লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার উত্তর হামছাদীতে ইউপি সদস্য ওমর ফারুককে হত্যা মামলায় মো. আমিন (৩৭) নামে এক আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ সোমবার বেলা ১১টার দিকে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আজিজুল হক এ রায় দেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আমিন সদর উপজেলার উত্তর হামছাদী ইউনিয়নের শ্যামগঞ্জ গ্রামের বশির উল্যার ছেলে। রায় ঘোষণাকালে আদালতে উপস্থিত ছিলেন তিনি।
মৃত ওমর ফারুক সদর উপজেলার উত্তর হামছাদী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ছিলেন। তিনি ওই ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্বে ছিলেন।
মামলা ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালের ৩১ মার্চ রাত সোয়া ১০টার দিকে শ্যামগঞ্জের পাটওয়ারী হাটবাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে ইউপি সদস্য ওমর ফারুককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন আমির হোসেন। স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে তাঁকে নোয়াখালীর হাসপাতালে নিয়ে গেলে ওই দিন রাত দেড়টার দিকে মারা যান তিনি। এ ঘটনায় ১ এপ্রিল ওমর ফারুকের স্ত্রী আমেনা খাতুন বাদী হয়ে সদর থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় ৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৭-৮ জনকে আসামি করা হয়েছে। ওই মামলায় পুলিশ মো. আমিনকে গ্রেপ্তার করেছে।
পরবর্তী সময়ে ২০১৮ সালের ১১ মে আদালতে হত্যা মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করেন সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শামসুল আরেফিন। তদন্ত প্রতিবেদনে মামলার তৃতীয় আসামি মো. আমিনকে একক অভিযুক্ত করে এবং বাকি আসামিদের ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত নয় মর্মে উল্লেখ করেন তিনি।
জেলা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) জসিম উদ্দিন রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, দুর্বৃত্তরা মেম্বার ওমর ফারুককে হত্যা করেছেন। পুলিশ আমিন নামে একজনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। আদালতের বিচারক পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদন এবং সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আসামি আমিনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন।

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার উত্তর হামছাদীতে ইউপি সদস্য ওমর ফারুককে হত্যা মামলায় মো. আমিন (৩৭) নামে এক আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ সোমবার বেলা ১১টার দিকে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আজিজুল হক এ রায় দেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আমিন সদর উপজেলার উত্তর হামছাদী ইউনিয়নের শ্যামগঞ্জ গ্রামের বশির উল্যার ছেলে। রায় ঘোষণাকালে আদালতে উপস্থিত ছিলেন তিনি।
মৃত ওমর ফারুক সদর উপজেলার উত্তর হামছাদী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ছিলেন। তিনি ওই ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্বে ছিলেন।
মামলা ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালের ৩১ মার্চ রাত সোয়া ১০টার দিকে শ্যামগঞ্জের পাটওয়ারী হাটবাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে ইউপি সদস্য ওমর ফারুককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন আমির হোসেন। স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে তাঁকে নোয়াখালীর হাসপাতালে নিয়ে গেলে ওই দিন রাত দেড়টার দিকে মারা যান তিনি। এ ঘটনায় ১ এপ্রিল ওমর ফারুকের স্ত্রী আমেনা খাতুন বাদী হয়ে সদর থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় ৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৭-৮ জনকে আসামি করা হয়েছে। ওই মামলায় পুলিশ মো. আমিনকে গ্রেপ্তার করেছে।
পরবর্তী সময়ে ২০১৮ সালের ১১ মে আদালতে হত্যা মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করেন সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শামসুল আরেফিন। তদন্ত প্রতিবেদনে মামলার তৃতীয় আসামি মো. আমিনকে একক অভিযুক্ত করে এবং বাকি আসামিদের ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত নয় মর্মে উল্লেখ করেন তিনি।
জেলা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) জসিম উদ্দিন রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, দুর্বৃত্তরা মেম্বার ওমর ফারুককে হত্যা করেছেন। পুলিশ আমিন নামে একজনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। আদালতের বিচারক পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদন এবং সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আসামি আমিনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৫ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৫ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৬ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৯ দিন আগে