Ajker Patrika

গান–গল্পে ছায়ানটে উদ্‌যাপন কবি সুফিয়া কামালের জন্মদিন

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
গান–গল্পে ছায়ানটে উদ্‌যাপন কবি সুফিয়া কামালের জন্মদিন
গান ও কথায় ছায়ানটের আয়োজনে শনিবার রমেশ চন্দ্র দত্ত স্মৃতি মিলনকেন্দ্রে উদ্‌যাপিত হয় কবি সুফিয়া কামালের জন্মবার্ষিকী। ছবি: আজকের পত্রিকা

গান ও গল্পে উদ্‌যাপিত হলো কবি সুফিয়া কামালের ১১৫তম জন্মবার্ষিকী। ছায়ানটের আয়োজনে রমেশ চন্দ্র দত্ত স্মৃতি মিলনকেন্দ্রে আজ শনিবার সন্ধ্যায় এই মহীয়সী নারীর জন্মদিন উদ্‌যাপন করা হয়। সংগীত পরিবেশনার পাশাপাশি ছিল সুফিয়া কামাল এবং তার কাজ নিয়ে আলোচনা।

এ আয়োজনে উপস্থিত কবির মেয়ে সাঈদা কামাল বলেন, ‘ছোট–খাটো মানুষটি কত যে ভালোবাসা বুকে ধারণ করতেন। বাইরে যতখানি কঠিন ছিলেন ভেতরে একেবারে গৃহী একজন মানুষ ছিলেন। সংসার, সন্তান আশপাশের সবাইকে তিনি প্রবল ভালোবাসতেন। মার জন্মদিনে ওয়াহিদ ভাই, সনজিদা আপা, বেনু ভাই আসতেন। তাদের সঙ্গে আরও অনেকে ইফফাতসহ আরও অনেকে আসত। সকাল বেলাটা একেবারে যেন হেসে উঠত। আমরা নতুন দিন শুরু করতাম।’

ছায়ানটের সভাপতি সারওয়ার আলী বলেন, বাংলাদেশে যা কিছু পরম পাওয়ার ঘটেছে তার সঙ্গে সুফিয়া কামাল ছিলেন। ৭ মার্চে সামনের সারিতে ছিলেন। তার দুই কন্যাকে মুক্তিযুদ্ধে পাঠিয়ে দিলেন। এই যে ছায়ানটের ভবন দেখছেন কোনো সরকারি অনুদান নয় কোনো বিদেশি অনুদান নয়, দিব্যি উঠে গেল। ছায়ানট যখন আক্রান্ত হয় কত দ্রুত উঠে দাঁড়ায়, এই শক্তি আমরা পাই সুফিয়া কামালের কাছ থেকে।

জয়ন্ত রায়ের সঞ্চালনায় ইফ্ফাত আর দেওয়ান পরিবেশন করেন ‘আজি তোমায় আবার চাই’ এবং ‘দীপ নিবে গেছে মম’।

খায়রুল আনাম শাকিল পরিবেশন করেন ‘যাহা কিছু মম’ এবং ‘সাঁঝের পাখিরা ফিরিল কুলায়’। মহুয়া মঞ্জরি সুনন্দা গেয়ে শোনান ‘কে গো গাহিলে পথে’ এবং ‘আমি অকৃতী অধম’।

বিজন চন্দ্র মিস্ত্রী পরিবেশন করেন ‘আমার আপনার চেয়ে আপন যে জন’ এবং ‘আমারে দেব না ভুলিতে’।

যন্ত্রাণুষঙ্গে ছিলেন মন্দিরায় প্রদীপ কুমার রায়, তবলায় ইফতেখার আলম ডলার। আয়োজন শেষে জাতীয় সংগীত গাওয়ার মধ্য দিয়ে শেষ হয় অনুষ্ঠান।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত