
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে জ্বালানি রপ্তানি সচল রাখতে গোপনে বহু ‘জাহাজ থেকে জাহাজে’ তেল স্থানান্তর কার্যক্রম তদারকি করেছে। এই অভিযানে ব্যবহার করা হয়েছে আকাশ ও জলপথের ড্রোন, এমনকি হেলিকপ্টারও।

যুক্তরাষ্ট্র–ইরান চুক্তি হয়তো বন্দুকের গুলি থামাবে, কিন্তু তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধের ফলে যে নতুন বাস্তবতা গড়ে উঠেছে তা বদলাতে পারবে না। উপসাগরীয় সূত্র, কূটনীতিক ও বিশ্লেষকদের মতে, এই অঞ্চল কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বিপজ্জনক সংকটের একটি থেকে বেরিয়ে এসেছে।

সীমান্তে কথিত অবৈধ অভিবাসন ও ‘পুশ ইন’ ইস্যুতে টানাপোড়েনের মধ্যেই সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারে একমত হয়েছে বাংলাদেশ ও ভারত। গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়, সমন্বিত টহল, মানব পাচার ও সীমান্ত অপরাধ দমনে সহযোগিতা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুই দেশ।

জ্বালানি উৎপাদক দেশগুলোর জোট ওপেক ও ওপেক প্লাস বৈশ্বিক তেলের বাজারে তাদের প্রভাব কিছুটা হারাতে পারে। কারণ, জোটের সদস্য দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত ১ মে থেকে এই দুই জোট ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছে। জোটের প্রতিনিধি ও বিশ্লেষকেরা জানিয়েছেন, বাকি উৎপাদক দেশগুলো একসঙ্গেই থাকবে এবং তেল সরবরাহ নীতিতে সমন্বয় চালিয়ে যাবে।