চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

চুয়াডাঙ্গায় মাদক মামলায় এক নারীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ওই নারীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে নেশাজাতীয় ইনজেকশনের ৫০৬টি অ্যাম্পুল উদ্ধার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।
আজ সোমবার সাতজন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক মো. মাসুদ আলী আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা জজ আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি (পিপি) বেলাল উদ্দিন। তিনি বলেন, মাদক মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে ওই নারীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়ে। জরিমানা অনাদায়ে আরও ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত নারীর নাম—ফাতেমা খাতুন (৩২)। তিনি সদর উপজেলার হাতিকাটা মোড়পাড়ার সুরুজ আলীর স্ত্রী।
আদালতের নথি ও মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ২৫ এপ্রিল বেলা সাড়ে ১২টার দিকে চুয়াডাঙ্গা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একটি দল চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার হাতিকাটা মোড়পাড়ার ফাতেমা খাতুনের বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় তাঁর বসতঘরে একটি প্লাস্টিকের ড্রামের ভেতরে, বাজারের ব্যাগে লুকিয়ে রাখা নেশা জাতীয় ইনজেকশনের ৫০৬টি অ্যাম্পুল উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় চুয়াডাঙ্গা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক আব্দুল্লাহ আল মামুন বাদী হয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। পরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা চুয়াডাঙ্গা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অফিসের উপপরিদর্শক আবুল কালাম আজাদ একই বছরের ২২ জুন ফাতেমা খাতুনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।
মোট ৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আজ আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

চুয়াডাঙ্গায় মাদক মামলায় এক নারীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ওই নারীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে নেশাজাতীয় ইনজেকশনের ৫০৬টি অ্যাম্পুল উদ্ধার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।
আজ সোমবার সাতজন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক মো. মাসুদ আলী আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা জজ আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি (পিপি) বেলাল উদ্দিন। তিনি বলেন, মাদক মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে ওই নারীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়ে। জরিমানা অনাদায়ে আরও ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত নারীর নাম—ফাতেমা খাতুন (৩২)। তিনি সদর উপজেলার হাতিকাটা মোড়পাড়ার সুরুজ আলীর স্ত্রী।
আদালতের নথি ও মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ২৫ এপ্রিল বেলা সাড়ে ১২টার দিকে চুয়াডাঙ্গা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একটি দল চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার হাতিকাটা মোড়পাড়ার ফাতেমা খাতুনের বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় তাঁর বসতঘরে একটি প্লাস্টিকের ড্রামের ভেতরে, বাজারের ব্যাগে লুকিয়ে রাখা নেশা জাতীয় ইনজেকশনের ৫০৬টি অ্যাম্পুল উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় চুয়াডাঙ্গা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক আব্দুল্লাহ আল মামুন বাদী হয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। পরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা চুয়াডাঙ্গা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অফিসের উপপরিদর্শক আবুল কালাম আজাদ একই বছরের ২২ জুন ফাতেমা খাতুনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।
মোট ৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আজ আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

রাজধানী ঢাকায় কোনো ‘হাইপ্রোফাইল’ (উঁচু স্তরের) কেউ খুন হলে বা অন্য কোনো আলোচিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে প্রায়ই পুলিশের ভাষ্যে উঠে আসে বিদেশে অবস্থানরত সন্ত্রাসী কিংবা ‘গডফাদারের’ নাম। দেশের বাইরে থাকা ব্যক্তিদের ওপর দায় চাপানোর কারণে অনেক ক্ষেত্রে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত
৬ ঘণ্টা আগে
বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১২ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১৩ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২৩ দিন আগে