সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি

সাভারের হেমায়েতপুরে সন্ত্রাসী হামলায় আহত পরিবহন ব্যবসায়ী মো. সাহাবুদ্দিন মারা গেছেন। আজ বুধবার ভোরে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।
এর আগে শনিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় হেমায়েতপুর এলাকায় তাঁকে কুপিয়ে মারাত্মকভাবে আহত করে সন্ত্রাসীরা।
নিহতের পরিবার জানায়, সাভারের হেমায়েতপুরের বাসিন্দা নিহত সাহাবুদ্দিন (৪০) একজন পরিবহন ব্যবসায়ী ছিলেন। দীর্ঘদিন ব্যবসাসংক্রান্ত বিষয় নিয়ে স্থানীয় রকিবুল ইসলাম ওরফে ফয়সাল (২৮), তাঁর বাবা কিয়াম উদ্দিন (৬০), শহিদুল্লাহ (৩০) ও জাহাঙ্গীর হোসেনের (৩৫) সঙ্গে তাঁর বিরোধ চলে আসছিল। বিভিন্ন সময়ে তাঁরা সাহাবুদ্দিনের নামে কিশোরগঞ্জ সদর ও আশুলিয়া থানায় মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করেছিল বলে অভিযোগ পরিবারের। এসব মামলায় নির্দোষ প্রমাণিত হন সাহাবুদ্দিন। এতে তাঁর ওপর ক্ষিপ্ত ছিলেন ফয়সালসহ অন্যরা।
গত শনিবার সন্ধ্যায় ওই ব্যক্তিরা ধারালো অস্ত্র নিয়ে সাহাবুদ্দিনের ও পর হামলা চালান। এতে তিনি মাথায় ও হাতে মারাত্মক আঘাতপ্রাপ্ত হন। এ সময় তাঁকে বাঁচাতে এগিয়ে আসা মোসলেম উদ্দিন মুসা এবং মো. শাহিনের ওপরেও হামলা চালান তাঁরা। পরে স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসেন। মোসলেম ও শাহিন হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ বুধবার ভোরে মারা যান সাহাবুদ্দিন।
পুলিশ জানায়, ঘটনার রাতেই সাহাবুদ্দিনের স্ত্রী পিয়ারমন সাভার মডেল থানায় রকিবুল ইসলাম ওরফে ফয়সাল, তাঁর বাবা কিয়াম উদ্দিন, শহিদুল্লাহ ও জাহাঙ্গীর হোসেনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন।
সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দীপক চন্দ্র সাহা জানান, সাহাবুদ্দিনের ওপর হামলার ঘটনায় ওই রাতেই তাঁর স্ত্রী বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

সাভারের হেমায়েতপুরে সন্ত্রাসী হামলায় আহত পরিবহন ব্যবসায়ী মো. সাহাবুদ্দিন মারা গেছেন। আজ বুধবার ভোরে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।
এর আগে শনিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় হেমায়েতপুর এলাকায় তাঁকে কুপিয়ে মারাত্মকভাবে আহত করে সন্ত্রাসীরা।
নিহতের পরিবার জানায়, সাভারের হেমায়েতপুরের বাসিন্দা নিহত সাহাবুদ্দিন (৪০) একজন পরিবহন ব্যবসায়ী ছিলেন। দীর্ঘদিন ব্যবসাসংক্রান্ত বিষয় নিয়ে স্থানীয় রকিবুল ইসলাম ওরফে ফয়সাল (২৮), তাঁর বাবা কিয়াম উদ্দিন (৬০), শহিদুল্লাহ (৩০) ও জাহাঙ্গীর হোসেনের (৩৫) সঙ্গে তাঁর বিরোধ চলে আসছিল। বিভিন্ন সময়ে তাঁরা সাহাবুদ্দিনের নামে কিশোরগঞ্জ সদর ও আশুলিয়া থানায় মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করেছিল বলে অভিযোগ পরিবারের। এসব মামলায় নির্দোষ প্রমাণিত হন সাহাবুদ্দিন। এতে তাঁর ওপর ক্ষিপ্ত ছিলেন ফয়সালসহ অন্যরা।
গত শনিবার সন্ধ্যায় ওই ব্যক্তিরা ধারালো অস্ত্র নিয়ে সাহাবুদ্দিনের ও পর হামলা চালান। এতে তিনি মাথায় ও হাতে মারাত্মক আঘাতপ্রাপ্ত হন। এ সময় তাঁকে বাঁচাতে এগিয়ে আসা মোসলেম উদ্দিন মুসা এবং মো. শাহিনের ওপরেও হামলা চালান তাঁরা। পরে স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসেন। মোসলেম ও শাহিন হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ বুধবার ভোরে মারা যান সাহাবুদ্দিন।
পুলিশ জানায়, ঘটনার রাতেই সাহাবুদ্দিনের স্ত্রী পিয়ারমন সাভার মডেল থানায় রকিবুল ইসলাম ওরফে ফয়সাল, তাঁর বাবা কিয়াম উদ্দিন, শহিদুল্লাহ ও জাহাঙ্গীর হোসেনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন।
সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দীপক চন্দ্র সাহা জানান, সাহাবুদ্দিনের ওপর হামলার ঘটনায় ওই রাতেই তাঁর স্ত্রী বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
২ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৩ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৩ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৬ দিন আগে