
ঘরের ছেলে নেইমার ঘরে ফিরেছেন এ সপ্তাহে। ব্রাজিলের ফরোয়ার্ডকে রাজকীয় বরণ করেছিল সান্তোস। দীর্ঘ ১ যুগ পর ফেরা নেইমার মাঠে নামার সুযোগ পেয়েছেন বাংলাদেশ সময় আজ সকালে। তবে ফেরার ম্যাচে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়া হলো না ৩৩ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ডের।
সান্তোসের মাঠ ভিলা বেলমিরোতে আজ পুনরায় ক্লাবটির হয়ে যাত্রা শুরু হয় নেইমারের। বাংলাদেশ সময় সকালে হলেও তিনি ৪৬ মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নেমেছেন ব্রাজিলের সময় গত রাতে। ক্যাম্পেওনাতো পাউলিস্তা টুর্নামেন্টে সান্তোসের প্রতিপক্ষ ছিল বোতাফোগো। ম্যাচে ৩৮ মিনিটে তিকুইনো সোয়ারেস পেনাল্টি থেকে গোলে এগিয়ে নেন সান্তোসকে। এরপর ৬৭ মিনিটে সমতাসূচক গোল করেন বোতাফোগোর স্ট্রাইকার আলেক্সান্দ্রে ডি জেসুস। শেষ পর্যন্ত সান্তোস-বোতাফোগো ম্যাচ শেষ হয় ১-১ গোলে।
বদলি হিসেবে মাঠে নামলেও দীর্ঘ ১ যুগ পর ভিলা বেলমিরোতে খেলতে পেরে স্বাভাবিকভাবেই রোমাঞ্চিত নেইমার। ম্যাচ শেষে ব্রাজিলের এই ফরোয়ার্ড বলেন, ‘সান্তোসকে আমি ভালোবাসি। আজ রাতে (গতকাল) মাঠে পা রাখার পর নিজের অনুভূতির কথা বলে বোঝাতে পারব না।’
ক্যারিয়ারজুড়ে নেইমার লড়াই করেছেন চোটের সঙ্গে। আন্তর্জাতিক ফুটবল, ক্লাব ফুটবলে গত দুই বছরে নিয়মিত হতে পারেননি তিনি। ম্যাচ শেষে জানিয়েছেন তাঁর শারীরিক অবস্থার কথা। ৩৩ বছর বয়সী ব্রাজিলের এই ফরোয়ার্ড বলেন, ‘ম্যাচ ও সময় দরকার আমার। শতভাগ ফিট অবস্থায় নেই আমি। দৌড়ানো ও ড্রিবলিং নিয়ে অত বেশি আশা করিনি। আশা করি, পরের চার-পাঁচ ম্যাচে আরও ভালো করতে পারব।’
সান্তোসেই নেইমারের ক্লাব ক্যারিয়ারের পথচলা শুরু। তবে ২০১৩ সালে ক্লাবটি ছেড়ে তিনি পাড়ি জমান ইউরোপে। বার্সেলোনা, প্যারিস সেইন্ট জার্মেই—দুই ইউরোপীয় ক্লাবে খেলার পর আল হিলালে খেলেছেন। তবে চোটের কারণে আল হিলালে দুই বছরে মাত্র ৭ ম্যাচ খেলতে পেরেছেন তিনি। গত মাসের শেষ দিকে তাঁর সঙ্গে চুক্তি বাতিল করে সৌদি ক্লাবটি। তাতে ১২ বছর পর সান্তোসে ফেরাটা সহজ হয় নেইমারের জন্য। যদিও আল হিলালের সঙ্গে চুক্তি বাতিলের আগে ব্রাজিলের ফরোয়ার্ডের নিজের ঘরে ফেরা নিয়ে আলাপ-আলোচনা শুরু হয়।

ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
২৭ মিনিট আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
২ ঘণ্টা আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
২ ঘণ্টা আগে
রিও ডি জেনিরোর বিশাল মিলনায়তনে প্রায় ৭০০ সাংবাদিকের উপস্থিতিতে কার্লো আনচেলত্তি যেদিন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করলেন, নেইমার সেটা বাসায় বসে দেখছিলেন পরিবার- বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে। আনচেলত্তি যখনই ঘোষণা করলেন নেইমারের নাম—চারদিকে কী উল্লাস, চিৎকার! নেইমারের চোখে তখন পানি; সেটা ছিল আনন্দাশ্রু।
২ ঘণ্টা আগে