সখীপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে আমি কাদের সিদ্দিকী গরুর রাখাল হতাম। রাজনীতিতে এসে বঙ্গবন্ধুকে পেয়েছিলাম, তাঁকে ভালোবেসে দেশের মাটি, গাছপালা, তরুলতাকে ভালোবাসতে শিখেছি। দেশের মাটি আমার কাছে মায়ের মতো।’
আজ মঙ্গলবার বিকেলে টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার কালমেঘা ইলিমজান উচ্চবিদ্যালয় মাঠে বহুরিয়া ইউনিয়ন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের এক জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ না হলে আমি কোথায় যেতাম, কী করতাম জানি না। অনেক মানুষ মুক্তিযুদ্ধের জন্য আমাকে অনেক বড় ভাবেন, অনেক প্রশংসা করেন। আমি বলতে পারি, মুক্তিযুদ্ধে আমার কোনো ভূমিকা নাই, কোনো অবদান নাই। আমি পাকিস্তানিদের দেখে ভয় পাইনি, পালিয়ে যাইনি এটাই আমার গুণ।’
বন কর্মকর্তাদের হুঁশিয়ারি দিয়ে বঙ্গবীর বলেন, ‘আজ আমার কাছে একটি অভিযোগ এসেছে। বন বিভাগের কর্মকর্তারা নাকি একজন মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রীর গায়ে হাত তুলেছেন। এটা যদি আমি সামান্যতম প্রমাণ করতে পারি, তবে আপনাদের টাঙ্গাইলের সীমানা পার হতে দেওয়া হবে না।’
কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বলেন, ‘যেখানে যার ঘর আছে, সেই ঘর ভেঙে যদি সে তাজমহলও তৈরি করে, তবে আপনারা সেখানে বাধা দিতে পারবেন না। কী আইন হয়েছে তা আমি জানি। আপনারা সখীপুরের মানুষকে চেনেন না, পাকিস্তানিরাও বড় বড় কথা বলেছিল, ফলে তাদের হাত-পা গুটিয়ে বিদায় নিতে হয়েছিল।’
বহুরিয়া ইউনিয়ন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি শাহজাহান মিয়ার সভাপতিত্বে জনসভায় বক্তব্য দেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান তালুকদার খোকা বীর প্রতীক, জেলা সাধারণ সম্পাদক এটিএম সালেক হিটলু, সখীপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র সানোয়ার হোসেন সজীব, সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সদস্য আশিক জাহাঙ্গীর প্রমুখ।

কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে আমি কাদের সিদ্দিকী গরুর রাখাল হতাম। রাজনীতিতে এসে বঙ্গবন্ধুকে পেয়েছিলাম, তাঁকে ভালোবেসে দেশের মাটি, গাছপালা, তরুলতাকে ভালোবাসতে শিখেছি। দেশের মাটি আমার কাছে মায়ের মতো।’
আজ মঙ্গলবার বিকেলে টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার কালমেঘা ইলিমজান উচ্চবিদ্যালয় মাঠে বহুরিয়া ইউনিয়ন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের এক জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ না হলে আমি কোথায় যেতাম, কী করতাম জানি না। অনেক মানুষ মুক্তিযুদ্ধের জন্য আমাকে অনেক বড় ভাবেন, অনেক প্রশংসা করেন। আমি বলতে পারি, মুক্তিযুদ্ধে আমার কোনো ভূমিকা নাই, কোনো অবদান নাই। আমি পাকিস্তানিদের দেখে ভয় পাইনি, পালিয়ে যাইনি এটাই আমার গুণ।’
বন কর্মকর্তাদের হুঁশিয়ারি দিয়ে বঙ্গবীর বলেন, ‘আজ আমার কাছে একটি অভিযোগ এসেছে। বন বিভাগের কর্মকর্তারা নাকি একজন মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রীর গায়ে হাত তুলেছেন। এটা যদি আমি সামান্যতম প্রমাণ করতে পারি, তবে আপনাদের টাঙ্গাইলের সীমানা পার হতে দেওয়া হবে না।’
কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বলেন, ‘যেখানে যার ঘর আছে, সেই ঘর ভেঙে যদি সে তাজমহলও তৈরি করে, তবে আপনারা সেখানে বাধা দিতে পারবেন না। কী আইন হয়েছে তা আমি জানি। আপনারা সখীপুরের মানুষকে চেনেন না, পাকিস্তানিরাও বড় বড় কথা বলেছিল, ফলে তাদের হাত-পা গুটিয়ে বিদায় নিতে হয়েছিল।’
বহুরিয়া ইউনিয়ন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি শাহজাহান মিয়ার সভাপতিত্বে জনসভায় বক্তব্য দেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান তালুকদার খোকা বীর প্রতীক, জেলা সাধারণ সম্পাদক এটিএম সালেক হিটলু, সখীপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র সানোয়ার হোসেন সজীব, সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সদস্য আশিক জাহাঙ্গীর প্রমুখ।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে