নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

একই দলের হলেও রাজনৈতিকভাবে প্রতিদ্বন্দ্বী—চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনে বিএনপির দুই প্রার্থী গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী ও গোলাম আকবর খন্দকারের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকালে যাচাই-বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা তাঁদের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেন।
এ আসনে বিএনপির এই দুই প্রার্থীসহ মোট পাঁচজন মনোনয়নপত্র জমা দেন। যাচাই-বাছাইয়ে অন্য তিনজনের মনোনয়নও বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। তাঁরা হলেন জামায়াতে ইসলামীর মো. শাহজাহান মঞ্জু, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মোহাম্মদ ইলিয়াছ নূরী ও গণসংহতি আন্দোলনের নাছির উদ্দীন তালুকদার।
গত ৪ ডিসেম্বর বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর চট্টগ্রাম-৬ আসনে গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীকে দলের মনোনীত প্রার্থী ঘোষণা করেন। আগের প্রার্থী বাতিলের বিষয় স্পষ্ট না করে ২৮ ডিসেম্বর একই আসনে গোলাম আকবর খন্দকারকেও মনোনয়ন দেয় দলটি। এরপর গত ২৯ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম-৬ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে দুজনই মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর পক্ষে তাঁর সন্তান সাকের কাদের চৌধুরী রাউজান উপজেলার সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। একই দিন গোলাম আকবর খন্দকার চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার হাতে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এরপর একই রিটার্নিং কর্মকর্তার হাতে আরও একটি মনোনয়নপত্র দাখিল করেন গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী।
এর আগে চট্টগ্রামের বিভিন্ন আসনে দলীয় মনোনয়ন না থাকায় একাধিক প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হলেও রাউজানের এই আসনে ব্যতিক্রম দেখা গেছে। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, নির্ধারিত সময়ের আগেই বিএনপি চূড়ান্ত মনোনয়নের তালিকা নির্বাচন কমিশনে পাঠাবে। যেহেতু মনোনয়ন প্রত্যাহারের সুযোগ রয়েছে, সে সময়ের মধ্যেই একজন প্রার্থী সরে দাঁড়াতে পারেন।
চট্টগ্রামের ১৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনটি অপরাধ ও রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনায়। বিশেষ করে বিএনপির রাজনীতিতে গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী ও গোলাম আকবর খন্দকারের দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে এলাকায় গ্রুপিং, আধিপত্য বিস্তার এবং একাধিক সহিংস ঘটনার অভিযোগ রয়েছে।
এবার ভোটের মাঠেও এই দুই নেতা আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন। একই আসনে বিএনপির দুই হেভিওয়েট প্রার্থীকে মনোনয়ন দিয়ে দলটি এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না জানানোয় বিষয়টি নিয়ে দল ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
পর্যালোচনায় জানা গেছে, বিএনপির এই দুই হেভিওয়েট প্রার্থীর মধ্যে সম্পদের দিকে এককভাবে এগিয়ে আছেন গোলাম আকবর খন্দকার। অন্যদিকে গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর চেয়ে তাঁর স্ত্রী ও সন্তানদের মিলিত সম্পদের পরিমাণ বেশি। এ ছাড়া গোলাম আকবরের তুলনায় গিয়াস উদ্দিনের নামে মামলার সংখ্যা বেশি।

একই দলের হলেও রাজনৈতিকভাবে প্রতিদ্বন্দ্বী—চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনে বিএনপির দুই প্রার্থী গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী ও গোলাম আকবর খন্দকারের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকালে যাচাই-বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা তাঁদের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেন।
এ আসনে বিএনপির এই দুই প্রার্থীসহ মোট পাঁচজন মনোনয়নপত্র জমা দেন। যাচাই-বাছাইয়ে অন্য তিনজনের মনোনয়নও বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। তাঁরা হলেন জামায়াতে ইসলামীর মো. শাহজাহান মঞ্জু, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মোহাম্মদ ইলিয়াছ নূরী ও গণসংহতি আন্দোলনের নাছির উদ্দীন তালুকদার।
গত ৪ ডিসেম্বর বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর চট্টগ্রাম-৬ আসনে গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীকে দলের মনোনীত প্রার্থী ঘোষণা করেন। আগের প্রার্থী বাতিলের বিষয় স্পষ্ট না করে ২৮ ডিসেম্বর একই আসনে গোলাম আকবর খন্দকারকেও মনোনয়ন দেয় দলটি। এরপর গত ২৯ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম-৬ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে দুজনই মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর পক্ষে তাঁর সন্তান সাকের কাদের চৌধুরী রাউজান উপজেলার সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। একই দিন গোলাম আকবর খন্দকার চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার হাতে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এরপর একই রিটার্নিং কর্মকর্তার হাতে আরও একটি মনোনয়নপত্র দাখিল করেন গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী।
এর আগে চট্টগ্রামের বিভিন্ন আসনে দলীয় মনোনয়ন না থাকায় একাধিক প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হলেও রাউজানের এই আসনে ব্যতিক্রম দেখা গেছে। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, নির্ধারিত সময়ের আগেই বিএনপি চূড়ান্ত মনোনয়নের তালিকা নির্বাচন কমিশনে পাঠাবে। যেহেতু মনোনয়ন প্রত্যাহারের সুযোগ রয়েছে, সে সময়ের মধ্যেই একজন প্রার্থী সরে দাঁড়াতে পারেন।
চট্টগ্রামের ১৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনটি অপরাধ ও রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনায়। বিশেষ করে বিএনপির রাজনীতিতে গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী ও গোলাম আকবর খন্দকারের দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে এলাকায় গ্রুপিং, আধিপত্য বিস্তার এবং একাধিক সহিংস ঘটনার অভিযোগ রয়েছে।
এবার ভোটের মাঠেও এই দুই নেতা আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন। একই আসনে বিএনপির দুই হেভিওয়েট প্রার্থীকে মনোনয়ন দিয়ে দলটি এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না জানানোয় বিষয়টি নিয়ে দল ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
পর্যালোচনায় জানা গেছে, বিএনপির এই দুই হেভিওয়েট প্রার্থীর মধ্যে সম্পদের দিকে এককভাবে এগিয়ে আছেন গোলাম আকবর খন্দকার। অন্যদিকে গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর চেয়ে তাঁর স্ত্রী ও সন্তানদের মিলিত সম্পদের পরিমাণ বেশি। এ ছাড়া গোলাম আকবরের তুলনায় গিয়াস উদ্দিনের নামে মামলার সংখ্যা বেশি।

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
৮ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১২ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে গত রোববার বিকেল থেকে সোমবার বিকেল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৬৯৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় ১৪টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল রোববার রাতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
১৩ দিন আগে
জুলাই–আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে আলোচিত মুখ ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদিকে গুলি করার ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগে মাধ্যমে বহুল আলোচিত নাম ফয়সাল করিম মাসুদ কিংবা দাউদ খান। গতকাল শুক্রবার হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর থেকেই এই দুই নামে এক ব্যক্তির ছবি ফেসবুকে ভেসে বেড়াচ্ছে।
২২ দিন আগে