Ajker Patrika

রয়টার্সের প্রতিবেদন /তেলের গাড়ি বিদেশে পাঠিয়ে দেশে বৈদ্যুতিক গাড়ি বাড়াচ্ছে চীন

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­
আপডেট : ০২ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৭: ০০
চীন নিজ দেশের বাজারে বৈদ্যুতিক গাড়িকে পর্যাপ্ত জায়গা দিতে গ্যাসোলিনচালিত গাড়িগুলো পাঠাচ্ছে দ্বিতীয় ও তৃতীয় বিশ্বের দেশে। ছবি: সংগৃহীত
চীন নিজ দেশের বাজারে বৈদ্যুতিক গাড়িকে পর্যাপ্ত জায়গা দিতে গ্যাসোলিনচালিত গাড়িগুলো পাঠাচ্ছে দ্বিতীয় ও তৃতীয় বিশ্বের দেশে। ছবি: সংগৃহীত

চীনের বৈদ্যুতিক গাড়ির শিল্প কয়েক বছরের মধ্যেই দেশের অর্ধেক বাজার দখল করে নিয়েছে। এতে এক সময়ের শক্তিশালী বিদেশি ব্র্যান্ডগুলোর গ্যাসোলিনচালিত বা তেল–গ্যাসচালিত গাড়ির বিক্রি কার্যত গুঁড়িয়ে গেছে। তবে এতে কেবল বিদেশিরাই নয়, বহু চীনা ঐতিহ্যবাহী গাড়ি নির্মাতা কোম্পানিও নিজ দেশে বিক্রি কমে যাওয়ার ধাক্কা খেয়ে অবিক্রীত গাড়ি বিদেশে রপ্তানি করতে শুরু করেছে।

পশ্চিমা নীতিনির্ধারকেরা যখন চীনের ভর্তুকি–নির্ভর ইলেকট্রিক ভেহিক্যাল বা ইভিগুলোকেই মূল হুমকি হিসেবে দেখে শুল্ক আরোপ করছেন, তখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের কোম্পানিগুলো আরও বড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি—চীনা গ্যাসোলিন গাড়ির। যেগুলো পোল্যান্ড থেকে দক্ষিণ আফ্রিকা, উরুগুয়ে পর্যন্ত বাজারে হানা দিচ্ছে।

রয়টার্সের অনুসন্ধানী প্রতিবেদন বলছে, ২০২০ সাল থেকে চীনের মোট গাড়ি রপ্তানির ৭৬ শতাংশই গ্যাসোলিনচালিত, আর মোট বার্ষিক রপ্তানি ১০ লাখ থেকে বাড়তে বাড়তে এ বছর ৬৫ লাখ ছাড়াতে পারে বলে জানিয়েছে চীনভিত্তিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান অটোমোবিলিটি।

ইভির ভর্তুকি ও নীতিই এই গ্যাসোলিন রপ্তানির উল্লম্ফনের পেছনে বড় চালিকাশক্তি—যে নীতি ফক্সওয়াগন, জিএম, নিশানসহ বহু বিদেশি ব্র্যান্ডের চীনের বাজারে ব্যবসাকে ধ্বংস করেছে। শত শত চীনা ইভি কোম্পানিকে টিকিয়ে রাখতে গিয়ে যে মূল্য যুদ্ধ শুরু হয়েছে, তার অভিঘাতই এখন বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে।

শুধু গ্যাসোলিন গাড়ির রপ্তানিতেই—ইভি বা প্লাগ-ইন হাইব্রিড বাদ দিয়েও—চীন গত বছর বিশ্বের সবচেয়ে বড় গাড়ি-রপ্তানিকারক দেশ হয়ে উঠেছে। রয়টার্সের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, চীনের গ্যাসোলিন গাড়ির বন্যা দেখা যাচ্ছে প্রধানত সেই সব উদীয়মান বা দ্বিতীয় স্তরের বাজারে, যেখানে চার্জিং অবকাঠামো দুর্বল। এর পেছনে রয়েছে বেইজিংয়ের বর্তমান ইভি নীতি এবং গত কয়েক দশকের গ্যাসোলিন গাড়ি শিল্পকে বিদেশিদের সহযোগিতায় গড়ে তোলার পুরোনো নীতির দ্বন্দ্ব।

সবচেয়ে বড় রপ্তানিকারকদের মধ্যে রয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত পুরোনো কোম্পানি—এসএআইসি, বিএআইসি, দোংফেং, চানআন—যারা বিদেশি ব্র্যান্ডের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে প্রযুক্তি ও মুনাফা অর্জন করত। ১৯৮০-এর দশকে বেইজিং জোর করে তৈরি করা এই জোটগুলোই একসময় ছিল প্রধান শক্তি। কিন্তু বেসরকারি ও উদ্ভাবনী চীনা ইভি নির্মাতাদের উত্থানে এসব যৌথ উদ্যোগের বিক্রি ভেঙে পড়েছে। উদাহরণস্বরূপ, এসএআইসি-জিএম এর বার্ষিক বিক্রি ২০২০ সালের ১৪ লাখ থেকে ২০২৪ সালে কমে ৪ লাখ ৩৫ হাজারে নেমে এসেছে।

এখন এসব রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানি তাদের বিদেশি অংশীদারদের একসময়কার বাজারেই নতুন করে দখল নিচ্ছে। এসএআইসির রপ্তানি ২০২০ সালের ৪ লাখ থেকে বেড়ে গত বছর ১০ লাখ ছাড়িয়েছে। দোংফেং–এর রপ্তানি গত বছর প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার—পাঁচ বছরে প্রায় চারগুণ। অথচ তার চীনা অংশীদার হোন্ডা ও নিশানের যৌথ উদ্যোগগুলোর বিক্রি পতনের সর্পিল ঘূর্ণিতে আটকে গেছে। ২০২০ সাল থেকে দোংফেং–এর বিশ্বব্যাপী বিক্রি কমেছে ১০ লাখ। তবু কোম্পানির ইউরোপ ব্যবস্থাপক ইয়েলটে ভারনুই বললেন, চিন্তার কিছু নেই—কারণ পেছনে রয়েছে বেইজিং। তাঁর ভাষায়, ‘আমরা রাষ্ট্রায়ত্ত—এটাই আসল কথা। টিকে থাকার ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই।’

গ্যাসোলিন গাড়ির চাহিদাই বেশি দ্বিতীয় স্তরের বাজারগুলোতে—পূর্ব ইউরোপ, লাতিন আমেরিকা, আফ্রিকা—যেখানে চার্জিং নেটওয়ার্ক দুর্বল। দীর্ঘমেয়াদে বেইজিং বিশ্ব ইভি ও প্লাগ-ইন হাইব্রিড বাজার দখল করতে চায়। কিন্তু আপাতত চীনা নির্মাতারা বিদেশে নিজেদের ব্র্যান্ড দাঁড় করাতে ক্রেতাদের যা চাই, তাই দিচ্ছে।

চীনের শীর্ষ রপ্তানিকারক চেরি। তাদের বিশ্বব্যাপী বিক্রি ২০২০ সালের ৭ লাখ ৩০ হাজার থেকে বেড়ে ২০২৪ সালে হয়েছে ২৬ লাখ। এদের চার ভাগের তিন ভাগ গাড়িই গ্যাসোলিনচালিত। শীর্ষ ১০ রপ্তানিকারকের মধ্যে আরও আছে পাঁচ রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানি এবং দুই বেসরকারি প্রতিষ্ঠান গিলি ও গ্রেট ওয়াল মোটর।

শীর্ষ ১০ রপ্তানিকারকের মধ্যে কেবল দুই কোম্পানি পুরোপুরি ব্যাটারি চালিত গাড়ি বিক্রি করে—যুক্তরাষ্ট্রের টেসলা ও চীনের বিওয়াইডি। বিওয়াইডির বিদেশযাত্রা এ বছর চীনকে প্লাগ-ইন গাড়ির রপ্তানিতে শক্তিশালী করেছে। তবু গ্যাসোলিন গাড়ির রপ্তানি ৪৩ লাখ ছাড়িয়ে মোট রপ্তানির দুই-তৃতীয়াংশ থাকবে।

চেরি, দোংফেং ও রাষ্ট্রায়ত্ত এফএডব্লিউয়ের বিদেশি কর্মকর্তারা জানান—চীনের নির্মম মূল্য যুদ্ধের বাজারে টিকে থাকার জন্য রপ্তানি ছাড়া উপায় নেই। এফএডব্লিউয়ের ডিজাইন প্রধান জাইলস টেলর বলেন, কিছু প্রতিদ্বন্দ্বী মাত্র একটি ভুল পণ্যে ব্যর্থ হলেই ধসে পড়তে পারে। তাঁর ভাষায়, ‘চীনের গাড়ি বাজার এতটাই ভরাট, যেন দাঁত-নখ বের করে লড়াই।’

ইঞ্জিনভিত্তিক গাড়ি রপ্তানিই তাদের প্রধান ভরসা। কারণ, অধিকাংশ দেশের জন্য সেটিই বেশি উপযোগী। চানআনের ইউরোপীয় বিপণন পরিচালক নিক টমাস বলেন, তারা চাইলে প্রতিটি বাজারের জন্য আলাদা করে গাড়িকে সাজিয়ে দিতে পারে। এসএআইসি, বিএআইসি, গিলি, গ্রেট ওয়াল বা সরকারের জাতীয় উন্নয়ন ও সংস্কার কমিশন এ বিষয়ে মন্তব্য করেনি।

বৈশ্বিক গাড়ি কোম্পানিগুলো চীনা প্রতিযোগীদের হুমকি হিসেবে স্বীকার করলেও, তাদের দৃষ্টি ছিল মূলত সস্তা ইভিগুলোর দিকে। টয়োটা, জিএম, ফোর্ড, হোন্ডা, নিশান, হুন্দাই—কেউই রপ্তানির এই উল্লম্ফন নিয়ে মন্তব্য করেনি। কেউ কেউ অবশ্য লড়াইয়ে নামার প্রস্তুতির কথা বলেছে। ফক্সওয়াগনের দক্ষিণ আমেরিকা প্রধান আলেক্সান্ডার সাইটজ বলেন, তিনি চীনাদের ভয় পান না। তাদের তিনি প্রতিযোগী হিসেবে সম্মান দেন। ফক্সওয়াগনও এখন চীনে বানানো গাড়ি বেশি দেশে রপ্তানির পরিকল্পনা করছে। জিএম প্রধান নির্বাহী মেরি বার্রা বলেছেন, সঠিক প্রযুক্তি ও সঠিক মূল্যে তাঁর কোম্পানি প্রতিযোগিতা করবে।

চীনে ইভির দ্রুত বিস্তার বহু গ্যাসোলিন গাড়ির কারখানাকে অচল করে দিয়েছে। অটোমোবিলিটির প্রধান বিল রুসো বলেন, বছরে প্রায় ২ কোটি গাড়ি বানানোর ক্ষমতা এখন কার্যত অকেজো। ফলে কোম্পানিগুলো রপ্তানির পথেই সেই বাড়তি ক্ষমতা ঢালছে। পরামর্শক অ্যালিক্সপার্টনারস ধারণা করছে, ২০৩০ সালের মধ্যে চীনা গাড়ি নির্মাতাদের বিদেশি বিক্রি বছরে আরও ৪ মিলিয়ন বাড়বে, আর পাঁচ বছরের মধ্যেই তারা পুরো বিশ্বের গাড়ি বাজারের ৩০ শতাংশ দখল করবে।

স্থানীয় সরকারগুলো ইভি কারখানার জন্য জমি, অর্থ, অবকাঠামো সবই দিয়েছে। এর ফলে গ্যাসোলিন গাড়ির অতিরিক্ত সক্ষমতা তৈরি হয়েছে ৩ কোটি গাড়ির মতো, যা অভ্যন্তরীণ চাহিদার বহু গুণ বেশি। সাবেক উপমন্ত্রী সু বো বলেন, গ্যাসোলিন গাড়ির বিক্রি কমায় এই অতিরিক্ত সক্ষমতা পুরো শিল্পকে বেঁচে থাকার লড়াইয়ে ঠেলে দিয়েছে।

ইভি নতুন কারখানায় ব্যস্ত থাকতে থাকতে পুরোনো রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানিগুলো গ্যাসোলিন গাড়ি ঠেলে দিচ্ছে বিশ্বের নানা প্রান্তে। পোল্যান্ডের ওয়ারশতে প্লাজা শোরুমে ঝকঝকে ‘বেইজিং’ লোগোওয়ালা নতুন এসইউভি দাঁড়িয়ে। এগুলো বানিয়েছে বিএআইসি। ২০২৩ সাল থেকে পোল্যান্ডে ৩৩টি চীনা ব্র্যান্ড এসেছে, বেশির ভাগই গ্যাসোলিনচালিত গাড়ি নিয়ে।

