ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

ঠাকুরগাঁও পৌর শহরে নিখোঁজের দুই দিন পর বসতঘরের পেছন থেকে মো. নিবির (১৩) নামের এক শিশুর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শনিবার ভোরে শহরের সালান্দর মাদ্রাসাপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে।
নিহত নিবির সালান্দর মাদ্রাসাপাড়া এলাকার ওমানপ্রবাসী আব্দুস সালাম বাবুলের ছেলে। সে স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। তার লাশ উদ্ধারের বিষয় আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেন ঠাকুরগাঁও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ বি এম ফিরোজ ওয়াহিদ।
পুলিশ ও নিহত স্বজনেরা জানান, গত বৃহস্পতিবার দুপুরে খাবার খেয়ে বাড়ির পাশে বন্ধুদের সঙ্গে খেলতে যায় নিবির। এরপর থেকে সে আর বাড়ি ফিরে না আসায় বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও সন্ধান মেলেনি তার।
আজ ভোরে নিজেদের বাড়ির পেছন থেকে নিবিরের মরদেহ দেখতে পান তার মা শিল্পী খাতুন। এ সময় পুলিশে খবর দিলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন সদর থানার পুলিশ, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ও গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) বিভিন্ন কর্মকর্তা।
নিহতের মা শিল্পী খাতুন বলেন, ‘দুই দিন ধরে কত জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও নিবিরকে পাইনি। অথচ আজ তার লাশ বাড়ির পেছনে পাওয়া গেল। আমার সন্তানকে কেউ শত্রুতাবশত অপহরণ করে হত্যা করেছে। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।’
কীভাবে, কারা নিবিরকে হত্যা করেছে, তা জানাতে পারেননি স্বজন ও প্রতিবেশীরা। স্থানীয় ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. জমিরুল ইসলাম বলেন, ‘শনিবার রাতের কোনো এক সময় বাড়ির পেছনের গলিতে শিশুটির লাশ রেখে যায় ঘাতকেরা।’
ওসি ফিরোজ ওয়াহিদ বলেন, ‘শিশুটির মরদেহ ফুলে গেছে। হত্যাকাণ্ডটি আজকে সংঘটিত হয়নি। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন আসার পরে সঠিক তথ্য জানা যাবে। এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন। কারা, কী কারণে এ ঘটনা ঘটিয়েছে, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে পুলিশ। এর আগে শিশুটি নিখোঁজ হওয়ার পর তার মা থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।’

ঠাকুরগাঁও পৌর শহরে নিখোঁজের দুই দিন পর বসতঘরের পেছন থেকে মো. নিবির (১৩) নামের এক শিশুর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শনিবার ভোরে শহরের সালান্দর মাদ্রাসাপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে।
নিহত নিবির সালান্দর মাদ্রাসাপাড়া এলাকার ওমানপ্রবাসী আব্দুস সালাম বাবুলের ছেলে। সে স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। তার লাশ উদ্ধারের বিষয় আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেন ঠাকুরগাঁও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ বি এম ফিরোজ ওয়াহিদ।
পুলিশ ও নিহত স্বজনেরা জানান, গত বৃহস্পতিবার দুপুরে খাবার খেয়ে বাড়ির পাশে বন্ধুদের সঙ্গে খেলতে যায় নিবির। এরপর থেকে সে আর বাড়ি ফিরে না আসায় বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও সন্ধান মেলেনি তার।
আজ ভোরে নিজেদের বাড়ির পেছন থেকে নিবিরের মরদেহ দেখতে পান তার মা শিল্পী খাতুন। এ সময় পুলিশে খবর দিলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন সদর থানার পুলিশ, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ও গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) বিভিন্ন কর্মকর্তা।
নিহতের মা শিল্পী খাতুন বলেন, ‘দুই দিন ধরে কত জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও নিবিরকে পাইনি। অথচ আজ তার লাশ বাড়ির পেছনে পাওয়া গেল। আমার সন্তানকে কেউ শত্রুতাবশত অপহরণ করে হত্যা করেছে। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।’
কীভাবে, কারা নিবিরকে হত্যা করেছে, তা জানাতে পারেননি স্বজন ও প্রতিবেশীরা। স্থানীয় ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. জমিরুল ইসলাম বলেন, ‘শনিবার রাতের কোনো এক সময় বাড়ির পেছনের গলিতে শিশুটির লাশ রেখে যায় ঘাতকেরা।’
ওসি ফিরোজ ওয়াহিদ বলেন, ‘শিশুটির মরদেহ ফুলে গেছে। হত্যাকাণ্ডটি আজকে সংঘটিত হয়নি। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন আসার পরে সঠিক তথ্য জানা যাবে। এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন। কারা, কী কারণে এ ঘটনা ঘটিয়েছে, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে পুলিশ। এর আগে শিশুটি নিখোঁজ হওয়ার পর তার মা থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে