
কয়েক মাস আগেও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নিয়ে যে চাপ ও অনিশ্চয়তা ছিল, সেখান থেকে ধীরে ধীরে স্বস্তির ইঙ্গিত মিলছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাম্প্রতিক তথ্য বলছে, রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫ দশমিক ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। প্রায় ৩৯ মাস পর আবারও এই স্তর অতিক্রম করায় অর্থনীতিতে একটি ইতিবাচক বার্তা তৈরি হয়েছে।

দেশজুড়ে ছেঁড়া-ফাটা, ত্রুটিপূর্ণ ও ময়লাযুক্ত নোটের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় সব তফসিলি ব্যাংককে এ ধরনের নোট গ্রহণ ও বিনিময়মূল্য প্রদান বাধ্যতামূলক করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে নির্দেশনা অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

তিনি বলেন, ‘এই পরিস্থিতি অর্থনীতিকে মন্দার দিকে ঠেলে দিতে পারে তা এখনই বলছি না, তবে আমাদের ধারণার চেয়েও অনেক বেশি দুর্বল করে দিতে পারে।’

বাংলাদেশ ব্যাংক বিশেষ কাউন্টার খুলে গ্রাহক পর্যায়ে নতুন নোট দেওয়া বন্ধ করলেও ব্যাংকগুলোর চাহিদা মতো টাকা সরবরাহ করছে। এ ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ইস্যু করা জুলাই গ্রাফিতিসহ নতুন ডিজাইনের নোট দেওয়া হচ্ছে বেশি। পুরোনো ডিজাইনের নোটও যাচ্ছে ব্যাংকগুলোর কাছে। কিন্তু অনেক ব্যাংকের শাখায় গ্রাহকেরা