মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলায় অপহরণ করে এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে তিন যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
এদিকে ওই নারীকে উদ্ধারের পর তাঁকে মাগুরা সদর হাসপাতালে ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় মেয়েকে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে ওই নারীর মা বাদী হয়ে চারজনের নাম উল্লেখ করে মহম্মদপুর থানায় মামলা করেছেন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলো দরিশালধা গ্রামের আমিনুর রহমান মোল্লা (২৬), বালিদিয়া গ্রামের কামাল মিনে (২৫) ও লাহুড়িয়া গ্রামের আকাশ শেখ (২০)। ঘটনার সঙ্গে জড়িত আরেক অভিযুক্ত দরিশালধা গ্রামের লিটন মোল্লা (৩০) পলাতক রয়েছে।
মামলার এজাহার থেকে জানা গেছে, মহম্মদপুর উপজেলার নহাটা ইউনিয়নের এক নারীকে উত্ত্যক্ত করত পার্শ্ববর্তী নড়াইল জেলার লাহুড়িয়ার হেসলাগাতি এলাকার যুবক আকাশ শেখ (২০)। গত বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই নারী উপজেলার নহাটা বাজারে গেলে কলেজিয়েট গার্লস স্কুলের সামনে থেকে দরিশালধার লিটন মোল্লা, আমিনুর রহমান মোল্লা ও আকাশ তাঁকে মোটরসাইকেলে তুলে বালিদিয়ার দিকে নিয়ে যায়। পরে ওই নারীকে আটকে রেখে ধর্ষণ করে আকাশ শেখ। এ ঘটনায় অভিযুক্ত তিনজন সহযোগী হিসেবে কাজ করে। তারা সবাই পূর্বপরিচিত বলে জানায় পুলিশ।
ধর্ষণের পর ওই নারীর স্বর্ণালংকার খুলে রেখে বাড়ি পাঠিয়ে দেয় ওই চার যুবক।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃত তিনজনের কাছ থেকে গলা ও কানের স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়েছে। পলাতক একজনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। পরে ওই নারীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য মাগুরা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
মহম্মদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাসির উদ্দিন বলেন, মামলার মূল আসামিসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে শুক্রবার বিকেলে গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা ধর্ষণের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলায় অপহরণ করে এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে তিন যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
এদিকে ওই নারীকে উদ্ধারের পর তাঁকে মাগুরা সদর হাসপাতালে ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় মেয়েকে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে ওই নারীর মা বাদী হয়ে চারজনের নাম উল্লেখ করে মহম্মদপুর থানায় মামলা করেছেন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলো দরিশালধা গ্রামের আমিনুর রহমান মোল্লা (২৬), বালিদিয়া গ্রামের কামাল মিনে (২৫) ও লাহুড়িয়া গ্রামের আকাশ শেখ (২০)। ঘটনার সঙ্গে জড়িত আরেক অভিযুক্ত দরিশালধা গ্রামের লিটন মোল্লা (৩০) পলাতক রয়েছে।
মামলার এজাহার থেকে জানা গেছে, মহম্মদপুর উপজেলার নহাটা ইউনিয়নের এক নারীকে উত্ত্যক্ত করত পার্শ্ববর্তী নড়াইল জেলার লাহুড়িয়ার হেসলাগাতি এলাকার যুবক আকাশ শেখ (২০)। গত বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই নারী উপজেলার নহাটা বাজারে গেলে কলেজিয়েট গার্লস স্কুলের সামনে থেকে দরিশালধার লিটন মোল্লা, আমিনুর রহমান মোল্লা ও আকাশ তাঁকে মোটরসাইকেলে তুলে বালিদিয়ার দিকে নিয়ে যায়। পরে ওই নারীকে আটকে রেখে ধর্ষণ করে আকাশ শেখ। এ ঘটনায় অভিযুক্ত তিনজন সহযোগী হিসেবে কাজ করে। তারা সবাই পূর্বপরিচিত বলে জানায় পুলিশ।
ধর্ষণের পর ওই নারীর স্বর্ণালংকার খুলে রেখে বাড়ি পাঠিয়ে দেয় ওই চার যুবক।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃত তিনজনের কাছ থেকে গলা ও কানের স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়েছে। পলাতক একজনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। পরে ওই নারীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য মাগুরা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
মহম্মদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাসির উদ্দিন বলেন, মামলার মূল আসামিসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে শুক্রবার বিকেলে গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা ধর্ষণের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৭ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৮ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৮ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২১ দিন আগে