Ajker Patrika

ম্যাচসেরার পুরস্কারে বিয়ার পেয়ে ভিনিসিয়ুস বললেন, ‘আমরা ভাত খাই’

ক্রীড়া ডেস্ক    
ম্যাচসেরার পুরস্কারে বিয়ার পেয়ে ভিনিসিয়ুস বললেন, ‘আমরা ভাত খাই’
গোলের পর ভিনিসিয়ুসের উদ্‌যাপন। ছবি: ফেসবুক

মরক্কোর পর হাইতির বিপক্ষেও পেয়েছেন গোলের দেখা, করেছেন অ্যাসিস্টও। তাই ম্যাচসেরার পুরস্কার অবধারিতভাবে ওঠে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের হাতে। যদিও সেই পুরস্কার খুব একটা কাজে আসে না তাঁর। কারণ তিনি বিয়ার পান করেন না, বরং ভাত খেতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।

ফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়ামে ভিনিসিয়ুসের গোলটি আসে প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে। মাঝমাঠে লুকাস পাকেতার পা থেকে উড়ে আসা নিখুঁত পাস বাতাসে ভাসতে ভাসতে খুঁজে নেয় ভিনিসিয়ুসের পা। হাইতির অফসাইড ট্র্যাপ ভেঙে ভিনিসিয়ুস অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় বল জালে জড়িয়ে দলকে স্বস্তিতে রেখেই বিরতিতে যান।

মাঠের ভেতরে প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারদের নাচিয়ে ছাড়লেও মাঠের বাইরে নিজের বন্ধুদের আড্ডায় আর পাঁচটা সাধারণ মানুষের মতোই ভাত-মাংসে তৃপ্ত হন ভিনিসিয়ুস। তিনি বলেন, ‘আমি বিয়ার পান করি না, তাই এটি আমার জন্য আরও জটিল, তবে আমরা সবসময় আমার বন্ধুদের সাথে ভাত, বিনস, ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ের সঙ্গে মাংস খাই, আমি মনে করি এটিই আমার প্রিয় খাবার।’

ম্যাচে জোড়া গোল করা মাথিয়াস কুনহা প্রসঙ্গে ভিনিসিয়ুস বলেন, ‘প্রতিপক্ষের ওপর নির্ভর করেই খেলোয়াড় ও ফরমেশন ঠিক করা হয়। কুনিয়া খুব ভালো খেলেছে, সে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে এভাবেই খেলে, একজন ফলস নাইনে হিসেবে, যেখানে সে পাকেতা এবং ব্রুনোর কাছাকাছি আসতে পারে এবং ভেতরে আরও বেশি খেলোয়াড় পেতে পারে। সে দুটি গোল করেছে, আমি তার জন্য খুব খুশি। সে তার সেরা মানে থাকার জন্য কঠোর পরিশ্রম করে।’

প্রথম ম্যাচের ড্রয়ের ধাক্কা সামলে দলের কৌশলগত উন্নতি নিয়ে তিনি বলেন, ‘অভিষেকের চাপ আমাদের ওপর ভারী হয়ে চেপেছিল। আজ খেলোয়াড়েরা আরও স্বাচ্ছন্দ্য ছিল। আমাদের খেলার ধরন আরও ভালো ছিল। কোচ আমাকে মাঝখানে খেলার কথা বলেছিলেন। আমি এটি সত্যিই পছন্দ করি না, তবে যখনই মাঝখানে খেলি আমি গোল করি (হাসি)। আমি জানি আমি শুনব এবং আমাকে আরও প্রায়ই মাঝখানে খেলতে হবে।’

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত