
সিটিজেনস ব্যাংক পিএলসির শরিয়াহ সুপারভাইজরি কমিটির প্রথম সভা সম্প্রতি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় ইসলামিক ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রণীত বিভিন্ন নীতিমালা, নির্দেশিকা ও কার্যপদ্ধতি পর্যালোচনা এবং অনুমোদন করা হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন শরিয়াহ সুপারভাইজরি কমিটির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আব্দুস সামাদ। কমিটির সদস্য ড. মুফতি মুহাম্মদ আবু ইউসুফ ও মুফতি মুঈনুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া সিটিজেনস ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আলমগীর হোসেন সভায় অংশ নেন।
সভায় ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও মো. আবদুল লতিফ, ইসলামিক ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম শিকদারসহ বিভাগের অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় শরিয়াহ পরিপালন, সেবার মানোন্নয়ন, বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনা এবং শরিয়াহসম্মত পণ্য ও সেবার পরিচালনাসংক্রান্ত বিভিন্ন নীতিমালা ও কার্যপ্রক্রিয়া অনুমোদন করা হয়।
এ সময় কমিটির সদস্যরা সিটিজেনস ব্যাংকের ইসলামিক ব্যাংকিং সেবা চালুর লক্ষ্যে গৃহীত প্রস্তুতি ও কৌশলগত উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তাঁরা আশা প্রকাশ করেন, সিটিজেনস ব্যাংকের ইসলামিক ব্যাংকিং কার্যক্রম দেশের ইসলামিক ব্যাংকিং খাতের বিকাশ ও সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং শরিয়াহসম্মত ব্যাংকিং সেবায় একটি নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে।

এনসিসি ব্যাংকের শরিয়াহ সুপারভাইজরি কমিটির ১০ম সভা সম্প্রতি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এনসিসি ব্যাংক ভবনের বোর্ড রুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় ইসলামিক ব্যাংকিংয়ের বিভিন্ন আমানত ও বিনিয়োগসেবা পর্যালোচনা শেষে অনুমোদন দেওয়া হয়।
৩৬ মিনিট আগে
আজ সোমবার সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ভ্যাটসহ স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
ভঙ্গুর অর্থনীতি নিয়ে যাত্রা শুরু করা বর্তমান সরকারের সামনে এখন তিনটি বড় সংকট—কর্মসংস্থান, বিনিয়োগ ও জ্বালানি। এসব চ্যালেঞ্জ দক্ষতার সঙ্গে কার্যকরভাবে মোকাবিলা না করা গেলে বাজেট বাস্তবায়ন ও অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার দীর্ঘসূত্রতায় আটকে যেতে পারে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী নেতারা।
১৯ ঘণ্টা আগে
ইউরোপের বাজারে তৈরি পোশাক রপ্তানি প্রতিযোগিতার দৌড়ে ক্রমেই পিছিয়ে পড়ার আভাস মিলছে বাংলাদেশের। বৈশ্বিক চাহিদা কমে যাওয়ার প্রভাব সব রপ্তানিকারক দেশের ওপর পড়লেও, বাংলাদেশে প্রভাব একটু বেশি। বিশেষ করে ইইউর বাজারে অন্যতম প্রতিযোগী চীন ও ভিয়েতনামের তুলনায় বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির ছন্দপতন উল্লেখ করার মতো।
১৯ ঘণ্টা আগে