বরগুনার বেতাগীতে সরকারি আবাসনের মালামাল চুরির মামলায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহপ্রচার সম্পাদক ও সদর ইউপির ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. মনির সিকদারকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আজ রোববার আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলে বরগুনার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. মাহবুবুল আলম তাঁর জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বেতাগী থানার জিআরও এএসএম মুসা আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার এজাহারে উল্লেখ আছে, ২০০৭ সালে ঘূর্ণিঝড় সিডরে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের জন্য বেতাগী উপজেলার ঝোপখালী গ্রামে আবাসনের ঘর নির্মাণ করা হয়। পুরোনো আবাসনের ঘরগুলো অব্যবহারযোগ্য হওয়ায় তা ভেঙে ওই স্থানে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে উপজেলা প্রশাসন ভূমিহীনদের জন্য ঘর তৈরির উদ্যোগ নেয়।
গত বছরের ২১ ডিসেম্বর রাতে ইউপি সদস্য মাহমুদ সিকদার মনির পুরনো আবাসনের প্রায় ১০ লাখ টাকা মূল্যের রড, এঙেল, টিন, দরজা ও জানালা তার লোকজন নিয়ে পিকআপ ভ্যানে তুলে পার্শ্ববর্তী বাকেরগঞ্জ উপজেলায় বিক্রির করতে নিয়ে যান। এ সময় স্থানীয়রা বিষয়টি জানতে পেরে বেতাগীর ইউএনওকে জানান। ইউএনওর নির্দেশ পুলিশ প্রশাসন মালামাল উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
এ ঘটনায় ওই দিন রাতেই বেতাগী সদর ইউনিয়নের ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা মো. রিয়াজুল ইসলাম বাদী হয়ে ইউপি সদস্য মনিরসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে বেতাগী থানায় একটি মামলা করেন। এ মামলায় উচ্চ আদালতের নির্দেশে ৪ সপ্তাহের জামিনে ছিলেন মনির। জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় উচ্চ আদালতের নির্দেশে আজ রোববার বরগুনার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করেন তিনি। এ সময় আদালত তাঁর জামিন নামঞ্জুর না করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

একটি জুয়ার ওয়েবসাইট বন্ধ হয়, কিছুদিন পর একই ধরনের আরেকটি সাইট হাজির। একটি অ্যাপ সরিয়ে দেওয়া হলে নতুন নামে আবার চালু হয় কার্যক্রম। এভাবে প্রতিদিন গড়ে ৩০ থেকে ৩৫টি জুয়ার সাইট খোলা হয়। প্রযুক্তির এই ফাঁক গলে দেশে ক্রমেই বিস্তৃত হচ্ছে অনলাইন জুয়া।
৫ দিন আগে
রাজধানীর মিরপুর-১৩ এলাকার শেরে বাংলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গেটের সামনে গতকাল শুক্রবার দুর্বৃত্তদের ছোড়া গুলিতে যুবদলের এক কর্মী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় এক পথচারীও গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। গত মঙ্গলবার রাজারবাগ বাজারে পানির পাম্পসংলগ্ন একটি মুদি দোকানের সামনে বিএনপি কর্মী মো. পলাশকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে....
২৫ জুলাই ২০২৬
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টিকারী, পরিকল্পনাকারী ও সহযোগীতার অভিযোগে ১ হাজার ৯৫৮ জন, অবৈধ অস্ত্রধারী ৩৩১ জন, চোরাকারবারি ও মাদক ব্যবসায়ী ১৩ হাজার ২০ জন, ছিনতাইকারী ও দস্যুতা মামলার আসামি ২ হাজার ২১১ জন এবং চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসী ৮০৮ জন রয়েছেন...
১০ জুন ২০২৬
রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল সোমবার যাত্রাবাড়ী থানার বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
২৬ মে ২০২৬