Ajker Patrika

গুলশানের প্লট দখল: সালাম মুর্শেদীসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন, বিচার শুরু

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
গুলশানের প্লট দখল: সালাম মুর্শেদীসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন, বিচার শুরু
সালাম মুর্শেদী। ছবি: সংগৃহীত

জালিয়াতির মাধ্যমে রাজধানী গুলশানে ২৭ কাঠা সরকারি পরিত্যক্ত প্লট আত্মসাতের মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সাবেক সিনিয়র ভাইস-প্রেসিডেন্ট সালাম মুর্শেদীসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯ এর বিচারক মো. আব্দুস সালাম অভিযোগ গঠন করেন।

অন্য যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে তাঁরা হলেন—রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান হুমায়ুন খাদেম ও প্রকৌশলী এম আজিজুল হক, সাবেক উপপরিচালক (এস্টেট) মো. আজহারুল ইসলাম ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক মো. হাবিব উল্লাহ, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সাবেক সহকারী সচিব আবদুস সোবহান, কক্সবাজারের রামুর বাসিন্দা মীর মোহাম্মদ হাসান ও তাঁর ভাই মীর মো. নুরুল আফছার, ইফফাত হক ও তাঁর স্বামী মোহাম্মদ আব্দুল মঈন, নুরুল হক, রহমান ভুঁইয়া এবং মাহবুবুল হক।

আসামি মাহবুবুল হকের আইনজীবী খাদেমুল ইসলাম অভিযোগ গঠনের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে বিচার শুরু হলো।

এর আগে গত ২০ মে আসামিদের মামলা থেকে অব্যাহতির আবেদনের ওপর শুনানি করেন তাদের আইনজীবীরা। পরে আদালত আদেশের জন্য দিন ধার্য করেন।

আদেশের সময় সালাম মুর্শেদীকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। জামিনে থাকা ১০ আসামিও আদালতে হাজির ছিলেন। তবে একজন সময়ের আবেদন করায় তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়। অন্যদিকে, আরেক আসামি আব্দুস সোবহান পলাতক রয়েছেন। আদালতে উপস্থিত সবাই নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন।

গুলশান ২ নম্বরের ১০৪ নম্বর সড়কের পরিত্যক্ত প্লট দখলের অভিযোগে রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যানসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি মামলা করে দুদক। পরে গত বছর ৩১ ডিসেম্বর সালাম মুর্শেদীসহ ১৩ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে দুদক।

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ও সরকারি কর্মচারী হয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন এবং অসৎ উদ্দেশে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত গেজেটে খ তালিকাভুক্ত গুলশান আবাসিক এলাকার সিইএন (ডি) ২৭ নং, হোল্ডিং নং-২৯, রোড নং-১০৪ প্লটটি পরিত্যক্ত সম্পত্তির তালিকাভুক্ত হওয়া সত্ত্বেও অবমুক্তকরণ ছাড়াই জালিয়াতির মাধ্যমে মিথ্যা রেকর্ডপত্র তৈরি করেন। যা পরে হস্তান্তর অনুমতি ও নামজারি অনুমোদন করার মাধ্যমে সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতের সুযোগ তৈরি করে। পরে সালাম মুর্শিদী ভোগ দখল করতে থাকেন।

উল্লেখ্য, গত বছরের ১ অক্টোবর সালাম মুর্শেদীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত