নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ডলার কারসাজির মাধ্যমে অতিরিক্ত মুনাফা করার অভিযোগে এবার ছয় ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইওকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংকগুলো হলো—ব্র্যাক ব্যাংক, ডাচ বাংলা ব্যাংক, সাউথ ইস্ট ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, ও স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক।
গতকাল বুধবার রাতে ব্যাংকগুলোর নির্বাহীপ্রধানকে চিঠি দিয়ে অতি মুনাফার বিষয়ে জানতে চেয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর আগে ওই ব্যাংকগুলোর ট্রেজারি বিভাগের প্রধানদের অন্যত্র সরিয়ে দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
এ ছাড়া আরও ১২টি ব্যাংকের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত মুনাফা ও ডলার কারসাজির অভিযোগ পেয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
শোকজপ্রাপ্তরা হলেন—ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও সেলিম আরএফ হোসেন, ডাচ-বাংলা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও আবুল কাশেম শিরিন, সাউথইস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও এম. কামাল হোসেন, প্রাইম ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও হাসান ও. রশীদ, সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মাসরুর আরেফিন এবং ও স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের বাংলাদেশ সিইও নাসের এজাজ বিজয়।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ডলার কারসাজির ও অতি মুনাফার দায়ে ওই ছয় ব্যাংকের সিইওকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এছড়া আরও ডজনখানেক ব্যাংকের বিরুদ্ধে একই রকম অভিযোগ পাওয়া গেছে। যাচাই-বাছাই করে দোষ প্রমাণিত হলে তাঁদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একজন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ডলার কারজারি করে অস্বাভাবিক মুনাফা করা ১২টি ব্যাংকের মধ্যে রয়েছে—ব্যাংক এশিয়া, ইসলামী ব্যাংক, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক, এনসিসি ব্যাংক, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক ও ইস্টার্ন ব্যাংক।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্বব্যাংক ঢাকা আবাসিক মিশনের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ব্যাংকের অতিরিক্ত মুনাফার কোনো আইনে অপরাধ তা বাংলাদেশ ব্যাংক পরিষ্কার করেনি। আর অতি মুনাফা করা অনেক ব্যাংকের তথ্য পেলেও কেন শুধু ছয় ব্যাংকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক? এটা একটা বৈষম্য। এ ছাড়া রেগুলেটরি হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে কেন? ব্যক্তি কী নিজস্ব হিসাব ব্যবহার করে কারসাজি করেছে? তা তো বলছে না। এভাবে ব্যবস্থা নিলে ব্যাংক খাতে অনীহা সৃষ্টি হবে।’

ডলার কারসাজির মাধ্যমে অতিরিক্ত মুনাফা করার অভিযোগে এবার ছয় ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইওকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংকগুলো হলো—ব্র্যাক ব্যাংক, ডাচ বাংলা ব্যাংক, সাউথ ইস্ট ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, ও স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক।
গতকাল বুধবার রাতে ব্যাংকগুলোর নির্বাহীপ্রধানকে চিঠি দিয়ে অতি মুনাফার বিষয়ে জানতে চেয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর আগে ওই ব্যাংকগুলোর ট্রেজারি বিভাগের প্রধানদের অন্যত্র সরিয়ে দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
এ ছাড়া আরও ১২টি ব্যাংকের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত মুনাফা ও ডলার কারসাজির অভিযোগ পেয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
শোকজপ্রাপ্তরা হলেন—ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও সেলিম আরএফ হোসেন, ডাচ-বাংলা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও আবুল কাশেম শিরিন, সাউথইস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও এম. কামাল হোসেন, প্রাইম ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও হাসান ও. রশীদ, সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মাসরুর আরেফিন এবং ও স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের বাংলাদেশ সিইও নাসের এজাজ বিজয়।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ডলার কারসাজির ও অতি মুনাফার দায়ে ওই ছয় ব্যাংকের সিইওকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এছড়া আরও ডজনখানেক ব্যাংকের বিরুদ্ধে একই রকম অভিযোগ পাওয়া গেছে। যাচাই-বাছাই করে দোষ প্রমাণিত হলে তাঁদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একজন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ডলার কারজারি করে অস্বাভাবিক মুনাফা করা ১২টি ব্যাংকের মধ্যে রয়েছে—ব্যাংক এশিয়া, ইসলামী ব্যাংক, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক, এনসিসি ব্যাংক, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক ও ইস্টার্ন ব্যাংক।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্বব্যাংক ঢাকা আবাসিক মিশনের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ব্যাংকের অতিরিক্ত মুনাফার কোনো আইনে অপরাধ তা বাংলাদেশ ব্যাংক পরিষ্কার করেনি। আর অতি মুনাফা করা অনেক ব্যাংকের তথ্য পেলেও কেন শুধু ছয় ব্যাংকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক? এটা একটা বৈষম্য। এ ছাড়া রেগুলেটরি হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে কেন? ব্যক্তি কী নিজস্ব হিসাব ব্যবহার করে কারসাজি করেছে? তা তো বলছে না। এভাবে ব্যবস্থা নিলে ব্যাংক খাতে অনীহা সৃষ্টি হবে।’

ব্যাংক খাতকে ঘিরে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নানামুখী পদক্ষেপ শেষ পর্যন্ত দীর্ঘদিনের ভয় ও অনিশ্চয়তা ধীরে ধীরে কাটতে শুরু করেছে। অনিয়ম-দুর্নীতি আর লুটপাটের অভিযোগে যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছিল, সেই জায়গা থেকে মানুষ আবার ব্যাংকমুখী হচ্ছে। একসময় আতঙ্কে তুলে নেওয়া নগদ টাকা এখন ফের জমা পড়ছে ব্যাংকে।
৭ ঘণ্টা আগে
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) বড় ধরনের কাটছাঁটের মুখে পড়ছে আটটি মেগা প্রকল্প। পরিকল্পনা কমিশনের খসড়া অনুযায়ী, এসব প্রকল্পে বরাদ্দ কমছে মোট ১৩ হাজার ৩৪৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা। অবকাঠামো খাতেই এই সংকোচন সবচেয়ে বেশি।
৭ ঘণ্টা আগে
দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে বড় ধরনের মন্দা দেখা দেওয়ায় হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ঘাটতি হয়েছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) এ ঘাটতির পরিমাণ ১ হাজার ১৩ কোটি টাকা।
৭ ঘণ্টা আগে
বিশ্ব অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা থাকলেও টানা দুই প্রান্তিকে বাংলাদেশে প্রকৃত বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) বেড়েছে। বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) গতকাল রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে