বন্যায় জেলার বহু পরিবার ঘরবাড়ি, কৃষিজমি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও জীবিকার উৎস হারিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছে। এ অবস্থায় ক্ষুদ্র ঋণের কিস্তির চাপ তাদের দুর্ভোগ আরও বাড়িয়ে তুলবে। তাই ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ করে দিতে আগামী তিন মাস সব ধরনের ক্ষুদ্র ঋণের কিস্তি আদায় স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে.


খাগড়াছড়ি সদর রিজিয়নের উদ্যোগে অসহায় ও অসচ্ছল মানুষের মধ্যে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ টাকা মূল্যের বিভিন্ন সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে। গতকাল রোববার সকালে খাগড়াছড়ি সদর দপ্তরে মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় এসব সহায়তা দেওয়া হয়।

খাগড়াছড়ির পানছড়িতে ফুটপাত দখল করে দোকানপাট এবং অস্থায়ী ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠছে। এতে মানুষের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ও শিক্ষার্থীদের চলাচলে মারাত্মক সমস্যা হচ্ছে। বাধ্য হয়ে ঝুঁকি নিয়েই সাধারণ মানুষকে মূল সড়ক ব্যবহার করতে হচ্ছে। এতে দুর্ভোগ বাড়ার পাশাপাশি দুর্ঘটনাও ঘটছে।

‘গণ-অভ্যুত্থানে প্রত্যেক শহীদ, প্রতিটি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার, প্রতিটি আহত পরিবার, যারা পঙ্গুত্ব বরণ করেছে, তাদের প্রতি সমবেদনা। সরকার অঙ্গীকার করেছে, প্রতিটি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে রাষ্ট্র দাঁড়াবে এবং এ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আমরা এককভাবে বাংলাদেশ গড়ব, এই চিন্তায় কখনোই নিমজ্জিত নই। এই দেশ সকলের, সবাই