মাদারীপুর প্রতিনিধি

মাদারীপুরে হত্যাসহ একাধিক মামলার আসামি চা দোকানি আউয়াল মাতুব্বরকে (৫৬) কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। সদর উপজেলায় পাঁচখোলা ইউনিয়নের আনন্দবাজার এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে। গতকাল শনিবার হামলার শিকার হলে আজ রোববার ভোরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
স্থানীয়, পারিবারিক ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আউয়াল মাতুব্বর মাদারীপুর সদর উপজেলার পাঁচখোলা ইউনিয়নের আনন্দবাজার এলাকার কাশেম মাতুব্বরের ছেলে। ২০১৯ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি একই এলাকার আওয়ামী লীগ কর্মী সাহেব আলী মাতুব্বর হত্যাসহ একাধিক মামলার আসামি তিনি।
পরিবারের সদস্যরা জানান, গতকাল শনিবার রাতে আউয়ালকে দোকানে পাওয়া যাচ্ছিল না। অনেক খোঁজাখুঁজির পর দোকানের পাশের একটি নির্জন জায়গায় রক্তাক্ত অবস্থায় আউয়ালকে পড়ে থাকতে দেখা যায়।
রাত ১টার দিকে পরিবারের লোকজন তাঁকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। অবস্থার অবনতি হলে রাতেই তাঁকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ রোববার ভোরে তিনি মারা যান।
এ ঘটনায় দুই ভাই নান্নু মাতুব্বর, চুন্নু মাতুব্বরকে দায়ী করছে নিহতের পরিবার। আউয়াল মাতুব্বরের ছোট ভাই নজরুল মাতুব্বর বলেন, ‘একই গ্রামের নান্নু মাতুব্বর, চুন্নু মাতুব্বরসহ ১০-১২ জন রাতে আমার ভাই আউয়াল মাতুব্বরকে দোকান থেকে ডেকে নিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে। আমরা হত্যাকারীদের বিচার চাই।’
এ বিষয়ে মাদারীপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. মাসুদ আলম বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, আগের হত্যাকাণ্ডের জেরেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটনো হয়েছে। এ ব্যাপারে তদন্ত চলছে। আশা করছি, দ্রুত অপরাধীদের খুঁজে বের করা সম্ভব হবে। উত্তেজনা থাকায় এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’

মাদারীপুরে হত্যাসহ একাধিক মামলার আসামি চা দোকানি আউয়াল মাতুব্বরকে (৫৬) কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। সদর উপজেলায় পাঁচখোলা ইউনিয়নের আনন্দবাজার এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে। গতকাল শনিবার হামলার শিকার হলে আজ রোববার ভোরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
স্থানীয়, পারিবারিক ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আউয়াল মাতুব্বর মাদারীপুর সদর উপজেলার পাঁচখোলা ইউনিয়নের আনন্দবাজার এলাকার কাশেম মাতুব্বরের ছেলে। ২০১৯ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি একই এলাকার আওয়ামী লীগ কর্মী সাহেব আলী মাতুব্বর হত্যাসহ একাধিক মামলার আসামি তিনি।
পরিবারের সদস্যরা জানান, গতকাল শনিবার রাতে আউয়ালকে দোকানে পাওয়া যাচ্ছিল না। অনেক খোঁজাখুঁজির পর দোকানের পাশের একটি নির্জন জায়গায় রক্তাক্ত অবস্থায় আউয়ালকে পড়ে থাকতে দেখা যায়।
রাত ১টার দিকে পরিবারের লোকজন তাঁকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। অবস্থার অবনতি হলে রাতেই তাঁকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ রোববার ভোরে তিনি মারা যান।
এ ঘটনায় দুই ভাই নান্নু মাতুব্বর, চুন্নু মাতুব্বরকে দায়ী করছে নিহতের পরিবার। আউয়াল মাতুব্বরের ছোট ভাই নজরুল মাতুব্বর বলেন, ‘একই গ্রামের নান্নু মাতুব্বর, চুন্নু মাতুব্বরসহ ১০-১২ জন রাতে আমার ভাই আউয়াল মাতুব্বরকে দোকান থেকে ডেকে নিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে। আমরা হত্যাকারীদের বিচার চাই।’
এ বিষয়ে মাদারীপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. মাসুদ আলম বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, আগের হত্যাকাণ্ডের জেরেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটনো হয়েছে। এ ব্যাপারে তদন্ত চলছে। আশা করছি, দ্রুত অপরাধীদের খুঁজে বের করা সম্ভব হবে। উত্তেজনা থাকায় এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৯ ঘণ্টা আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১১ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৪ দিন আগে