দেশের বাজারে সোনার দাম আরও কিছুটা কমানো হয়েছে। সব থেকে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম ৩১৫ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ১২ হাজার ৬১৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
আজ রোববার বিকেল থেকেই এই দাম কার্যকর হয়েছে বলে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।
এর আগে, গত ২৭ এপ্রিল, ২৫ এপ্রিল, ২৪ এপ্রিল ও ২৩ এপ্রিল চার দফা সোনার দাম কমানো হয়। ২৭ এপ্রিল ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম ৬৩০ টাকা, ২৫ এপ্রিল ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম ৬৩০ টাকা, ২৪ এপ্রিল ২ হাজার ৯৯ টাকা এবং ২৩ এপ্রিল ৩ হাজার ১৩৮ টাকা কমানো হয়। আজ আবার দাম কমানোর মাধ্যমে পাঁচ দফায় ভালো মানের সোনার দাম ভরিতে ৬ হাজার ৮১২ টাকা কমল।
নতুন মূল্য অনুযায়ী, সব থেকে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ লাখ ১২ হাজার ৬১৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ৩০৪ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৭ হাজার ৪৯৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২৫৬ টাকা কমিয়ে ৯২ হাজার ৪০২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির এক ভরি সোনার দাম ২১০ টাকা কমিয়ে ৭৬ হাজার ৬৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সোনার দাম কমানো হলেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ২ হাজার ১০০ টাকা, ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ১ হাজার ৭১৫ টাকা এবং সনাতনি এক ভরি রুপার দাম ১ হাজার ২৮৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

জ্বালানি তেল নিয়ে সংকট ও লুকোচুরি কমাতে ফিলিং স্টেশনগুলোকে ডিপো থেকে দৈনিক পাওয়া তেলের হিসাব প্রকাশ করতে বলেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)। তবে গতকাল শুক্রবার দেওয়া এই নির্দেশনাটি দাপ্তরিক ওয়েবসাইট কিংবা কোনো গণমাধ্যমে পাঠায়নি সংস্থাটি।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশের বাজারে আবারও বেড়েছে সোনার দাম। এর আগে আজ শনিবার সকাল ১০টায় এক জরুরি সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সোনার দাম বাড়ায় বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার বিকেল ৪টা থেকে নতুন দাম নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।
৫ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তানের অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্যিক ব্যাংক আলফালাহ লিমিটেডের (বিএএফএল) বাংলাদেশের ব্যবসা বিক্রির প্রস্তাব অনুমোদন করেছেন ব্যাংকটির শেয়ারহোল্ডাররা। ঢাকার বেসরকারি খাতের বাণিজ্যিক ব্যাংক ব্যাংক এশিয়ার কাছে প্রায় ৪ কোটি ৭৫ লাখ মার্কিন ডলারে এই কার্যক্রম বিক্রি করা হচ্ছে।
৮ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি চিন্তায় ফেলে দিয়েছে বাংলাদেশের কৃষি খাতকে। বিশেষ করে জ্বালানি তেল ও সারের সরবরাহ নিয়ে সমগ্র বিশ্বের মতো উদ্বিগ্ন বাংলাদেশের কৃষকেরাও। দেশে সারের মোট চাহিদার একটি বড় অংশ আসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরব ও কাতার থেকে।
৯ ঘণ্টা আগে