বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি

দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে বড় ধরনের মন্দা দেখা দেওয়ায় হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ঘাটতি হয়েছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) এ ঘাটতির পরিমাণ ১ হাজার ১৩ কোটি টাকা। বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা, নিরাপত্তাজনিত অনিশ্চয়তা, শুল্ক ফাঁকি ও বন্দরের কার্যকর ব্যবস্থাপনার অভাবে এই সংকট তৈরি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও বন্দর ব্যবহারকারীরা মনে করছেন।
চলতি অর্থবছরে বেনাপোল কাস্টম হাউসের জন্য ৮ হাজার ৩৭০ কোটি টাকার রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এর মধ্যে প্রথম ছয় মাসে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪ হাজার ১৩৩ কোটি টাকা। কিন্তু আদায় হয়েছে ৩ হাজার ১২০ কোটি টাকা, ফলে ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১৩ কোটি টাকা।
বেনাপোল বন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, স্বাভাবিক সময়ে বেনাপোল দিয়ে প্রতিদিন ভারত থেকে ছয়-সাত শ ট্রাক পণ্য আমদানি ও আড়াই থেকে তিন শ ট্রাক পণ্য রপ্তানি হয়। কিন্তু সর্বশেষ ১০ জানুয়ারি আমদানি হয়েছে মাত্র ২৫৬ ট্রাক এবং রপ্তানি হয়েছে ৮০ ট্রাক। এই তীব্র পতনের সরাসরি প্রভাব পড়েছে রাজস্বে।
বেনাপোল ট্রান্সপোর্ট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আজিম উদ্দিন বলেন, ‘বন্দরে আমরাও নিরাপত্তা চাই। তবে নিরাপত্তার নামে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ট্রাক দাঁড় করিয়ে তল্লাশি চালানোয় ব্যবসায়ীরা নিরুৎসাহিত হচ্ছেন। ভারতের মতো বন্দরের প্রবেশমুখে স্ক্যানিং মেশিন বসালে সময় ও খরচ দুটোই কমবে।’
বেনাপোল কাস্টমসের তথ্য অনুযায়ী, জুলাই মাসে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫০৮ কোটি টাকা, আদায় হয়েছে ৫৪৪ কোটি টাকা। আগস্টের লক্ষ্য ছিল ৪৯৩ কোটি টাকা, আদায় হয়েছে ৪৪৭ কোটি টাকা। সেপ্টেম্বরের লক্ষ্য ছিল ৬০১ কোটি টাকা, আদায় হয়েছে ৫১৩ কোটি টাকা। অক্টোবরে লক্ষ্য ছিল ৬৪৫ কোটি টাকা, আদায় হয়েছে ৪৪৯ কোটি টাকা। নভেম্বরে লক্ষ্য ছিল ৭৫৫ কোটি টাকা, আদায় হয়েছে ৫৬৪ কোটি টাকা। ডিসেম্বরে লক্ষ্য ছিল ১ হাজার ১৩১ কোটি টাকা, আদায় হয়েছে ৬০০ কোটি টাকা।
বেনাপোল কাস্টম হাউসের সহকারী কমিশনার রাহাত হোসেন বলেন, ‘শুল্ক ফাঁকির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। যদিও প্রথম ছয় মাসে রাজস্ব কমেছে, তবে বাণিজ্য স্বাভাবিক হলে অর্থবছর শেষে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব বলে আমরা আশা করছি।’

দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে বড় ধরনের মন্দা দেখা দেওয়ায় হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ঘাটতি হয়েছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) এ ঘাটতির পরিমাণ ১ হাজার ১৩ কোটি টাকা। বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা, নিরাপত্তাজনিত অনিশ্চয়তা, শুল্ক ফাঁকি ও বন্দরের কার্যকর ব্যবস্থাপনার অভাবে এই সংকট তৈরি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও বন্দর ব্যবহারকারীরা মনে করছেন।
চলতি অর্থবছরে বেনাপোল কাস্টম হাউসের জন্য ৮ হাজার ৩৭০ কোটি টাকার রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এর মধ্যে প্রথম ছয় মাসে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪ হাজার ১৩৩ কোটি টাকা। কিন্তু আদায় হয়েছে ৩ হাজার ১২০ কোটি টাকা, ফলে ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১৩ কোটি টাকা।
বেনাপোল বন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, স্বাভাবিক সময়ে বেনাপোল দিয়ে প্রতিদিন ভারত থেকে ছয়-সাত শ ট্রাক পণ্য আমদানি ও আড়াই থেকে তিন শ ট্রাক পণ্য রপ্তানি হয়। কিন্তু সর্বশেষ ১০ জানুয়ারি আমদানি হয়েছে মাত্র ২৫৬ ট্রাক এবং রপ্তানি হয়েছে ৮০ ট্রাক। এই তীব্র পতনের সরাসরি প্রভাব পড়েছে রাজস্বে।
বেনাপোল ট্রান্সপোর্ট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আজিম উদ্দিন বলেন, ‘বন্দরে আমরাও নিরাপত্তা চাই। তবে নিরাপত্তার নামে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ট্রাক দাঁড় করিয়ে তল্লাশি চালানোয় ব্যবসায়ীরা নিরুৎসাহিত হচ্ছেন। ভারতের মতো বন্দরের প্রবেশমুখে স্ক্যানিং মেশিন বসালে সময় ও খরচ দুটোই কমবে।’
বেনাপোল কাস্টমসের তথ্য অনুযায়ী, জুলাই মাসে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫০৮ কোটি টাকা, আদায় হয়েছে ৫৪৪ কোটি টাকা। আগস্টের লক্ষ্য ছিল ৪৯৩ কোটি টাকা, আদায় হয়েছে ৪৪৭ কোটি টাকা। সেপ্টেম্বরের লক্ষ্য ছিল ৬০১ কোটি টাকা, আদায় হয়েছে ৫১৩ কোটি টাকা। অক্টোবরে লক্ষ্য ছিল ৬৪৫ কোটি টাকা, আদায় হয়েছে ৪৪৯ কোটি টাকা। নভেম্বরে লক্ষ্য ছিল ৭৫৫ কোটি টাকা, আদায় হয়েছে ৫৬৪ কোটি টাকা। ডিসেম্বরে লক্ষ্য ছিল ১ হাজার ১৩১ কোটি টাকা, আদায় হয়েছে ৬০০ কোটি টাকা।
বেনাপোল কাস্টম হাউসের সহকারী কমিশনার রাহাত হোসেন বলেন, ‘শুল্ক ফাঁকির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। যদিও প্রথম ছয় মাসে রাজস্ব কমেছে, তবে বাণিজ্য স্বাভাবিক হলে অর্থবছর শেষে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব বলে আমরা আশা করছি।’

ব্যাংক খাতকে ঘিরে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নানামুখী পদক্ষেপ শেষ পর্যন্ত দীর্ঘদিনের ভয় ও অনিশ্চয়তা ধীরে ধীরে কাটতে শুরু করেছে। অনিয়ম-দুর্নীতি আর লুটপাটের অভিযোগে যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছিল, সেই জায়গা থেকে মানুষ আবার ব্যাংকমুখী হচ্ছে। একসময় আতঙ্কে তুলে নেওয়া নগদ টাকা এখন ফের জমা পড়ছে ব্যাংকে।
৬ ঘণ্টা আগে
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) বড় ধরনের কাটছাঁটের মুখে পড়ছে আটটি মেগা প্রকল্প। পরিকল্পনা কমিশনের খসড়া অনুযায়ী, এসব প্রকল্পে বরাদ্দ কমছে মোট ১৩ হাজার ৩৪৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা। অবকাঠামো খাতেই এই সংকোচন সবচেয়ে বেশি।
৬ ঘণ্টা আগে
বিশ্ব অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা থাকলেও টানা দুই প্রান্তিকে বাংলাদেশে প্রকৃত বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) বেড়েছে। বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) গতকাল রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
নতুন উদ্যোক্তা তৈরি এবং দেশের উদীয়মান ব্যবসায়ী উদ্যোগগুলোকে সহায়তা করতে বাংলাদেশ ব্যাংক ৫০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ পুনঃ অর্থায়ন তহবিল গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। এ তহবিল বাস্তবায়নে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে একটি অংশগ্রহণ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে এনআরবি ব্যাংক পিএলসি।
১০ ঘণ্টা আগে