বালিয়াডাঙ্গী (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হয়েছেন মো. সফিকুল ইসলাম। বড় ভাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ আলীকে হারিয়ে চেয়ারম্যান হয়েছেন তিনি। গতকাল বুধবার রাতে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাচন অফিসার দলিল উদ্দীন বেসরকারি এই ফল ঘোষণা করেন।
চেয়ারম্যান পদে মো. সফিকুল ইসলাম আনারস প্রতীকে ৬৩ হাজার ৭৬২ ভোট পেয়েছেন। তাঁর বড় ভাই নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোহাম্মদ আলী মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ১২ হাজার ৬২ ভোট। এ ছাড়া অপর দুই চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলী আফসার মুকুট প্রতীকে পেয়েছেন ২২১ ভোট এবং আব্দুর রাজ্জাক চিংড়ি মাছ প্রতীকে পেয়েছেন ২৭৪ ভোট।
বড় ভাই মোহাম্মদ আলী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আর ছোট ভাই মো. সফিকুল ইসলাম উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য। তাঁরা দুজনই উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান। জানতে চাইলে ছোট ভাইয়ের কাছে পরাজয় প্রসঙ্গে মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘স্থানীয় এমপি, ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা তার পক্ষে কাজ করেছেন। এ ছাড়া প্রচুর কালো টাকা খরচ করেছে নির্বাচনে। কালো টাকা দিয়ে ভোটের দিন কর্মী-সমর্থক ও পোলিং এজেন্টদের কিনে নিয়েছে। এ জন্যই এত ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয়।’
তবে সফিকুল ইসলাম বলেন, ‘জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে দীর্ঘদিন ইউপি চেয়ারম্যান, পাঁচ বছর উপজেলা চেয়ারম্যান এবং দেড় বছর জেলা পরিষদের সদস্য হিসেবে এলাকার মানুষের সেবা করেছি। মানুষ ভালোবেসে আমাকে ভোট দিয়েছে। এ জয় পুরো উপজেলাবাসীর।’
সফিকুল ইসলাম আরও বলেন, ‘গ্রহণযোগ্যতা শূন্যের কোঠায় পৌঁছানোর কারণে বড় ভাই বিপুল ভোটে পরাজিত হয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষ তাঁর লোকজনের অত্যাচার, চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ। তিনি আমার বিরুদ্ধে ভোটের শুরু থেকে নানা অভিযোগ করে আসছেন। এসবের কোনো ভিত্তি নেই।’
ভাইস চেয়ারম্যান পদে মোমিনুল ইসলাম ভাসানী বই প্রতীকে ৫১ হাজার ৩৬০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বজলুর রহমান তালা প্রতীকে পেয়েছেন ২১ হাজার ১২১ ভোট। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সীমা আকতার সুমনা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় ৫৪টি ভোটকেন্দ্রে ৪৫৫টি বুথে ভোট গ্রহণ করা হয়েছে। উপজেলায় ১ লাখ ৬০ হাজার ৮৬৩ জন ভোটারের মধ্যে ৭৬ হাজার ৩১৯ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হয়েছেন মো. সফিকুল ইসলাম। বড় ভাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ আলীকে হারিয়ে চেয়ারম্যান হয়েছেন তিনি। গতকাল বুধবার রাতে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাচন অফিসার দলিল উদ্দীন বেসরকারি এই ফল ঘোষণা করেন।
চেয়ারম্যান পদে মো. সফিকুল ইসলাম আনারস প্রতীকে ৬৩ হাজার ৭৬২ ভোট পেয়েছেন। তাঁর বড় ভাই নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোহাম্মদ আলী মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ১২ হাজার ৬২ ভোট। এ ছাড়া অপর দুই চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলী আফসার মুকুট প্রতীকে পেয়েছেন ২২১ ভোট এবং আব্দুর রাজ্জাক চিংড়ি মাছ প্রতীকে পেয়েছেন ২৭৪ ভোট।
বড় ভাই মোহাম্মদ আলী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আর ছোট ভাই মো. সফিকুল ইসলাম উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য। তাঁরা দুজনই উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান। জানতে চাইলে ছোট ভাইয়ের কাছে পরাজয় প্রসঙ্গে মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘স্থানীয় এমপি, ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা তার পক্ষে কাজ করেছেন। এ ছাড়া প্রচুর কালো টাকা খরচ করেছে নির্বাচনে। কালো টাকা দিয়ে ভোটের দিন কর্মী-সমর্থক ও পোলিং এজেন্টদের কিনে নিয়েছে। এ জন্যই এত ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয়।’
তবে সফিকুল ইসলাম বলেন, ‘জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে দীর্ঘদিন ইউপি চেয়ারম্যান, পাঁচ বছর উপজেলা চেয়ারম্যান এবং দেড় বছর জেলা পরিষদের সদস্য হিসেবে এলাকার মানুষের সেবা করেছি। মানুষ ভালোবেসে আমাকে ভোট দিয়েছে। এ জয় পুরো উপজেলাবাসীর।’
সফিকুল ইসলাম আরও বলেন, ‘গ্রহণযোগ্যতা শূন্যের কোঠায় পৌঁছানোর কারণে বড় ভাই বিপুল ভোটে পরাজিত হয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষ তাঁর লোকজনের অত্যাচার, চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ। তিনি আমার বিরুদ্ধে ভোটের শুরু থেকে নানা অভিযোগ করে আসছেন। এসবের কোনো ভিত্তি নেই।’
ভাইস চেয়ারম্যান পদে মোমিনুল ইসলাম ভাসানী বই প্রতীকে ৫১ হাজার ৩৬০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বজলুর রহমান তালা প্রতীকে পেয়েছেন ২১ হাজার ১২১ ভোট। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সীমা আকতার সুমনা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় ৫৪টি ভোটকেন্দ্রে ৪৫৫টি বুথে ভোট গ্রহণ করা হয়েছে। উপজেলায় ১ লাখ ৬০ হাজার ৮৬৩ জন ভোটারের মধ্যে ৭৬ হাজার ৩১৯ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৪৪ মিনিট আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে