টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

‘আমার বাড়ির ওপর হামলার মধ্য দিয়ে এই চোরাগোপ্তা হামলা বন্ধ করা হোক। এটা সরকারের কাছে আমার নিবেদন।’ অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে এমন মন্তব্য করেছেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম।
আজ রোববার টাঙ্গাইল শহরের কবি নজরুল সরণির (জেলা সদর সড়ক) বাসভবনে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘আমার বাড়ি ভেঙেছে আরও ভাঙুক। বঙ্গবন্ধুর ৩২-এর বাড়িতে গিয়েছিলাম, আমার গাড়ি ভেঙেছিল। আরও ভেঙে যদি দেশে শান্তি স্থাপিত হয়, দেশের কল্যাণ হয়, আমি সব সময় রাজি আছি।’
কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘গত রাতে আমার বাড়িতে হামলা করেছে। কারা করেছে, জানি না। ১০-১২ জন লোক, তার মধ্যে বেশি বাচ্চা ছিল। ঢিল মেরেছে, গাড়ি ভেঙেছে। কোটাবিরোধী আন্দোলন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের পরে আমরা এই স্বৈরাচারী মনোভাব আশা করি নাই। আওয়ামী লীগ যদি স্বৈরাচারী হয়, তাহলে আজকের অ্যাক্টিভিটিকে (কর্মকাণ্ড) আমরা কী বলে অভিহিত করব।’
কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বলেন, ‘২৬ বছর হয় নতুন দল করেছি। রাতদিন সংগ্রাম করেছি। আওয়ামী লীগ আমাদের বহু প্রোগ্রাম করতে দেয় নাই। তারপরও যদি সবাইকে আওয়ামী লীগের দোসর বানানো হয়; তাহলে তো আমি মনে করব, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকে ব্যর্থ করার জন্য, ধ্বংস করার জন্য এ কোনো ষড়যন্ত্র কি না।’
বঙ্গবীর বলেন, ‘আমার কাছে মনে হয়, দেশটাকে অস্থিতিশীল করার জন্য জাতীয়-আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রকারীরা সুযোগ খুঁজছে। সেই সুযোগ অন্তর্বর্তী সরকার দিচ্ছে কি না, আমি ঠিক বলতে পারব না।’
কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘আমার মতো মানুষ, যাকে রাষ্ট্র সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব দিয়েছে, তার বাড়ি যদি নিরাপদ না থাকে, আমার সাধারণ গরিব-দুঃখী মানুষের বাড়ি নিরাপদ কীভাবে হয়।’
কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম বলেন, ‘কয়েক দিন আগে মঞ্চ ৭১-এর সভায় আমাদের নেতা, আমার বড় ভাই লতিফ সিদ্দিকী আলোচক হিসেবে গিয়েছিলেন। তাদের সব আলোচককে গ্রেপ্তার করেছে। যারা শ্রোতা হিসেবে গিয়েছিল, তাদেরও গ্রেপ্তার করা হয়েছে, কিন্তু যারা মব সৃষ্টি করেছে, যারা বাধা দিয়েছে, তাদের কিছু বলা হয় নাই। এটা একটা ন্যায়-নীতির ব্যত্যয়, আইনের ব্যত্যয়। এখান থেকে আমি সরকারকে সরে আসতে বলব।’
কাদের সিদ্দিকী আরও বলেন, ‘আমার বাড়ির ওপর হামলার মধ্য দিয়েই এই চোরাগোপ্তা হামলা বন্ধ করা হোক। এটা সরকারের কাছে আমার নিবেদন। দেশবাসীর কাছে আমার নিবেদন যে আপনারা জাগ্রত হোন, রুখে দাঁড়ান। এই রকম অন্যায়কে সহ্য করলে পরবর্তী বংশধরদের জীবন-সম্পদ-সম্মান সব হুমকির মধ্যে পড়বে।’ এক প্রশ্নের জবাবে কাদের সিদ্দিকী জানান, তাঁর বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় তিনি মামলা করবেন।
এ সময় কাদের সিদ্দিকীর ছোট ভাই কালিহাতী উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আজাদ সিদ্দিকী উপস্থিত ছিলেন।

‘আমার বাড়ির ওপর হামলার মধ্য দিয়ে এই চোরাগোপ্তা হামলা বন্ধ করা হোক। এটা সরকারের কাছে আমার নিবেদন।’ অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে এমন মন্তব্য করেছেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম।
আজ রোববার টাঙ্গাইল শহরের কবি নজরুল সরণির (জেলা সদর সড়ক) বাসভবনে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘আমার বাড়ি ভেঙেছে আরও ভাঙুক। বঙ্গবন্ধুর ৩২-এর বাড়িতে গিয়েছিলাম, আমার গাড়ি ভেঙেছিল। আরও ভেঙে যদি দেশে শান্তি স্থাপিত হয়, দেশের কল্যাণ হয়, আমি সব সময় রাজি আছি।’
কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘গত রাতে আমার বাড়িতে হামলা করেছে। কারা করেছে, জানি না। ১০-১২ জন লোক, তার মধ্যে বেশি বাচ্চা ছিল। ঢিল মেরেছে, গাড়ি ভেঙেছে। কোটাবিরোধী আন্দোলন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের পরে আমরা এই স্বৈরাচারী মনোভাব আশা করি নাই। আওয়ামী লীগ যদি স্বৈরাচারী হয়, তাহলে আজকের অ্যাক্টিভিটিকে (কর্মকাণ্ড) আমরা কী বলে অভিহিত করব।’
কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বলেন, ‘২৬ বছর হয় নতুন দল করেছি। রাতদিন সংগ্রাম করেছি। আওয়ামী লীগ আমাদের বহু প্রোগ্রাম করতে দেয় নাই। তারপরও যদি সবাইকে আওয়ামী লীগের দোসর বানানো হয়; তাহলে তো আমি মনে করব, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকে ব্যর্থ করার জন্য, ধ্বংস করার জন্য এ কোনো ষড়যন্ত্র কি না।’
বঙ্গবীর বলেন, ‘আমার কাছে মনে হয়, দেশটাকে অস্থিতিশীল করার জন্য জাতীয়-আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রকারীরা সুযোগ খুঁজছে। সেই সুযোগ অন্তর্বর্তী সরকার দিচ্ছে কি না, আমি ঠিক বলতে পারব না।’
কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘আমার মতো মানুষ, যাকে রাষ্ট্র সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব দিয়েছে, তার বাড়ি যদি নিরাপদ না থাকে, আমার সাধারণ গরিব-দুঃখী মানুষের বাড়ি নিরাপদ কীভাবে হয়।’
কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম বলেন, ‘কয়েক দিন আগে মঞ্চ ৭১-এর সভায় আমাদের নেতা, আমার বড় ভাই লতিফ সিদ্দিকী আলোচক হিসেবে গিয়েছিলেন। তাদের সব আলোচককে গ্রেপ্তার করেছে। যারা শ্রোতা হিসেবে গিয়েছিল, তাদেরও গ্রেপ্তার করা হয়েছে, কিন্তু যারা মব সৃষ্টি করেছে, যারা বাধা দিয়েছে, তাদের কিছু বলা হয় নাই। এটা একটা ন্যায়-নীতির ব্যত্যয়, আইনের ব্যত্যয়। এখান থেকে আমি সরকারকে সরে আসতে বলব।’
কাদের সিদ্দিকী আরও বলেন, ‘আমার বাড়ির ওপর হামলার মধ্য দিয়েই এই চোরাগোপ্তা হামলা বন্ধ করা হোক। এটা সরকারের কাছে আমার নিবেদন। দেশবাসীর কাছে আমার নিবেদন যে আপনারা জাগ্রত হোন, রুখে দাঁড়ান। এই রকম অন্যায়কে সহ্য করলে পরবর্তী বংশধরদের জীবন-সম্পদ-সম্মান সব হুমকির মধ্যে পড়বে।’ এক প্রশ্নের জবাবে কাদের সিদ্দিকী জানান, তাঁর বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় তিনি মামলা করবেন।
এ সময় কাদের সিদ্দিকীর ছোট ভাই কালিহাতী উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আজাদ সিদ্দিকী উপস্থিত ছিলেন।

বরিশালে ওয়ার্কার্স পার্টির কার্যালয় ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে ঘরটির মালিকপক্ষের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকাল ৮টার দিকে অফিসে হামলা চালিয়ে আসবাবপত্র তছনছ করা হয়। এ বিষয়ে আজই সংগঠনটির পক্ষ থেকে কোতোয়ালি মডেল থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়।
২৫ মিনিট আগে
বরিশালে বছরের প্রথম দিনই প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন পাঠ্যবই তুলে দেওয়া হয়েছে। উৎসবের আমেজ না থাকলেও বইয়ের ঘ্রাণে শিক্ষার্থীদের চোখেমুখে আনন্দের ঝিলিক দেখা গেছে। বছরের প্রথম দিন শিশুরা বই পাওয়ায় অভিভাবকেরাও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
২৭ মিনিট আগে
চট্টগ্রামে জেলা প্রশাসনের (১ নম্বর খাস খতিয়ান) একটি জমি বরাদ্দ দিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (সিসিসি) কর্তৃপক্ষ। বরাদ্দ পাওয়া ব্যক্তি ওই জমিতে নির্মাণ করেন দোকান। বিষয়টি জানতে পেরে গতকাল বুধবার সেই স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেয় জেলা প্রশাসন।
৩২ মিনিট আগে
কুড়িগ্রাম-২ আসনের জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য পানির উদ্দিন আহমেদের মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করেছেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা। একই আসনের বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) প্রার্থী আতিকুর রহমানের মনোনয়নপত্রও অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে