মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি

মুন্সিগঞ্জে বাবাকে হত্যার ঘটনা ধামাচাপা দিতে জলদস্যু নাটক সাজানোর অভিযোগ উঠেছে দুই ছেলের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের দুই ছেলেসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।
আজ সোমবার ভোরে উপজেলার আধারা ইউনিয়নের ভাসানচর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তির নাম মো. নুরুল ইসলাম হাওলাদার (৫০)। তিনি ভাসানচর মিজিকান্দি এলাকার প্রয়াত সুবেদ আলীর ছেলে। পেশায় একজন কাঠমিস্ত্রি ছিলেন।
আটকেরা হলেন—নিহতের বড় ছেলে মো. সুমন হাওলাদার, সুমনের স্ত্রী ও আরেক ছেলে মোহাম্মাদ আলী হাওলাদার।
স্থানীয়রা জানান, নুরুল ইসলামের সঙ্গে তাঁর স্ত্রী-সন্তানদের পারিবারিক কলহ ছিল। প্রায়ই তাঁদের বাড়িতে ছোট বিষয় নিয়ে ঝগড়া হতো। গতকাল রোববারও তাঁর স্ত্রী তাছলিমা বেগমের সঙ্গে নুর ইসলামের ঝগড়া হয়। তাছলিমাকে নুরুল মারধর করেছিলেন। তখন নুরুল ইসলামের বড় ছেলেরা তাঁকে মারপিটের জন্য খুঁজছিলেন।
নুরুল ইসলামের ছোট বোন হামিদা বেগম বলেন, ‘কিছু হলেই ভাবি ও ভাতিজারা আমার ভাইকে মেরে ফেলার হুমকি দিত। আমার ভাই তাঁর জমিতে ধান লাগিয়ে ছিলেন। তাঁর ছেলেরা কোনো কাজ করত না। কয়েক দিন ধরে তিনি একা একা জমির ধান কাটছিলেন। এ নিয়ে ভাই ভাতিজাদের গালি দেন। ভাবিও ভাতিজাদের পক্ষ নিয়ে ভাইকে গালি দেন। পরে ভাই-ভাবির মধ্যে ঝগড়া হয়, ভাবিকে মারধরও করেন। এ ঘটনা শুনে তাঁর ছেলেরা ক্ষিপ্ত হয়ে ভাইকে মারপিটের প্রস্তুতি নেয়। বিষয়টি ভাই আমাকে জানিয়েছিলেন। শুনেছিলাম ভাই থানায়ও গিয়েছিলেন।’
হামিদা বেগম আরও বলেন, ‘আমার ভাই রাতে আমাকে মোবাইল ফোনে বলেছিলেন। বাড়িতে গেলে তাঁর ছেলেরা মেরে ফেলবে। স্থানীয় মাতব্বরদের ভরসায় তিনি বাড়িতে গিয়েছিলেন। ভোরে ছোট ভাতিজা সুজন ফোন করে জানায় তার বাবাকে মেরে ফেলা হয়েছে।’
অভিযুক্ত সুমন হাওলাদার আটকের আগে গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, তাঁর বাবা রোববার গভীর রাতে মেঘনা নদীতে মাছ ধরতে যান। ভোরে মাছ ধরে ফিরে আসার সময় সংঘবদ্ধ জলদস্যুরা নৌকায় হামলা চালিয়ে নগদ টাকা, মাছ ও জাল ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় বাধা দিলে জলদস্যুরা লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে। এতে তাঁর বাবা মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে নদীতে পড়ে যান। পরে তাঁকে উদ্ধার করে মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক এম এ কালাম প্রধান বলেন, ভোর সোয়া ৪টার দিকে নুরুল ইসলামকে হাসপাতালে আনা হয়। হাসপাতালে আনার আগেই তিনি মারা যান। তাঁর শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
নিহতের বোন হামিদা বেগম বলেন, ‘আমার ভাই একজন কাঠমিস্ত্রি। তিনি কখনো মাছ ধরতেন না। তাঁকে হত্যা করে ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য মাছ ধরার কথা বলা হচ্ছে। আমার ভাইকে আমার ভাতিজারা তাঁদের মামাদের সহযোগিতা নিয়ে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে।’
এ বিষয়ে মুন্সিগঞ্জ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) থান্দার খাইরুল হাসান বলেন, ‘নিহতের মাথায় ও শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। হাসপাতালে তাঁর তিন ছেলে উপস্থিত ছিলেন। এর মধ্যে একজন বলছিলেন তিনি তাঁর বাবার সঙ্গে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। এ সময় জলদস্যুরা তাঁকে হত্যা করে। ইতিমধ্যে পারিবারিক কলহের ঘটনাও জানতে পেরেছি। মাছ ধরা নাকি তাঁকে হত্যা করে মাছ ধরার ঘটনা সাজানো হচ্ছে বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।’

মুন্সিগঞ্জে বাবাকে হত্যার ঘটনা ধামাচাপা দিতে জলদস্যু নাটক সাজানোর অভিযোগ উঠেছে দুই ছেলের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের দুই ছেলেসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।
আজ সোমবার ভোরে উপজেলার আধারা ইউনিয়নের ভাসানচর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তির নাম মো. নুরুল ইসলাম হাওলাদার (৫০)। তিনি ভাসানচর মিজিকান্দি এলাকার প্রয়াত সুবেদ আলীর ছেলে। পেশায় একজন কাঠমিস্ত্রি ছিলেন।
আটকেরা হলেন—নিহতের বড় ছেলে মো. সুমন হাওলাদার, সুমনের স্ত্রী ও আরেক ছেলে মোহাম্মাদ আলী হাওলাদার।
স্থানীয়রা জানান, নুরুল ইসলামের সঙ্গে তাঁর স্ত্রী-সন্তানদের পারিবারিক কলহ ছিল। প্রায়ই তাঁদের বাড়িতে ছোট বিষয় নিয়ে ঝগড়া হতো। গতকাল রোববারও তাঁর স্ত্রী তাছলিমা বেগমের সঙ্গে নুর ইসলামের ঝগড়া হয়। তাছলিমাকে নুরুল মারধর করেছিলেন। তখন নুরুল ইসলামের বড় ছেলেরা তাঁকে মারপিটের জন্য খুঁজছিলেন।
নুরুল ইসলামের ছোট বোন হামিদা বেগম বলেন, ‘কিছু হলেই ভাবি ও ভাতিজারা আমার ভাইকে মেরে ফেলার হুমকি দিত। আমার ভাই তাঁর জমিতে ধান লাগিয়ে ছিলেন। তাঁর ছেলেরা কোনো কাজ করত না। কয়েক দিন ধরে তিনি একা একা জমির ধান কাটছিলেন। এ নিয়ে ভাই ভাতিজাদের গালি দেন। ভাবিও ভাতিজাদের পক্ষ নিয়ে ভাইকে গালি দেন। পরে ভাই-ভাবির মধ্যে ঝগড়া হয়, ভাবিকে মারধরও করেন। এ ঘটনা শুনে তাঁর ছেলেরা ক্ষিপ্ত হয়ে ভাইকে মারপিটের প্রস্তুতি নেয়। বিষয়টি ভাই আমাকে জানিয়েছিলেন। শুনেছিলাম ভাই থানায়ও গিয়েছিলেন।’
হামিদা বেগম আরও বলেন, ‘আমার ভাই রাতে আমাকে মোবাইল ফোনে বলেছিলেন। বাড়িতে গেলে তাঁর ছেলেরা মেরে ফেলবে। স্থানীয় মাতব্বরদের ভরসায় তিনি বাড়িতে গিয়েছিলেন। ভোরে ছোট ভাতিজা সুজন ফোন করে জানায় তার বাবাকে মেরে ফেলা হয়েছে।’
অভিযুক্ত সুমন হাওলাদার আটকের আগে গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, তাঁর বাবা রোববার গভীর রাতে মেঘনা নদীতে মাছ ধরতে যান। ভোরে মাছ ধরে ফিরে আসার সময় সংঘবদ্ধ জলদস্যুরা নৌকায় হামলা চালিয়ে নগদ টাকা, মাছ ও জাল ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় বাধা দিলে জলদস্যুরা লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে। এতে তাঁর বাবা মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে নদীতে পড়ে যান। পরে তাঁকে উদ্ধার করে মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক এম এ কালাম প্রধান বলেন, ভোর সোয়া ৪টার দিকে নুরুল ইসলামকে হাসপাতালে আনা হয়। হাসপাতালে আনার আগেই তিনি মারা যান। তাঁর শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
নিহতের বোন হামিদা বেগম বলেন, ‘আমার ভাই একজন কাঠমিস্ত্রি। তিনি কখনো মাছ ধরতেন না। তাঁকে হত্যা করে ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য মাছ ধরার কথা বলা হচ্ছে। আমার ভাইকে আমার ভাতিজারা তাঁদের মামাদের সহযোগিতা নিয়ে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে।’
এ বিষয়ে মুন্সিগঞ্জ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) থান্দার খাইরুল হাসান বলেন, ‘নিহতের মাথায় ও শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। হাসপাতালে তাঁর তিন ছেলে উপস্থিত ছিলেন। এর মধ্যে একজন বলছিলেন তিনি তাঁর বাবার সঙ্গে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। এ সময় জলদস্যুরা তাঁকে হত্যা করে। ইতিমধ্যে পারিবারিক কলহের ঘটনাও জানতে পেরেছি। মাছ ধরা নাকি তাঁকে হত্যা করে মাছ ধরার ঘটনা সাজানো হচ্ছে বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।’

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৫ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৫ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৬ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৯ দিন আগে