সেখানকার ডিস্ট্রিবিউটররা বলছেন, একই ধরনের এত গাড়ি এসেছে যে সাধারণ ক্রেতা পার্থক্য করতে পারে না। জিএসি ও গিলির স্থানীয় ব্যবস্থাপক এটাকে ‘উন্মাদনা’ বলেছেন। উদীয়মান বাজারগুলো চীনা নির্মাতাদের প্রধান টার্গেট—কারণ এখানকার ক্রেতারা ইভি নয়, গ্যাসোলিন গাড়ির দিকেই ঝুঁকে। কোস্টারিকা, পেরু, ইন্দোনেশিয়া বা গ্রিসে একেকটি বাজারের চাহিদা একেক রকম—চীনারা সেই বাস্তবতাই ধরছে।

অস্ট্রেলিয়ার মতো ধনী দেশেও চেরির বিক্রি প্রায় সবই গ্যাসোলিনচালিত। ইভি এসেছে এখনো অল্প। চিলি, দক্ষিণ আফ্রিকা, উরুগুয়ে—সবখানে একই ছবি। ভালো নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য আর প্রতিযোগিতামূলক দামে চীনা গাড়ি সেখানে বিদেশি ব্র্যান্ডকে পেছনে ফেলছে।

উরুগুয়েতে দোংফেং বিক্রি করছে নিশানের ফ্রন্টিয়ার ট্রাকের প্রায় একই সংস্করণ, নাম রিচ–৬। দাম নানা ক্ষেত্রে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ কম। স্থানীয় কৃষক মারিয়ানা বেতিজাগাস্তি বলেন, ‘একটা ব্র্যান্ডেড গাড়ির দামে এখানে দুটো চীনা ট্রাক পাওয়া যায়।’

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

‘মেডিকেলে চান্স না পেয়ে’ ৩৩ হাজার ভোল্ট বিদ্যুতের তারে শুয়ে শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা, দাবি স্বজনদের

সিঙ্গাপুর যাত্রার আগে হাদির শারীরিক অবস্থা নিয়ে যা জানাল মেডিকেল বোর্ড

ইডেনের সেই ছাত্রীকে বিয়ের ছয় মাস পর নোবেলের বিরুদ্ধে ধর্ষণের চার্জশিট

তাইওয়ানে যুদ্ধে জড়ালে চীনের কাছে হারতে পারে যুক্তরাষ্ট্র— পেন্টাগনের গোপন নথি ফাঁস

ফলের দোকানদার ও বেকার ছেলে: অস্ট্রেলিয়ার সৈকতে হামলাকারী সম্পর্কে যা জানা গেল

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত

শেভরনের সহায়তায় সিলেটে ৬০ প্রতিবন্ধী ব্যক্তির স্বাভাবিক জীবনে ফেরা

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­
শেভরন-এসএমআইএল প্রকল্পে ৬০ প্রতিবন্ধীর মধ্যে কৃত্রিম অঙ্গ বিতরণ সম্পন্ন হয়েছে। ছবি: বিজ্ঞপ্তি
শেভরন-এসএমআইএল প্রকল্পে ৬০ প্রতিবন্ধীর মধ্যে কৃত্রিম অঙ্গ বিতরণ সম্পন্ন হয়েছে। ছবি: বিজ্ঞপ্তি

শেভরন বাংলাদেশের সহায়তায় বাস্তবায়িত এসএমআইএল (SMILE) প্রকল্পের আওতায় ‘রিস্টোরিং মোবিলিটি: আর্টিফিশিয়াল লিম্ব সাপোর্ট’ উদ্যোগের সমাপনী অনুষ্ঠান সম্প্রতি গ্র্যান্ড সিলেটে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে সিলেট ও নবীগঞ্জ উপজেলার ৬০ শারীরিক প্রতিবন্ধী উপকারভোগীর মধ্যে কৃত্রিম অঙ্গ (প্রোস্থেটিক) ও অর্থোটিক ডিভাইস বিতরণ করা হয়।

দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে পুনর্বাসন ও চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত থাকা এই উপকারভোগীরা কৃত্রিম অঙ্গ পেয়ে নতুন জীবন ফিরে পেলেন। জালালাবাদ ডিজেবল্ড রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার অ্যান্ড হাসপাতালের (জেডিআরসিএইচ) সহযোগিতায় এই উদ্যোগ পরিচালিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সমন্বয় ও মনিটরিং উইংয়ের সচিব মো. আবদুল মান্নান। বিশেষ অতিথি ছিলেন শেভরন বাংলাদেশের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও প্রেসিডেন্ট এরিক এম ওয়াকার, করপোরেট অ্যাফেয়ার্স পরিচালক মুহাম্মদ ইমরুল কবির, সোশ্যাল ইনভেস্টমেন্ট প্রধান এ কে এম আরিফ আক্তার, সুইসকন্টাক্টের কান্ট্রি ডিরেক্টর হেলাল হোসেন এবং জেডিআরসিএইচ বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান রোটারিয়ান পিপি ইঞ্জিনিয়ার শোয়াইব আহমেদ মতিন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. আবদুল মান্নান বলেন, ‘কৃত্রিম অঙ্গ সহায়তা শুধু চিকিৎসা নয়, এটি প্রতিবন্ধী মানুষের জীবনযাত্রায় মৌলিক পরিবর্তন আনে। শেভরন বাংলাদেশ, সুইসকন্টাক্ট ও জেডিআরসিএইচের যৌথ উদ্যোগ চলাচল সক্ষমতা ফিরিয়ে এনে উপকারভোগীদের জীবনে নতুন আশার দ্বার খুলে দিয়েছে।’

শেভরন বাংলাদেশের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও প্রেসিডেন্ট এরিক এম ওয়াকার বলেন, ‘বিশ্বের প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষ এ ধরনের বিশেষায়িত পুনর্বাসন সেবার পর্যাপ্ত সুযোগ পায় না। এই উদ্যোগের মাধ্যমে ব্যক্তিকেন্দ্রিক সেবা পৌঁছে দিতে পারা আমাদের জন্য গর্বের। উপকারভোগীদের প্রতিটি অগ্রযাত্রাই একটি সম্ভাবনাময় ভবিষ্যতের দিকে দৃঢ় পদক্ষেপ।’

সুইসকন্টাক্টের কান্ট্রি ডিরেক্টর হেলাল হোসেন বলেন, ‘এই প্রকল্প কেবল চলাচল সক্ষমতা ফিরিয়ে দেয়নি; এটি উপকারভোগীদের কর্মজীবনে ফেরা, শিক্ষা চালিয়ে যাওয়া এবং সামাজিক ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করেছে—যা সমাজে অন্তর্ভুক্তি আরও সুদৃঢ় করেছে।’

করপোরেট অ্যাফেয়ার্স পরিচালক মুহাম্মদ ইমরুল কবির বলেন, ‘শেভরন তিন দশকের বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের বিশ্বস্ত জ্বালানি অংশীদার। আমাদের অঙ্গীকার কেবল জ্বালানি সরবরাহেই সীমাবদ্ধ নয়। এসএমআইএল প্রকল্পের মতো উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা চলাচল সক্ষমতা ও মানবিক মর্যাদা পুনরুদ্ধারে কাজ করছি। বাংলাদেশে আমাদের সামাজিক বিনিয়োগ কার্যক্রম জাতিসংঘ ঘোষিত ১৭টি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যের মধ্যে ৯টির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।’

অনুষ্ঠানে উপকারভোগীরা তাঁদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, কৃত্রিম অঙ্গ পাওয়ার ফলে তাঁরা আবার স্বাভাবিক চলাচল, আত্মনির্ভরতা ও আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছেন। এই ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রভাব পরিবার ও সমাজেও ছড়িয়ে পড়ছে।

গৃহস্থালি আয় স্থিতিশীল হওয়া ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির ফলে এর ইতিবাচক প্রভাব পরিবার ও সমাজে ছড়িয়ে পড়ছে—যা কমিউনিটির স্থিতিশীলতা ও সামাজিক-অর্থনৈতিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করছে। এ সাফল্যের ধারাবাহিকতায় শেভরন বাংলাদেশ ও সুইসকন্টাক্ট এসএমআইএল প্রকল্পের মাধ্যমে টেকসই ও প্রভাবশালী উন্নয়ন উদ্যোগ বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে। যৌথ প্রচেষ্টার মাধ্যমে তারা অর্থোটিক ও প্রোস্থেটিক সহায়তা প্রয়োজন, এমন মানুষের জীবনমান উন্নয়নে বাস্তব ও পরিমাপযোগ্য পরিবর্তন নিশ্চিত করছে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

‘মেডিকেলে চান্স না পেয়ে’ ৩৩ হাজার ভোল্ট বিদ্যুতের তারে শুয়ে শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা, দাবি স্বজনদের

