নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

নিয়ম অনুযায়ী পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির মোট শেয়ারের ৩০ শতাংশ ধারণ করতে হবে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের। তবে এখনো ২৯টি কোম্পানি এই নির্দেশনা পরিপালন করেনি। এসব কোম্পানির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।
যেসব কোম্পানির উদ্যোক্তা ও পরিচালকেরা পরিশোধিত মূলধনের ন্যূনতম ৩০ শতাংশ শেয়ার ধারণ করেননি, তাঁদের ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বিএসইসির কাছে এ-সংক্রান্ত পরিকল্পনা জমা দিতে হবে। এ ছাড়া ১৫ দিনের মধ্যে অনুমোদন সাপেক্ষে কমপক্ষে দুজন স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগ করতে হবে। এর ব্যত্যয় হলে এনফোর্সমেন্ট বিভাগকে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সম্প্রতি কোম্পানিগুলোকে এমন নির্দেশনা দিয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, যখন কোনো কোম্পানিতে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের শেয়ারধারণের পরিমাণ কমে যায়, তখন তাঁরা ওই কোম্পানির ব্যবসায় মনোযোগ দেন না। ফলে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ওই কোম্পানির শেয়ার কিনে ক্ষতিগ্রস্ত হন।
বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র রেজাউল করিম বলেন, সাধারণ বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষার জন্য সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের পর যেসব কোম্পানি নিয়ম মানবে না, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে যাবে নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
বিএসইসির নির্দেশনার ভিত্তিতে এসব কোম্পানির মধ্যে কেবল পাঁচটি শেয়ারধারণ-সংক্রান্ত পরিকল্পনা জমা দিয়েছে। চারটি কোম্পানি এক বছর ধরে তাদের শেয়ারধারণ-সংক্রান্ত প্রতিবেদন জমা দেয়নি।
বিএসইসি তথ্য অনুযায়ী, ২৯টি তালিকাভুক্ত কোম্পানি গত ৩১ মে পর্যন্ত ৩০ শতাংশ শেয়ারধারণ করেনি। এর মধ্যে আবার ৯টি কোম্পানির উদ্যোক্তা ও পরিচালকেরা ২০ শতাংশের নিচে এবং ৩টি কোম্পানির ১০ শতাংশের নিচে শেয়ারধারণ করছেন।
সমন্বিতভাবে কোম্পানির উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের ৩০ শতাংশ শেয়ারধারণ পুঁজিবাজারের জন্য ইতিবাচক হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এ বিষয়ে ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ডিবিএ) সভাপতি রিচার্ড ডি রোজারিও বলেন, ন্যূনতম ৩০ শতাংশ শেয়ার যদি উদ্যোক্তা এবং পরিচালকেরা কেনেন বা তাঁদের হাতে থাকে, তাহলে এটি বড় একটি ফান্ড রিলিজ করবে। এটি পুঁজিবাজারে চলমান তারল্য সংকট কমাতে সহায়তা করতে পারে।
২০১০ সালে পুঁজিবাজার ধসের পরে নিয়ন্ত্রক সংস্থা ২০১১ সালে এই নিয়ম জারি করে। এর মাধ্যমে কোম্পানির উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের দায়িত্বশীল করাই উদ্দেশ্য। পুঁজিবাজারে পতনের আগে অনেক পরিচালক তাঁদের শেয়ার বিক্রি করে দিয়েছিলেন।
২০২০ সালের জুলাইয়ে বিএসইসির নতুন নেতৃত্ব ৪৪টি তালিকাভুক্ত কোম্পানিকে ৬০ দিনের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের যৌথভাবে ৩০ শতাংশ এবং এককভাবে ন্যূনতম ২ শতাংশ করে শেয়ারধারণের নির্দেশ দেয়। দফায় দফায় সুযোগ বাড়ালেও ২০২০ সালের ডিসেম্বর থেকে চলতি বছরের মে পর্যন্ত ১৫টি কোম্পানি শুধু এই নির্দেশনা পরিপালন করে।

নিয়ম অনুযায়ী পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির মোট শেয়ারের ৩০ শতাংশ ধারণ করতে হবে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের। তবে এখনো ২৯টি কোম্পানি এই নির্দেশনা পরিপালন করেনি। এসব কোম্পানির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।
যেসব কোম্পানির উদ্যোক্তা ও পরিচালকেরা পরিশোধিত মূলধনের ন্যূনতম ৩০ শতাংশ শেয়ার ধারণ করেননি, তাঁদের ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বিএসইসির কাছে এ-সংক্রান্ত পরিকল্পনা জমা দিতে হবে। এ ছাড়া ১৫ দিনের মধ্যে অনুমোদন সাপেক্ষে কমপক্ষে দুজন স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগ করতে হবে। এর ব্যত্যয় হলে এনফোর্সমেন্ট বিভাগকে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সম্প্রতি কোম্পানিগুলোকে এমন নির্দেশনা দিয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, যখন কোনো কোম্পানিতে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের শেয়ারধারণের পরিমাণ কমে যায়, তখন তাঁরা ওই কোম্পানির ব্যবসায় মনোযোগ দেন না। ফলে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ওই কোম্পানির শেয়ার কিনে ক্ষতিগ্রস্ত হন।
বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র রেজাউল করিম বলেন, সাধারণ বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষার জন্য সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের পর যেসব কোম্পানি নিয়ম মানবে না, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে যাবে নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
বিএসইসির নির্দেশনার ভিত্তিতে এসব কোম্পানির মধ্যে কেবল পাঁচটি শেয়ারধারণ-সংক্রান্ত পরিকল্পনা জমা দিয়েছে। চারটি কোম্পানি এক বছর ধরে তাদের শেয়ারধারণ-সংক্রান্ত প্রতিবেদন জমা দেয়নি।
বিএসইসি তথ্য অনুযায়ী, ২৯টি তালিকাভুক্ত কোম্পানি গত ৩১ মে পর্যন্ত ৩০ শতাংশ শেয়ারধারণ করেনি। এর মধ্যে আবার ৯টি কোম্পানির উদ্যোক্তা ও পরিচালকেরা ২০ শতাংশের নিচে এবং ৩টি কোম্পানির ১০ শতাংশের নিচে শেয়ারধারণ করছেন।
সমন্বিতভাবে কোম্পানির উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের ৩০ শতাংশ শেয়ারধারণ পুঁজিবাজারের জন্য ইতিবাচক হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এ বিষয়ে ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ডিবিএ) সভাপতি রিচার্ড ডি রোজারিও বলেন, ন্যূনতম ৩০ শতাংশ শেয়ার যদি উদ্যোক্তা এবং পরিচালকেরা কেনেন বা তাঁদের হাতে থাকে, তাহলে এটি বড় একটি ফান্ড রিলিজ করবে। এটি পুঁজিবাজারে চলমান তারল্য সংকট কমাতে সহায়তা করতে পারে।
২০১০ সালে পুঁজিবাজার ধসের পরে নিয়ন্ত্রক সংস্থা ২০১১ সালে এই নিয়ম জারি করে। এর মাধ্যমে কোম্পানির উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের দায়িত্বশীল করাই উদ্দেশ্য। পুঁজিবাজারে পতনের আগে অনেক পরিচালক তাঁদের শেয়ার বিক্রি করে দিয়েছিলেন।
২০২০ সালের জুলাইয়ে বিএসইসির নতুন নেতৃত্ব ৪৪টি তালিকাভুক্ত কোম্পানিকে ৬০ দিনের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের যৌথভাবে ৩০ শতাংশ এবং এককভাবে ন্যূনতম ২ শতাংশ করে শেয়ারধারণের নির্দেশ দেয়। দফায় দফায় সুযোগ বাড়ালেও ২০২০ সালের ডিসেম্বর থেকে চলতি বছরের মে পর্যন্ত ১৫টি কোম্পানি শুধু এই নির্দেশনা পরিপালন করে।

সোনালী, অগ্রণী, জনতা, রূপালী, বেসিক ও বিডিবিএল—রাষ্ট্রায়ত্ত এই ৬ ব্যাংকের ১ লাখ ৪৮ হাজার ২৮৮ কোটি টাকা আর হিসাবে ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই; যা এই ব্যাংকগুলোর মোট বিতরণ করা ঋণের প্রায় অর্ধেক বা ৪৬ দশমিক ৩৭ শতাংশ।
১০ ঘণ্টা আগে
মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এ বাস্তবতাই এবার আসন্ন মুদ্রানীতির মূল সুর নির্ধারণ করে দিচ্ছে। গত বছরের অক্টোবরের পর নভেম্বর ও ডিসেম্বর টানা দুই মাস মূল্যস্ফীতি বাড়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক আপাতত নীতি সুদহার কমানোর ঝুঁকিতে যেতে চাইছে না।
১০ ঘণ্টা আগে
উন্নয়ন বিবেচনায় বাংলাদেশের পুঁজিবাজার এখনো আঞ্চলিক প্রতিযোগী পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার তুলনায় দুই থেকে তিন বছর বা তারও বেশি সময় পিছিয়ে আছে বলে মনে করছেন বিদেশি বিনিয়োগকারীরা। মঙ্গলবার রাজধানীর বনানীতে একটি হোটেলে ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ‘নির্বাচন-পরবর্তী ২০২৬ দিগন্ত...
১০ ঘণ্টা আগে
অবসায়ন বা বন্ধের প্রক্রিয়ায় থাকা ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর (এনবিএফআই) শেয়ার হঠাৎ করেই পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। দীর্ঘদিন দরপতনের পর এক টাকার নিচে নেমে যাওয়া এসব শেয়ার আজ মঙ্গলবার সর্বোচ্চ সার্কিট ব্রেকারে ঠেকে যায়। এতে প্রশ্ন উঠেছে, আর্থিকভাবে দেউলিয়া
১৪ ঘণ্টা আগে