নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ঢাকার পল্লবীতে অভিনব কায়দায় প্রতারণার অভিযোগে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। চাকরির লোভ দেখিয়ে ও ব্যবসায়িক অংশীদারির আশ্বাস দিয়ে কোরআন ছুঁয়ে শপথ করিয়ে কোটি টাকার বেশি হাতিয়ে নিত চক্রটি।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মাহবুবুর রহমান ওরফে বাবু, আল-আমিন ওরফে রফিকুল ইসলাম, রাশেদুল ইসলাম ওরফে রাকিব, মো. মাসুদ খান ও বিলকিস। পিবিআইয়ের অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে ৭০ লাখ টাকা, একটি মাইক্রোবাস, বিলাসবহুল ব্র্যান্ডের ঘড়ি, চেকবই, চুক্তিপত্র ও মোবাইল ফোন।
আজ সোমবার আগারগাঁওয়ের পিবিআই ঢাকা মেট্রোর (উত্তর) কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত ডিআইজি মো. এনায়েত হোসেন মান্নান।
ঘটনার বর্ণনা দিয়ে এনায়েত হোসেন মান্নান বলেন, ভুক্তভোগী অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা মিজানুর রহমান একটি চাকরির বিজ্ঞাপন দেখে প্রতারকদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে তাঁকে কলাবাগানের একটি বাসায় ডেকে নিয়ে ‘ভাই ভাই’ পার্টনারশিপের নাটক সাজিয়ে কোরআন হাতে শপথ করানো হয়। এরপর ২২ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় চক্রটি।
চক্রটি নিজেদের বড় ব্যবসায়ী পরিচয়ে অবসরপ্রাপ্তদের টার্গেট করে ঘন ঘন ঠিকানা বদল করে নতুন নতুন অফিস ভাড়া নিত। তারা বিলাসী ঘড়ি আমদানি-রপ্তানির গল্প শোনাত এবং নাটকীয়ভাবে বিদেশি ক্রেতা সেজে ভুয়া চেক হস্তান্তর করত। বিশ্বাস অর্জনের পর মোটা অঙ্কের অর্থ নিয়ে পালিয়ে যেত। আর নারী সদস্য বিলকিস বাসা ভাড়া নেওয়া থেকে শুরু করে ভুক্তভোগীদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে বিশ্বাস অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতেন।
পিবিআই জানিয়েছে, চক্রটির বিরুদ্ধে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় একাধিক মামলা রয়েছে এবং তারা গত তিন মাসে ৫০টিরও বেশি মোবাইল ও শতাধিক সিম ব্যবহার করেছে। সাধারণ মানুষকে এ ধরনের প্রলোভনে না পড়ার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।

ঢাকার পল্লবীতে অভিনব কায়দায় প্রতারণার অভিযোগে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। চাকরির লোভ দেখিয়ে ও ব্যবসায়িক অংশীদারির আশ্বাস দিয়ে কোরআন ছুঁয়ে শপথ করিয়ে কোটি টাকার বেশি হাতিয়ে নিত চক্রটি।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মাহবুবুর রহমান ওরফে বাবু, আল-আমিন ওরফে রফিকুল ইসলাম, রাশেদুল ইসলাম ওরফে রাকিব, মো. মাসুদ খান ও বিলকিস। পিবিআইয়ের অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে ৭০ লাখ টাকা, একটি মাইক্রোবাস, বিলাসবহুল ব্র্যান্ডের ঘড়ি, চেকবই, চুক্তিপত্র ও মোবাইল ফোন।
আজ সোমবার আগারগাঁওয়ের পিবিআই ঢাকা মেট্রোর (উত্তর) কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত ডিআইজি মো. এনায়েত হোসেন মান্নান।
ঘটনার বর্ণনা দিয়ে এনায়েত হোসেন মান্নান বলেন, ভুক্তভোগী অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা মিজানুর রহমান একটি চাকরির বিজ্ঞাপন দেখে প্রতারকদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে তাঁকে কলাবাগানের একটি বাসায় ডেকে নিয়ে ‘ভাই ভাই’ পার্টনারশিপের নাটক সাজিয়ে কোরআন হাতে শপথ করানো হয়। এরপর ২২ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় চক্রটি।
চক্রটি নিজেদের বড় ব্যবসায়ী পরিচয়ে অবসরপ্রাপ্তদের টার্গেট করে ঘন ঘন ঠিকানা বদল করে নতুন নতুন অফিস ভাড়া নিত। তারা বিলাসী ঘড়ি আমদানি-রপ্তানির গল্প শোনাত এবং নাটকীয়ভাবে বিদেশি ক্রেতা সেজে ভুয়া চেক হস্তান্তর করত। বিশ্বাস অর্জনের পর মোটা অঙ্কের অর্থ নিয়ে পালিয়ে যেত। আর নারী সদস্য বিলকিস বাসা ভাড়া নেওয়া থেকে শুরু করে ভুক্তভোগীদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে বিশ্বাস অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতেন।
পিবিআই জানিয়েছে, চক্রটির বিরুদ্ধে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় একাধিক মামলা রয়েছে এবং তারা গত তিন মাসে ৫০টিরও বেশি মোবাইল ও শতাধিক সিম ব্যবহার করেছে। সাধারণ মানুষকে এ ধরনের প্রলোভনে না পড়ার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৯ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১০ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২০ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২৩ দিন আগে