সিঙ্গাপুর যাত্রার আগে হাদির শারীরিক অবস্থা নিয়ে যা জানাল মেডিকেল বোর্ড

ইডেনের সেই ছাত্রীকে বিয়ের ছয় মাস পর নোবেলের বিরুদ্ধে ধর্ষণের চার্জশিট

তাইওয়ানে যুদ্ধে জড়ালে চীনের কাছে হারতে পারে যুক্তরাষ্ট্র— পেন্টাগনের গোপন নথি ফাঁস

ফলের দোকানদার ও বেকার ছেলে: অস্ট্রেলিয়ার সৈকতে হামলাকারী সম্পর্কে যা জানা গেল

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত

আরও ১৪ কোটি ১৫ লাখ ডলার কিনল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

দেশের বৈদেশিক মুদ্রাবাজার স্থিতিশীল রাখতে এবং রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয়ের প্রবাহ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাংকগুলো থেকে অতিরিক্ত ডলার ক্রয় করেছে। আজ সোমবার ১৩টি ব্যাংক থেকে প্রায় ১৪ কোটি ১৫ লাখ মার্কিন ডলার (১৪১.৫ মিলিয়ন) কেনা হয়েছে। ডলারের বিনিময়হার ছিল ১২২ দশমিক ২৯ থেকে ১২২ দশমিক ৩০ টাকা আর কাট-অফ রেট ছিল ১২২ দশমিক ৩০ টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে, ১১ ডিসেম্বর ১৬টি ব্যাংক থেকে প্রায় ১৫ কোটি ডলার (১৪৯ মিলিয়ন) কেনা হয়েছিল। এ সময় প্রতি ডলারের বিনিময়হার ছিল ১২২ টাকা ২৫ পয়সা থেকে ১২২ টাকা ২৯ পয়সা। আর কাট-অফ রেট ছিল ১২২ টাকা ৯ পয়সা। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এখন পর্যন্ত নিলামপদ্ধতিতে মোট ২৮০ কোটি ৪৫ লাখ ডলার (২.৮০ বিলিয়ন) সংগ্রহ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র জানান, আজ ১৩টি ব্যাংক থেকে প্রায় ১৪ কোটি ১৫ লাখ মার্কিন ডলার কেনা হয়েছে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

‘মেডিকেলে চান্স না পেয়ে’ ৩৩ হাজার ভোল্ট বিদ্যুতের তারে শুয়ে শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা, দাবি স্বজনদের

সিঙ্গাপুর যাত্রার আগে হাদির শারীরিক অবস্থা নিয়ে যা জানাল মেডিকেল বোর্ড

ইডেনের সেই ছাত্রীকে বিয়ের ছয় মাস পর নোবেলের বিরুদ্ধে ধর্ষণের চার্জশিট

তাইওয়ানে যুদ্ধে জড়ালে চীনের কাছে হারতে পারে যুক্তরাষ্ট্র— পেন্টাগনের গোপন নথি ফাঁস

ফলের দোকানদার ও বেকার ছেলে: অস্ট্রেলিয়ার সৈকতে হামলাকারী সম্পর্কে যা জানা গেল

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত

দিনে ১৭২৫০ টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দিল সরকার

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
ফাইল ছবি
ফাইল ছবি

বাজার সহনীয় করতে পেঁয়াজের আমদানি আরও বাড়িয়েছে সরকার। আজ সোমবার থেকে দৈনিক ১৭ হাজার ২৫০ টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে; যা আগে ছিল ৬ হাজার টন করে।

আজ এক বিজ্ঞপ্তিতে কৃষি মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।

জানা যায়, চলতি মাসের শুরু থেকে হঠাৎ পেঁয়াজের দাম বাড়তে থাকে। তিন দিনের ব্যবধানে ১২০ টাকার পেঁয়াজের দাম বেড়ে ১৫০ টাকা পর্যন্ত ওঠে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ৭ ডিসেম্বর থেকে পেঁয়াজ আমদানির অনুমোদন দেওয়া শুরু করে কৃষি মন্ত্রণালয়। শুরুতে প্রতিদিন ৫০ জন আমদানিকারককে ৩০ টন করে মোট ১ হাজার ৫০০ টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়। দীর্ঘ তিন মাস পর এই অনুমোদন দেওয়া হয়।

তবে এরপরও বাজারে দাম না কমলে আমদানির অনুমতির পরিমাণ বাড়ানো হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে আমদানি আরও বাড়ানো হয়। ১৩ ডিসেম্বর থেকে প্রতিদিন ২০০ জনকে ৩০ টন করে ৬ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়, যা আজ থেকে আরও বাড়িয়ে ১৭ হাজার ২৫০ টন করা হয়।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে আজ বলা হয়, পেঁয়াজের বাজার সহনীয় রাখতে ১৫ ও ১৬ ডিসেম্বর দুই দিনের জন্য প্রতিদিন ৫৭৫টি করে আইপি (আমদানি অনুমতি) ইস্যু করা হবে। প্রতিটি আইপিতে আগের ন্যায় সর্বোচ্চ ৩০ টন পেঁয়াজের অনুমোদন দেওয়া হবে। আবেদনের বিষয় আগের ন্যায় বলবৎ থাকবে। অর্থাৎ গত ১ আগস্ট থেকে যেসব আমদানিকারক আমদানি অনুমতির জন্য আবেদন করেছেন, তাঁরাই কেবল এই দুই দিন আবেদন পুনরায় দাখিল করতে পারবেন। একজন আমদানিকারক একবারের জন্য আবেদনের সুযোগ পাবেন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্ভিদ সঙ্গনিরোধ উইংয়ের অতিরিক্ত উপপরিচালক (আমদানি) বনি আমিন খান বলেন, ‘মন্ত্রণালয়ের নির্দেশের পর আজ আমরা ৫৭৫ জনকে আমদানির অনুমোদন দিয়েছি। অনুমোদন নিয়ে এ দিন আমদানিকারকেরা ঋণপত্র খুলতে পেরেছেন। যদিও দুই দিনের কথা বলা হয়েছে, তবে সরকার প্রয়োজন মনে করলে সময় আরও বাড়বে। এর আগে গত শনিবার থেকে প্রতিদিন ৬ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমোদন দিয়ে আসছিলাম আমরা।’

দেশে সাধারণত প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি করেন ব্যবসায়ীরা। সে হিসাবে যেদিন ঋণপত্র খোলেন, সেদিনই আমদানি করতে পারেন।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

‘মেডিকেলে চান্স না পেয়ে’ ৩৩ হাজার ভোল্ট বিদ্যুতের তারে শুয়ে শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা, দাবি স্বজনদের

সিঙ্গাপুর যাত্রার আগে হাদির শারীরিক অবস্থা নিয়ে যা জানাল মেডিকেল বোর্ড

ইডেনের সেই ছাত্রীকে বিয়ের ছয় মাস পর নোবেলের বিরুদ্ধে ধর্ষণের চার্জশিট

তাইওয়ানে যুদ্ধে জড়ালে চীনের কাছে হারতে পারে যুক্তরাষ্ট্র— পেন্টাগনের গোপন নথি ফাঁস

ফলের দোকানদার ও বেকার ছেলে: অস্ট্রেলিয়ার সৈকতে হামলাকারী সম্পর্কে যা জানা গেল

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত

ভারত থেকে ৫০ হাজার টন চাল কিনবে সরকার

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
ফাইল ছবি
ফাইল ছবি

রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজন ও জনস্বার্থে ভারত থেকে ৫০ হাজার টন নন-বাসমতি সেদ্ধ চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। প্রতি কেজি চালের দাম ধরা হয়েছে ৪২ টাকা ৯৮ পয়সা। এ ছাড়া সৌদি আরব থেকে ৮০ হাজার টন ইউরিয়া সার আমদানি, দেশের বিভিন্ন স্থানে সার সংরক্ষণের জন্য বাফার গুদাম নির্মাণ, পটুয়াখালীর রাবনাবাদ নদীর ওপর সেতু নির্মাণ, দক্ষিণ কোরিয়া থেকে এক কার্গো এলএনজি আমদানিসহ একাধিক ক্রয়প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

আজ সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।

সভা শেষে সাংবাদিকদের অর্থ উপদেষ্টা বলেন, ‘ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক গুলিবিদ্ধ শরিফ ওসমান হাদির চিকিৎসার জন্য টাকাপয়সা কোনো ব্যাপার না। অর্থ মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব বাজেট (রাষ্ট্রীয় কোষাগার) থেকে তাঁর চিকিৎসার অর্থ দেওয়া হবে। ওসমান হাদিকে বাইরে পাঠানোর জন্য কাল যখন মেসেজ এল, আমরা বলেছি, টাকাপয়সা কোনো ব্যাপার না। উই উইল গিভ অ্যালোকেশন (আমরা বরাদ্দ দেব)।’

