বালিয়াডাঙ্গী (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে চাঁদাবাজির অভিযোগে ওমর ফারুক পান্না নামের এক যুবদল নেতাকে বহিষ্কার করার ঘোষণা দিয়েছে উপজেলা বিএনপি। গতকাল রোববার রাত সাড়ে ৯টায় উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক মকবুল হোসেন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে এই বিষয়ে জানা গেছে।
বহিষ্কার ঘোষণা হওয়া উপজেলা যুবদলের নেতা ওমর ফারুক পান্নার দাবি, নিয়ম বহির্ভূতভাবে তাঁকে বহিষ্কার ঘোষণা করেছে উপজেলা বিএনপি। তাঁকে বহিষ্কারের এখতেয়ার উপজেলা বিএনপির নেই। ঠাকুরগাঁও জেলা যুবদল চাইলে তাঁকে বহিষ্কার করার ক্ষমতা রাখে।
বহিষ্কারের ঘোষণা হওয়া ওমর ফারুক পান্না বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা জাতীয়তাবাদী যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। সম্প্রতি সরকার পতনের পর গত ০৬ আগস্ট পাড়িয়া বাজারে একটি দোকানে চাঁদাবাজি করতে গিয়ে স্থানীয়রা তাঁকে আটক করে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে। এই ঘটনার ভিডিও ফুটেজ যাচাই-বাছাই করে দলীয় ভাবমূর্তি নষ্ট এবং শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয় উপজেলা বিএনপি।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, পাড়িয়া বাজারে ওমর ফারুক পান্নার সঙ্গে ছাত্রলীগ এবং ছাত্রদলের নেতাও চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত বলে ভিডিও ফুটেজে প্রমাণ মিলেছে। পরবর্তীতে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জানতে চাইলে মোবাইল ফোনে ওমর ফারুক পান্না বলেন, ‘ব্যক্তিগত আক্রোশ ও দলীয় গ্রুপিং কারণে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। তা ছাড়া ঠাকুরগাঁও জেলা যুবদল ছাড়া তাঁকে কেউ বহিষ্কার করতে পারেন না। এটা উপজেলা বিএনপি যা করেছে, নিয়ম বহির্ভূতভাবে করেছে।’
উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক টি এম মাহাবুবর রহমান বলেন, ‘দলের কেউ যদি সহিংসতা, ভাঙচুর, চাঁদাবাজির সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়, তাঁর প্রমাণ পেলে আমরা সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া নেব। ইতিমধ্যেই পদক্ষেপ নেওয়া শুরু হয়েছে।’

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে চাঁদাবাজির অভিযোগে ওমর ফারুক পান্না নামের এক যুবদল নেতাকে বহিষ্কার করার ঘোষণা দিয়েছে উপজেলা বিএনপি। গতকাল রোববার রাত সাড়ে ৯টায় উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক মকবুল হোসেন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে এই বিষয়ে জানা গেছে।
বহিষ্কার ঘোষণা হওয়া উপজেলা যুবদলের নেতা ওমর ফারুক পান্নার দাবি, নিয়ম বহির্ভূতভাবে তাঁকে বহিষ্কার ঘোষণা করেছে উপজেলা বিএনপি। তাঁকে বহিষ্কারের এখতেয়ার উপজেলা বিএনপির নেই। ঠাকুরগাঁও জেলা যুবদল চাইলে তাঁকে বহিষ্কার করার ক্ষমতা রাখে।
বহিষ্কারের ঘোষণা হওয়া ওমর ফারুক পান্না বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা জাতীয়তাবাদী যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। সম্প্রতি সরকার পতনের পর গত ০৬ আগস্ট পাড়িয়া বাজারে একটি দোকানে চাঁদাবাজি করতে গিয়ে স্থানীয়রা তাঁকে আটক করে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে। এই ঘটনার ভিডিও ফুটেজ যাচাই-বাছাই করে দলীয় ভাবমূর্তি নষ্ট এবং শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয় উপজেলা বিএনপি।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, পাড়িয়া বাজারে ওমর ফারুক পান্নার সঙ্গে ছাত্রলীগ এবং ছাত্রদলের নেতাও চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত বলে ভিডিও ফুটেজে প্রমাণ মিলেছে। পরবর্তীতে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জানতে চাইলে মোবাইল ফোনে ওমর ফারুক পান্না বলেন, ‘ব্যক্তিগত আক্রোশ ও দলীয় গ্রুপিং কারণে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। তা ছাড়া ঠাকুরগাঁও জেলা যুবদল ছাড়া তাঁকে কেউ বহিষ্কার করতে পারেন না। এটা উপজেলা বিএনপি যা করেছে, নিয়ম বহির্ভূতভাবে করেছে।’
উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক টি এম মাহাবুবর রহমান বলেন, ‘দলের কেউ যদি সহিংসতা, ভাঙচুর, চাঁদাবাজির সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়, তাঁর প্রমাণ পেলে আমরা সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া নেব। ইতিমধ্যেই পদক্ষেপ নেওয়া শুরু হয়েছে।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে