
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। আজ বুধবার সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর অফিসে অনুষ্ঠিত বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী বৈঠকে বলেন, ‘চীন বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের নির্ভরযোগ্য বন্ধু এবং বড় বিনিয়োগকারী। আমরা চাই, আগামী দিনে দেশের শিল্প ও সার কারখানায় বিনিয়োগ আরও বাড়ুক। আমাদের ছয়টি সার কারখানা রয়েছে। গ্যাসের অভাবে উৎপাদন বিঘ্নিত হয়। এলএনজি আমদানি করে সার কারখানা চালু করতে পারে—এমন বিনিয়োগকারীর খোঁজ করছি আমরা। উৎপাদিত সার সরকার কিনে নেবে।’ একই সঙ্গে বাংলাদেশের বন্ধ পাটকলগুলোতেও চীনের বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগের আহ্বান জানান তিনি।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ‘ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়ন, ই-লার্নিং সেন্টার স্থাপন ও আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স উন্নয়নে চীন বাংলাদেশকে সহযোগিতা করতে পারে। এর মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী ভিত্তি পাবে।
রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়িয়ে চাকরি সৃষ্টিতে চীনের ভূমিকা রাখতে আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং বাণিজ্যমন্ত্রীকে চীন সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানান।

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল বৈঠক করেছে। আজ বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর অফিসে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যকার বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ রিটেইল চেইন ‘স্বপ্ন’র পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান এসিআই লজিস্টিকস লিমিটেডের সঙ্গে অংশীদার হতে সম্মত হয়েছে জাপানের বিশ্বখ্যাত বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান মিতসুই অ্যান্ড কোং লিমিটেড। সমস্ত আইনগত অনুমোদন সাপেক্ষে, মিতসুইয়ের সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠান ‘মিতসুই অ্যান্ড কোং (এশিয়া প্যাসিফিক)
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বিদ্যমান বাণিজ্যচুক্তি ও মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিকল্প শুল্কব্যবস্থা নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্ব এখনো কাটেনি। এই বাস্তবতায় পরিস্থিতির ওপর সতর্ক দৃষ্টি রাখার কৌশল নিয়েছে সরকার। বিষয়টি জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদ থেকে ড. আহসান এইচ মনসুরকে সরিয়ে নতুন গভর্নর নিয়োগের সিদ্ধান্তকে ‘স্বাভাবিক প্রশাসনিক পরিবর্তন’ হিসেবে দেখছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তাঁর ভাষায়, নতুন সরকারের অগ্রাধিকার ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে যেখানে প্রয়োজন, সেখানেই পরিবর্তন আসবে এবং তা চলমান থাকবে।
৪ ঘণ্টা আগে