ভারত থেকে চাল আমদানি

বৈঠক সূত্রে জানা যায়, ২০২৫–২৬ অর্থবছরে আন্তর্জাতিক উৎস থেকে ৯ লাখ টন চাল আমদানির অনুমোদনের অংশ হিসেবে ৫০ হাজার টন নন-বাসমতি সেদ্ধ চাল কেনা হবে। আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রে ছয়টি প্রস্তাব পাওয়া যায়, যার মধ্যে সর্বনিম্ন দরদাতা ভারতের এম/এস বাগাদিয়া ব্রাদার্স প্রাইভেট লিমিটেডের কাছ থেকে প্রতি টন ৩৫১ দশমিক ১১ মার্কিন ডলারে চাল কেনার সিদ্ধান্ত হয়। এতে মোট ব্যয় হবে ১ কোটি ৭৫ লাখ ৫৫ হাজার ৫০০ ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২১৪ কোটি ৭০ লাখ টাকা।

সৌদি আরব থেকে ইউরিয়া সার

সরকার সৌদি আরবের সাবিক অ্যাগ্রো নিউট্রিয়েন্টস কোম্পানি থেকে ৮০ হাজার টন বাল্ক গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার আমদানির অনুমোদন দিয়েছে। প্রতি টন সারের দাম ধরা হয়েছে ৪১৩ দশমিক ৪৬ মার্কিন ডলার। এতে দুই দফায় মোট ব্যয় হবে প্রায় ৪০৬ কোটি টাকা। ২০২৫–২৬ অর্থবছরে সাবিকের সঙ্গে ৬ লাখ ৩০ হাজার টন সার আমদানির চুক্তি রয়েছে বলে জানা গেছে।

বাফার গুদাম নির্মাণ

সার সংরক্ষণ ও বিতরণব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে নওগাঁ ও বগুড়া জেলায় দুটি বাফার গুদাম নির্মাণের সিদ্ধান্ত হয়েছে। নওগাঁয় ২৫ হাজার টন ধারণক্ষমতার একটি গুদাম নির্মাণে ব্যয় হবে ৫৪ কোটি ৭০ লাখ টাকা এবং বগুড়ায় ২০ হাজার টন ধারণক্ষমতার গুদাম নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৯ কোটি ২৮ লাখ টাকা। এসব গুদামে স্টিল স্ট্রাকচার, অফিস কাম গেস্টহাউস, আনসার ব্যারাক, সাবস্টেশন, জেনারেটর, সোলার সিস্টেমসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে।

রাবনাবাদ নদীর ওপর সেতু

পটুয়াখালীর লেবুখালী–বাউফল–গলাচিপা–আমড়াগাছিয়া সড়কে রাবনাবাদ নদীর ওপর ৮৮২ দশমিক ৮১ মিটার দীর্ঘ একটি সেতু নির্মাণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে ব্যয় হবে ১৬৪ কোটি ৪ লাখ টাকা। প্রকল্পের আওতায় সংযোগ সড়ক, কালভার্ট, টোল প্লাজা ও আলোকসজ্জার কাজও থাকবে।

দক্ষিণ কোরিয়া থেকে এলএনজি

দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে দক্ষিণ কোরিয়া থেকে এক কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এম/এস পোসকো ইন্টারন্যাশনাল করপোরেশন থেকে স্পট মার্কেটের মাধ্যমে এই এলএনজি কেনা হবে। এতে ব্যয় হবে প্রায় ৪২০ কোটি টাকা। প্রতি এমএমবিটিইউ এলএনজির দাম ধরা হয়েছে ৯ দশমিক ৯৯ মার্কিন ডলার।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

‘মেডিকেলে চান্স না পেয়ে’ ৩৩ হাজার ভোল্ট বিদ্যুতের তারে শুয়ে শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা, দাবি স্বজনদের

সিঙ্গাপুর যাত্রার আগে হাদির শারীরিক অবস্থা নিয়ে যা জানাল মেডিকেল বোর্ড

ইডেনের সেই ছাত্রীকে বিয়ের ছয় মাস পর নোবেলের বিরুদ্ধে ধর্ষণের চার্জশিট

তাইওয়ানে যুদ্ধে জড়ালে চীনের কাছে হারতে পারে যুক্তরাষ্ট্র— পেন্টাগনের গোপন নথি ফাঁস

ফলের দোকানদার ও বেকার ছেলে: অস্ট্রেলিয়ার সৈকতে হামলাকারী সম্পর্কে যা জানা গেল

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত