ইউক্রেনের বন্দরে আটকে পড়া ‘বাংলার সমৃদ্ধি’ জাহাজে কর্মরত রবিউল আওয়ালকে (৩২) উদ্ধারের দাবি জানিয়েছে তাঁর পরিবার। রবিউলকে প্রাণে বাঁচাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করেছে তাঁর পরিবার। ১১ দিন যাবৎ রবিউল ওই জাহাজে আটকে আছেন বলে জানিয়েছেন তাঁর বাবা হোসেন আলী।
রবিউল ‘বাংলার সমৃদ্ধি’ জাহাজের সেকেন্ড ইঞ্জিনিয়ার। তাঁর বাড়ি টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার পাহাড়পুর গ্রামে।
রবিউলের বড় ভাই ডা. আব্দুল আজিজ জানান, প্রায় ছয় মাস যাবৎ রবিউল ওই জাহাজে কর্মরত আছে। গত ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে সে ইউক্রেনের বন্দরে আটকা পড়ে আছে। গতকাল বুধবার সে আমাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মেসেজের মাধ্যমে জানায়, তাদের জাহাজে রকেট হামলা হয়েছে। এ ঘটনায় একজন নিহত হয়েছে।
আবদুল আজিজ বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনে ফোন দিয়ে খবর নিয়েছি। রবিউল সুস্থ আছে। কিন্তু রবিউলের বিষয়ে তারা আর কোন তথ্য দিতে পারছে না। আমরা সরকারে কাছে রবিউলসহ সব নাবিককে উদ্ধারের দাবি জানাচ্ছি।’
রবিউলের বাবা হোসেন আলী বলেন, ‘আমার ছেলে ইউক্রেনের বন্দরে আটকা পড়েছে। আমি সরকারের কাছে আবেদন জানাই, আমার ছেলেকে নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনা হোক।’
জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘তাদের দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আশা করছি, দ্রুতই রবিউলসহ যারা আটকা পড়েছে, তাদের দেশে ফিরিয়ে আনা হবে।’

আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপকে ঘিরে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে ফুটবলপ্রেমীদের উন্মাদনা। প্রিয় দলের পতাকা ও ব্যানারে ঘরবাড়ি সাজানোর দৃশ্য নতুন কিছু নয়। তবে এবার সেই উন্মাদনাকে এক ভিন্ন মাত্রা দিয়েছেন শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার পরিবহন ব্যবসায়ী ও ‘মাকসিম ট্রাভেলস’-এর স্বত্বাধিকারী গোলাম কিবরিয়া মাকসিম।
১৪ মিনিট আগে
জামালপুর থেকে ঢাকাগামী ব্রহ্মপুত্র ট্রেনের পাওয়ার কার লাইনচ্যুত হয়েছে। এতে ময়মনসিংহ-জামালপুর রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। এদিকে, লাইনচ্যুত ট্রেনটি উদ্ধার করতে যাওয়ার পথে রিলিফ ট্রেনও লাইনচ্যুত হয়েছে।
৪২ মিনিট আগে
সরকারি চাকরিবিধি অনুযায়ী উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রককে তাঁর নিজ কর্মস্থল এলাকায় সার্বক্ষণিক অবস্থান করা বাধ্যতামূলক। অথচ নেত্রকোনার আটপাড়া ও কেন্দুয়া উপজেলার দায়িত্বে থাকা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. ইমরান হোসেন ঢাকার সাভারে নিজ বাড়িতে বসবাস করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
১ ঘণ্টা আগে
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বিভিন্ন সড়ক দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। অধিকাংশ সড়কে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় খানাখন্দ। ফলে প্রতিদিন এসব সড়ক ব্যবহারকারী হাজারো মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বছরের পর বছর ভোগান্তি চললেও সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় ক্ষোভ বাড়ছে...
১ ঘণ্টা আগে