
চট্টগ্রাম নগরীতে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশন কার্যালয় থেকে নরেন্দ্র ধর (৪০) নামের এক নিরাপত্তা কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে নগরের খুলশীর কার্যালয় থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে মরদেহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক মর্গে নেওয়া হয়।
পুলিশ জানায়, নরেন্দ্র ধর ভারতীয় হাইকমিশন কার্যালয়ের একজন সহকারী সিকিউরিটি কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি একজন ভারতীয় নাগরিক।
খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘হাইকমিশনের অফিসের দেওয়া তথ্যে উনি সকালে বাথরুমে যাওয়ার সময় হঠাৎ মাথা ঘুরে পড়ে গিয়েছিলেন। এরপর তাঁর মৃত্যু হয়। আমরা খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে পোস্টমর্টেমের জন্য পাঠিয়েছি। পোস্টমর্টেমে রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।’
জানা গেছে, মারা যাওয়া নরেন্দ্র ধর একজন ভারতীয় নাগরিক।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল ফরেনসিক বিভাগের তথ্যমতে, বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে নরেন্দ্র ধরের মরদেহের পোস্টমর্টেম শেষ করেন সেখানকার চিকিৎসকেরা। সূত্র বলেছে, ভারতীয় এই নাগরিকের মরদেহ ফ্রিজিং করে রাখা হচ্ছে।
এ বিষয়ে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনের তরফ থেকে কিছু জানানো হয়নি।

প্রায় তিন মাস ধরে হরমুজ প্রণালি পারের অপেক্ষায় রয়েছে বাংলাদেশের পতাকাবাহী জাহাজ ‘এমভি বাংলার জয়যাত্রা’। বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) মালিকানাধীন জাহাজটিতে থাকা ৩১ নাবিকের সবাই বাংলাদেশি। গত ঈদুল ফিতর জাহাজে কেটেছে তাঁদের। ঈদুল আজহাও জাহাজেই কাটানোর আশঙ্কা করা হচ্ছে।
১ ঘণ্টা আগে
ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলায় ৯টি পশুর হাট রয়েছে। আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে চলতি ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের জন্য এসব হাটের ইজারা দিতে দরপত্র আহ্বান করেছিল উপজেলা প্রশাসন। কিন্তু কাঙ্ক্ষিত দরপত্র না পাওয়ায় চারটি হাটের ইজারা হয়নি। যে পাঁচটি ইজারা দেওয়া হয়েছে, তা-ও আবার গত বছরের তুলনায় অর্ধেকের কম দরে।
১ ঘণ্টা আগে
টানা বৃষ্টিতে কুড়িগ্রামের বোরোচাষিদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। জমিতে পানি জমে পাকা ধান তলিয়ে গেছে। আবার কেটে আনা ধান ও খড় শুকাতে না পারায় পচন ধরছে। এতে লাভ তো দূরের কথা, উৎপাদন খরচ তুলতে পারবেন কি না, সেই শঙ্কায় পড়েছেন কৃষকেরা।
১ ঘণ্টা আগে
বন্দরের সুবিধা, কাঁচামালের প্রাচুর্য ও রপ্তানির সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে একসময় সমৃদ্ধ ছিল চট্টগ্রামের ট্যানারি-শিল্প। কিন্তু বিনিয়োগ সংকট, আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে পিছিয়ে পড়া এবং বাজার ব্যবস্থাপনার দুর্বলতায় গত তিন দশকে প্রায় পুরো শিল্পই ভেঙে পড়েছে। গড়ে ওঠা ২২ ট্যানারির মধ্যে ২১টি বন্ধ হয়ে গেছে।
১ ঘণ্টা আগে