নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বাংলাদেশে আরও তিনটি কারখানাকে লিড সনদ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ইউএস গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল (ইউএসজিবিসি)। এর মধ্যে ইউএসজিবিসি থেকে সর্বোচ্চ ১০৭ নম্বর পেয়ে বিশ্বের সেরা পরিবেশবান্ধব তৈরি পোশাক কারখানার স্বীকৃতি অর্জন করেছে গাজীপুরের কাশিমপুরে অবস্থিত তাসনিয়া ফ্যাব্রিকস লিমিটেডের প্রশাসনিক ভবন।
এর মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব শিল্পায়নের নতুন মাইলফলক ছুঁয়েছে বাংলাদেশ।
সনদপ্রাপ্ত অন্য দুটি কারখানা হলো—গাজীপুরের তাসনিয়া ফ্যাব্রিকস (গার্মেন্টস ভবন)– ১০৬ নম্বর ও কমফিট গোল্ডেন লিফ (মির্জাপুর)– ৮০ নম্বর।
তাসনিয়া ফ্যাব্রিকস লিমিটেডের প্রশাসনিক ভবনকে এ সনদ ‘লিড’ (লিডারশিপ ইন এনার্জি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ডিজাইন) প্লাটিনাম ক্যাটাগরিতে দেওয়া হয়েছে, যা এ পর্যন্ত প্রাপ্ত সর্বোচ্চ স্কোর।
তাসনিয়া ফ্যাব্রিকসের প্রশাসনিক ভবনের পাশাপাশি তাদের পোশাক উৎপাদন ভবন পেয়েছে ১০৬ নম্বর, যা যৌথভাবে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে এসএম সোর্সিংয়ের সঙ্গে। এর মাধ্যমে প্রথম ও দ্বিতীয় স্থান এখন বাংলাদেশেরই দখলে।
মূলত, ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত ইউএসজিবিসির দেওয়া ‘লিড’ সার্টিফিকেশন হলো পরিবেশবান্ধব নির্মাণের সর্বোচ্চ স্বীকৃতি। এটি মূলত ৯টি মানদণ্ডের ওপর ভিত্তি করে দেওয়া হয়। যার মধ্যে রয়েছে জ্বালানি দক্ষতা, পানির ব্যবহার, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নির্মাণ উপকরণ, পরিবেশের ওপর প্রভাব। ১১০ নম্বরের মধ্যে কোনো ভবন ৮০-এর বেশি পেলে ‘লিড প্লাটিনাম’, ৬০-৭৯ হলে ‘গোল্ড’, ৫০-৫৯ হলে ‘সিলভার’ এবং ৪০-৪৯ ‘সার্টিফাইড’ হিসেবে স্বীকৃত হয়।
বিজিএমইএ ও ইউএসজিবিসি সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে বাংলাদেশে মোট ২৪৩টি পোশাক ও টেক্সটাইল কারখানা ‘লিড’ সনদ পেয়েছে। এর মধ্যে ১০১টি কারখানা পেয়েছে ‘প্লাটিনাম’ সার্টিফিকেশন, ১২৮টি ‘গোল্ড’, ১০টি ‘সিলভার’ এবং ৪টি ‘সার্টিফায়েড’ পর্যায়ে রয়েছে।
এ ছাড়া বিশ্বের শীর্ষ ১০টি পরিবেশবান্ধব তৈরি পোশাক কারখানার মধ্যে এখন ৯টিই বাংলাদেশে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে—তাসনিয়া ফ্যাব্রিকস (প্রশাসনিক ও গার্মেন্টস ভবন), এসএম সোর্সিং, গ্রিন টেক্সটাইল, নিট এশিয়া, ইন্টিগ্রা ড্রেসেস, রেমি হোল্ডিংস, ফতুল্লা অ্যাপারেলস এবং একটি প্রতিষ্ঠান পরিচয় গোপন রাখা হয়েছে।
বাংলাদেশ গার্মেন্টস প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সাবেক পরিচালক ও ডেনিম এক্সপার্ট লিমিটেডের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, এটি শুধু কারিগরি অর্জন নয়, বরং টেকসই উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি গঠনের দিক থেকেও এক ঐতিহাসিক মাইলফলক।
তিনি জানান, ভবিষ্যতের বৈশ্বিক বাজারে ইএসজি মানদণ্ড পূরণ করাই হবে টিকে থাকার অন্যতম শর্ত। বাংলাদেশের এই অর্জন আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের কাছে দেশের প্রতি আস্থা ও আকর্ষণ আরও বাড়াবে। একই সঙ্গে এটি কেবল পোশাকশিল্প নয়, বরং অন্যান্য শিল্পের জন্যও সবুজ ভবন নির্মাণের একটি নতুন মানদণ্ড স্থাপন করবে।

বাংলাদেশে আরও তিনটি কারখানাকে লিড সনদ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ইউএস গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল (ইউএসজিবিসি)। এর মধ্যে ইউএসজিবিসি থেকে সর্বোচ্চ ১০৭ নম্বর পেয়ে বিশ্বের সেরা পরিবেশবান্ধব তৈরি পোশাক কারখানার স্বীকৃতি অর্জন করেছে গাজীপুরের কাশিমপুরে অবস্থিত তাসনিয়া ফ্যাব্রিকস লিমিটেডের প্রশাসনিক ভবন।
এর মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব শিল্পায়নের নতুন মাইলফলক ছুঁয়েছে বাংলাদেশ।
সনদপ্রাপ্ত অন্য দুটি কারখানা হলো—গাজীপুরের তাসনিয়া ফ্যাব্রিকস (গার্মেন্টস ভবন)– ১০৬ নম্বর ও কমফিট গোল্ডেন লিফ (মির্জাপুর)– ৮০ নম্বর।
তাসনিয়া ফ্যাব্রিকস লিমিটেডের প্রশাসনিক ভবনকে এ সনদ ‘লিড’ (লিডারশিপ ইন এনার্জি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ডিজাইন) প্লাটিনাম ক্যাটাগরিতে দেওয়া হয়েছে, যা এ পর্যন্ত প্রাপ্ত সর্বোচ্চ স্কোর।
তাসনিয়া ফ্যাব্রিকসের প্রশাসনিক ভবনের পাশাপাশি তাদের পোশাক উৎপাদন ভবন পেয়েছে ১০৬ নম্বর, যা যৌথভাবে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে এসএম সোর্সিংয়ের সঙ্গে। এর মাধ্যমে প্রথম ও দ্বিতীয় স্থান এখন বাংলাদেশেরই দখলে।
মূলত, ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত ইউএসজিবিসির দেওয়া ‘লিড’ সার্টিফিকেশন হলো পরিবেশবান্ধব নির্মাণের সর্বোচ্চ স্বীকৃতি। এটি মূলত ৯টি মানদণ্ডের ওপর ভিত্তি করে দেওয়া হয়। যার মধ্যে রয়েছে জ্বালানি দক্ষতা, পানির ব্যবহার, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নির্মাণ উপকরণ, পরিবেশের ওপর প্রভাব। ১১০ নম্বরের মধ্যে কোনো ভবন ৮০-এর বেশি পেলে ‘লিড প্লাটিনাম’, ৬০-৭৯ হলে ‘গোল্ড’, ৫০-৫৯ হলে ‘সিলভার’ এবং ৪০-৪৯ ‘সার্টিফাইড’ হিসেবে স্বীকৃত হয়।
বিজিএমইএ ও ইউএসজিবিসি সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে বাংলাদেশে মোট ২৪৩টি পোশাক ও টেক্সটাইল কারখানা ‘লিড’ সনদ পেয়েছে। এর মধ্যে ১০১টি কারখানা পেয়েছে ‘প্লাটিনাম’ সার্টিফিকেশন, ১২৮টি ‘গোল্ড’, ১০টি ‘সিলভার’ এবং ৪টি ‘সার্টিফায়েড’ পর্যায়ে রয়েছে।
এ ছাড়া বিশ্বের শীর্ষ ১০টি পরিবেশবান্ধব তৈরি পোশাক কারখানার মধ্যে এখন ৯টিই বাংলাদেশে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে—তাসনিয়া ফ্যাব্রিকস (প্রশাসনিক ও গার্মেন্টস ভবন), এসএম সোর্সিং, গ্রিন টেক্সটাইল, নিট এশিয়া, ইন্টিগ্রা ড্রেসেস, রেমি হোল্ডিংস, ফতুল্লা অ্যাপারেলস এবং একটি প্রতিষ্ঠান পরিচয় গোপন রাখা হয়েছে।
বাংলাদেশ গার্মেন্টস প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সাবেক পরিচালক ও ডেনিম এক্সপার্ট লিমিটেডের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, এটি শুধু কারিগরি অর্জন নয়, বরং টেকসই উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি গঠনের দিক থেকেও এক ঐতিহাসিক মাইলফলক।
তিনি জানান, ভবিষ্যতের বৈশ্বিক বাজারে ইএসজি মানদণ্ড পূরণ করাই হবে টিকে থাকার অন্যতম শর্ত। বাংলাদেশের এই অর্জন আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের কাছে দেশের প্রতি আস্থা ও আকর্ষণ আরও বাড়াবে। একই সঙ্গে এটি কেবল পোশাকশিল্প নয়, বরং অন্যান্য শিল্পের জন্যও সবুজ ভবন নির্মাণের একটি নতুন মানদণ্ড স্থাপন করবে।

নেপাল ও বাংলাদেশ ঢাকায় বাণিজ্যসচিব পর্যায়ের বৈঠক পুনরায় শুরু করতে যাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা বিষয়গুলো, বিশেষ করে প্রস্তাবিত দ্বিপক্ষীয় প্রেফারেনশিয়াল ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট (পিটিএ) বা অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি এবং এর আওতাভুক্ত পণ্যের তালিকার বিষয়টি পুনরায় আলোচনায় আসবে।
২ ঘণ্টা আগে
ব্যাংক খাতকে ঘিরে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নানামুখী পদক্ষেপ শেষ পর্যন্ত দীর্ঘদিনের ভয় ও অনিশ্চয়তা ধীরে ধীরে কাটতে শুরু করেছে। অনিয়ম-দুর্নীতি আর লুটপাটের অভিযোগে যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছিল, সেই জায়গা থেকে মানুষ আবার ব্যাংকমুখী হচ্ছে। একসময় আতঙ্কে তুলে নেওয়া নগদ টাকা এখন ফের জমা পড়ছে ব্যাংকে।
১০ ঘণ্টা আগে
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) বড় ধরনের কাটছাঁটের মুখে পড়ছে আটটি মেগা প্রকল্প। পরিকল্পনা কমিশনের খসড়া অনুযায়ী, এসব প্রকল্পে বরাদ্দ কমছে মোট ১৩ হাজার ৩৪৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা। অবকাঠামো খাতেই এই সংকোচন সবচেয়ে বেশি।
১০ ঘণ্টা আগে
দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে বড় ধরনের মন্দা দেখা দেওয়ায় হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ঘাটতি হয়েছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) এ ঘাটতির পরিমাণ ১ হাজার ১৩ কোটি টাকা।
১০ ঘণ্টা আগে