ঢামেক প্রতিবেদক

রাজধানীর উত্তরায় পরীক্ষা শেষে রাস্তা পারাপারের সময় ট্রাকের ধাক্কায় মো. নাঈম (১৭) নামের এক এসএসসি পরীক্ষার্থী নিহত হয়েছে। আজ রোববার বেলা দেড়টার দিকে উত্তরা আজমপুর বিএনএস সেন্টারের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে। মুমূর্ষু অবস্থায় তার সহপাঠীরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসক বেলা সোয়া ৩টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত নাঈম উত্তরা হাই স্কুলের শিক্ষার্থী ছিল এবং এবার সেখান থেকে এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছিল। সে কমার্স বিভাগের ছাত্র ছিল। তার পরীক্ষাকেন্দ্র ছিল উত্তরা রাজউক স্কুল অ্যান্ড কলেজ। আজ তার ব্যবসায় শিক্ষা পরীক্ষা ছিল।
ঢাকা মেডিকেলে নিহত নাঈমের সহপাঠী শ্রী পল্লব কুমার শীল জানান, পরীক্ষা শেষে নাঈম বিএনএস সেন্টারের সামনে রাস্তা পার হচ্ছিল। এ সময় ঢাকাগামী একটি বিআরটিসি ট্রাক নাঈমকে ধাক্কা দেয়। এতে নাঈম রাস্তায় ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হয়। দেখতে পেয়ে দ্রুত তাকে স্থানীয় উইমেন্স মহিলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পল্লব আরও জানান, দুর্ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা ট্রাকটি ধরলেও কৌশলে এর চালক পালিয়ে যান।
মোবাইল ফোনে নাঈমের মা মনোয়ারা বেগম জানান, তাঁদের গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট উপজেলায়। নাঈমের বাবার নাম নজরুল ইসলাম। বর্তমানে তাঁরা উত্তরা ১৪ নম্বর সেক্টরের পাকুরিয়া এলাকায় থাকেন। তাঁর ছেলে উত্তরা হাই স্কুল থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছিল।
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক জানান, ওই শিক্ষার্থীকে তার সহপাঠীরা হাসপাতালে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা–নিরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন। সহপাঠীরা জানিয়েছে, উত্তরায় বিআরটিসি ট্রাকের ধাক্কায় সে আহত হয়েছিল। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

রাজধানীর উত্তরায় পরীক্ষা শেষে রাস্তা পারাপারের সময় ট্রাকের ধাক্কায় মো. নাঈম (১৭) নামের এক এসএসসি পরীক্ষার্থী নিহত হয়েছে। আজ রোববার বেলা দেড়টার দিকে উত্তরা আজমপুর বিএনএস সেন্টারের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে। মুমূর্ষু অবস্থায় তার সহপাঠীরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসক বেলা সোয়া ৩টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত নাঈম উত্তরা হাই স্কুলের শিক্ষার্থী ছিল এবং এবার সেখান থেকে এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছিল। সে কমার্স বিভাগের ছাত্র ছিল। তার পরীক্ষাকেন্দ্র ছিল উত্তরা রাজউক স্কুল অ্যান্ড কলেজ। আজ তার ব্যবসায় শিক্ষা পরীক্ষা ছিল।
ঢাকা মেডিকেলে নিহত নাঈমের সহপাঠী শ্রী পল্লব কুমার শীল জানান, পরীক্ষা শেষে নাঈম বিএনএস সেন্টারের সামনে রাস্তা পার হচ্ছিল। এ সময় ঢাকাগামী একটি বিআরটিসি ট্রাক নাঈমকে ধাক্কা দেয়। এতে নাঈম রাস্তায় ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হয়। দেখতে পেয়ে দ্রুত তাকে স্থানীয় উইমেন্স মহিলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পল্লব আরও জানান, দুর্ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা ট্রাকটি ধরলেও কৌশলে এর চালক পালিয়ে যান।
মোবাইল ফোনে নাঈমের মা মনোয়ারা বেগম জানান, তাঁদের গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট উপজেলায়। নাঈমের বাবার নাম নজরুল ইসলাম। বর্তমানে তাঁরা উত্তরা ১৪ নম্বর সেক্টরের পাকুরিয়া এলাকায় থাকেন। তাঁর ছেলে উত্তরা হাই স্কুল থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছিল।
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক জানান, ওই শিক্ষার্থীকে তার সহপাঠীরা হাসপাতালে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা–নিরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন। সহপাঠীরা জানিয়েছে, উত্তরায় বিআরটিসি ট্রাকের ধাক্কায় সে আহত হয়েছিল। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৫ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৫ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৬ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৯ দিন আগে