ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় উপজেলা নির্বাচনের বিজয়ী প্রার্থীর আনন্দ মিছিলে গুলিতে নিহত হন ছাত্রলীগ কর্মী আয়াশ রহমান ইজাজ। তাঁকে গুলি করে পালিয়ে যাওয়া জেলা ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত সহসভাপতি হাসান আল ফারাবী জয়কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নেত্রকোনা জেলার আটপাড়ার কুতুবপুর গ্রাম থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে স্বীকারোক্তির তথ্য অনুযায়ী ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদরের ভাটপাড়ার একটি ঝোপ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্রটি উদ্ধার করা হয়।
গত বুধবার জেলা শহরের কলেজপাড়া এলাকায় আনন্দ মিছিলে গুলির ঘটনাটি ঘটে। নিহত ইজাজ কলেজপাড়া এলাকার আমিনুর রহমানের ছেলে। ইজাজ হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধনসহ একাধিক কর্মসূচি পালন করছেন স্থানীয়রা।
আজ শনিবার দুপুর ১২টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন। এসপি জানান, ঘটনার পর ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে পালিয়ে যান জয়। তাঁকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের বেশ কয়েকটি টিম কাজ করে।
৫ জুন বুধবার সন্ধ্যায় জেলা শহরের মিশন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কেন্দ্র থেকে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী ও জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন শোভন বিজয়ী হওয়ার খবর পেয়ে সমর্থকেরা বিজয় মিছিল বের করে। মিছিলটি কলেজপাড়া এলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের সম্মান তৃতীয় বর্ষের ছাত্র ছাত্রলীগ কর্মী আয়াশ রহমান ইজাজের মাথায় প্রকাশ্যে গুলি ছোড়েন ফারাবী।
ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, হাসান আল ফারাবী গুলি করে কোমরে পিস্তল গুঁজে ঘটনাস্থল থেকে সটকে পড়ছেন। এ সময় ইজাজকে গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়তে দেখা যায়। মিছিলে থাকা তাঁর সহপাঠীরা দ্রুত ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ঢাকায় পাঠানোর পরামর্শ দেন। ঢাকা নেওয়ার পথে ইজাজের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ইজাজের বাবা আমিনুর রহমান বাদী হয়ে গত বৃহস্পতিবার রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় ১৬ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১০–১৫ জনকে আসামি করে মামলা করেন।
পুলিশ জানায়, জেলা ছাত্রলীগের সদ্য বহিষ্কৃত সহসভাপতি হাসান আল ফারাবী জয়ের সঙ্গে ছাত্রলীগ কর্মী আয়াশ রহমান ইজাজের পূর্ববিরোধ ছিল। গত বুধবার সকালে ভোটকেন্দ্রে তাঁদের মধ্যে তর্কাতর্কি হয়। সন্ধ্যায় বিজয় মিছিল চলাকালে আবার বিরোধ হলে ফারাবী ইজাজকে গুলি করেন।
এদিকে হাসান আল ফারাবীকে গ্রেপ্তারের খবর পেয়ে পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সামনে ভিড় করেন ইজাজের স্বজনেরা। ইজাজের বাবা আমিনুর রহমান জানান, তিনি সন্তান হত্যার বিচার চান। দ্রুত বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘ভোটের আগেই একটি অস্ত্র সংগ্রহ করেছিল হাসান আল ফারাবী জয়। সন্ধ্যায় তর্কাতর্কির এক ফাঁকে ইজাজকে গুলি করে ফারাবী। যেহেতু ঘটনার ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিল, তাই সে ঘটনার পর সে তার নিজের চেহারারও পরিবর্তন করেছিল। তবে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বেশকিছু তথ্য দিয়েছে। তবে তা তদন্তের স্বার্থে এখন বলা যাবে না।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় উপজেলা নির্বাচনের বিজয়ী প্রার্থীর আনন্দ মিছিলে গুলিতে নিহত হন ছাত্রলীগ কর্মী আয়াশ রহমান ইজাজ। তাঁকে গুলি করে পালিয়ে যাওয়া জেলা ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত সহসভাপতি হাসান আল ফারাবী জয়কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নেত্রকোনা জেলার আটপাড়ার কুতুবপুর গ্রাম থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে স্বীকারোক্তির তথ্য অনুযায়ী ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদরের ভাটপাড়ার একটি ঝোপ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্রটি উদ্ধার করা হয়।
গত বুধবার জেলা শহরের কলেজপাড়া এলাকায় আনন্দ মিছিলে গুলির ঘটনাটি ঘটে। নিহত ইজাজ কলেজপাড়া এলাকার আমিনুর রহমানের ছেলে। ইজাজ হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধনসহ একাধিক কর্মসূচি পালন করছেন স্থানীয়রা।
আজ শনিবার দুপুর ১২টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন। এসপি জানান, ঘটনার পর ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে পালিয়ে যান জয়। তাঁকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের বেশ কয়েকটি টিম কাজ করে।
৫ জুন বুধবার সন্ধ্যায় জেলা শহরের মিশন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কেন্দ্র থেকে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী ও জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন শোভন বিজয়ী হওয়ার খবর পেয়ে সমর্থকেরা বিজয় মিছিল বের করে। মিছিলটি কলেজপাড়া এলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের সম্মান তৃতীয় বর্ষের ছাত্র ছাত্রলীগ কর্মী আয়াশ রহমান ইজাজের মাথায় প্রকাশ্যে গুলি ছোড়েন ফারাবী।
ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, হাসান আল ফারাবী গুলি করে কোমরে পিস্তল গুঁজে ঘটনাস্থল থেকে সটকে পড়ছেন। এ সময় ইজাজকে গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়তে দেখা যায়। মিছিলে থাকা তাঁর সহপাঠীরা দ্রুত ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ঢাকায় পাঠানোর পরামর্শ দেন। ঢাকা নেওয়ার পথে ইজাজের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ইজাজের বাবা আমিনুর রহমান বাদী হয়ে গত বৃহস্পতিবার রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় ১৬ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১০–১৫ জনকে আসামি করে মামলা করেন।
পুলিশ জানায়, জেলা ছাত্রলীগের সদ্য বহিষ্কৃত সহসভাপতি হাসান আল ফারাবী জয়ের সঙ্গে ছাত্রলীগ কর্মী আয়াশ রহমান ইজাজের পূর্ববিরোধ ছিল। গত বুধবার সকালে ভোটকেন্দ্রে তাঁদের মধ্যে তর্কাতর্কি হয়। সন্ধ্যায় বিজয় মিছিল চলাকালে আবার বিরোধ হলে ফারাবী ইজাজকে গুলি করেন।
এদিকে হাসান আল ফারাবীকে গ্রেপ্তারের খবর পেয়ে পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সামনে ভিড় করেন ইজাজের স্বজনেরা। ইজাজের বাবা আমিনুর রহমান জানান, তিনি সন্তান হত্যার বিচার চান। দ্রুত বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘ভোটের আগেই একটি অস্ত্র সংগ্রহ করেছিল হাসান আল ফারাবী জয়। সন্ধ্যায় তর্কাতর্কির এক ফাঁকে ইজাজকে গুলি করে ফারাবী। যেহেতু ঘটনার ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিল, তাই সে ঘটনার পর সে তার নিজের চেহারারও পরিবর্তন করেছিল। তবে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বেশকিছু তথ্য দিয়েছে। তবে তা তদন্তের স্বার্থে এখন বলা যাবে না।’

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
৬ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
৯ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে গত রোববার বিকেল থেকে সোমবার বিকেল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৬৯৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় ১৪টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল রোববার রাতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
১১ দিন আগে
জুলাই–আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে আলোচিত মুখ ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদিকে গুলি করার ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগে মাধ্যমে বহুল আলোচিত নাম ফয়সাল করিম মাসুদ কিংবা দাউদ খান। গতকাল শুক্রবার হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর থেকেই এই দুই নামে এক ব্যক্তির ছবি ফেসবুকে ভেসে বেড়াচ্ছে।
২০ দিন আগে