের জমানো জামানতের মুনাফার অর্থসহ ও মূল টাকা ফেরতের জন্য সমিতির পরিচালক আকবরকে চাপ দেন। কিন্তু মুনাফা তো দূরের কথা সঞ্চয়ের আসল টাকা ফেরত দিতে টালবাহানা শুরু করে সমিতির কর্তৃপক্ষ। অপরদিকে, একই বছর আত্মগোপন করেন আকবর হোসেন। ফলে জমানতের অর্থ ফেরতের দাবিতে ভুক্তভোগী সদস্যরা তাঁর নামে মামলা দায়ের এবং বিভিন্ন সময় আকবরকে গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন।
দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শ্যামল চন্দ্র ধর বলেন, আকবর আট মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। বহুদিন থেকে তাঁকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছিল। গতকাল রাতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে আজ বৃহস্পতিবার তাঁকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৭ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৮ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৮ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২১ দিন আগে