টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলায় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা ওষুধের দোকানসহ (ফার্মেসি) সব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হয়েছে। ব্যবস্থাপত্র (প্রেসক্রিশপন) ছাড়া ঘুমের ওষুধ বিক্রি না করায় ফার্মেসিতে হামলার প্রতিবাদে ও চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য সব ব্যাবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখেছিলেন ব্যবসায়ীরা।
গতকাল শনিবার রাতে হামালার ওই ঘটনার পর থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য দোকানপাট বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। তবে আজ রোববার সকাল ১০টার দিকে মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) হস্তক্ষেপ এবং চাঁদাবাজ-সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাসে ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো দোকানপাট খোলার সিদ্ধান্ত নেয়।
এদিকে শনিবার রাতে হামলার শিকার ব্যবসায়ীর ছেলে নজরুল ইসলাম সোহাগ বাদী হয়ে ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা অন্তত ২০ জনকে আসামি করে মামলা করেন। মধুপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবুল কাশেম মামলার তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মধুপুর ড্রাগিস্টস্ ও কেমিস্টস্ সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রশিদ খান জানান, সন্ধ্যার দিকে কয়েক যুবক ময়মনসিংহ রোডের সোহাগ ফার্মেসিতে প্রেসক্রিপশন ছাড়া ঘুমের ওষুধ কিনতে আসেন। দোকান মালিকের ছেলে সোহাগ মিয়া তাঁদের কাছে ওষুধ বিক্রি করতে অস্বীকৃতি জানালে উভয়ের মধ্যে কথা-কাটাকাটির হয়। খবর পেয়ে দোকানের মালিক মো. ফজলুল হক এসে তাঁর ছেলেকে বাসায় পাঠিয়ে দেন।
আব্দুর রশিদ খান জানান, রাত পৌনে ৮টার দিকে একদল যুবক এসে দোকানে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট চালান। তাঁদের হামলায় দোকানমালিক মো. ফজলুল হক গুরুতর আহত হন। তাঁকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
ফজলুল হক বলেন, আঙিনাপাড়ার মাহফুজ, মিরাজ, রিফাতসহ একদল যুবক এসে অতর্কিত হামলা চালান। আমাকে বেধড়ক মারধর করা হয়। দোকান থেকে এক লাখ ৬০ হাজারের বেশি টাকা ও বেশ কিছু ওষুধ লুট করে নিয়ে যান হামলাকারীরা।
ব্যবসায়ীর ওপর হামলার খবর পেয়ে মধুপুর শিল্প ও বণিক সমিতির নেতারা তাৎক্ষণিকভাবে মধুপুরের সব দোকানপাট বন্ধ করে হামলাকারীদের আইনের আওতায় আনার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেন।
সংগঠনের সহসভাপতি এনামুল হকের সভাপতিত্বে বাসস্ট্যান্ডের আনারস চত্বরে অনুষ্ঠিত সমাবেশে সাধারণ সম্পাদক মিনজুর রহমান নান্নুসহ অনেকেই বক্তব্য দেন।

এদিকে মধুপুর ড্রাগিস্টস্ ও কেমিস্টস্ সমিতির সভাপতি আব্দুস সালাম তাৎক্ষণিক জরুরি সভা করে মধুপুরের সব ওষুধের দোকান অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে সংগঠনের পক্ষ থেকে দোকান বন্ধ রেখে মাইকিং করে আজ রোববার সকাল ১০টায় সব ওষুধ ব্যবসায়ীকে নিয়ে প্রতিবাদ সভার আহ্বান করা হয়। সকাল ১০টার দিকে তাঁরা এই প্রতিবাদ সভা করেন। তবে থানা-পুলিশের আশ্বাসে তাঁরা কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নেন।
মধুপুর মধুপুর ড্রাগিস্টস্ ও কেমিস্টস্ সমিতির উপদেষ্টা মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দোকানে হামলাকারী ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে থানার ওসির আশ্বাসে আমরা ফার্মেসি খুলে দিয়েছি। আজ (রোববার) বিকেলে মধুপুরের শিল্প ও বণিক সমিতি এবং ড্রাগিস্টস্ ও কেমিস্টস্ সমিতির নেতাদের সঙ্গে এ আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
জানতে চাইলে মধুপুর থানার ওসি এমরানুল কবীর বলেন, ‘আমি খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। থানায় মামলা হয়েছে। ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের জোড় চেষ্টা চলছে। মানবিক দিক বিবেচনায় নিয়ে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার অনুরোধ করেছি। ব্যবসায়ী নেতারা অনির্দিষ্টকালের জন্য ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন।’

টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলায় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা ওষুধের দোকানসহ (ফার্মেসি) সব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হয়েছে। ব্যবস্থাপত্র (প্রেসক্রিশপন) ছাড়া ঘুমের ওষুধ বিক্রি না করায় ফার্মেসিতে হামলার প্রতিবাদে ও চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য সব ব্যাবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখেছিলেন ব্যবসায়ীরা।
গতকাল শনিবার রাতে হামালার ওই ঘটনার পর থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য দোকানপাট বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। তবে আজ রোববার সকাল ১০টার দিকে মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) হস্তক্ষেপ এবং চাঁদাবাজ-সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাসে ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো দোকানপাট খোলার সিদ্ধান্ত নেয়।
এদিকে শনিবার রাতে হামলার শিকার ব্যবসায়ীর ছেলে নজরুল ইসলাম সোহাগ বাদী হয়ে ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা অন্তত ২০ জনকে আসামি করে মামলা করেন। মধুপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবুল কাশেম মামলার তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মধুপুর ড্রাগিস্টস্ ও কেমিস্টস্ সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রশিদ খান জানান, সন্ধ্যার দিকে কয়েক যুবক ময়মনসিংহ রোডের সোহাগ ফার্মেসিতে প্রেসক্রিপশন ছাড়া ঘুমের ওষুধ কিনতে আসেন। দোকান মালিকের ছেলে সোহাগ মিয়া তাঁদের কাছে ওষুধ বিক্রি করতে অস্বীকৃতি জানালে উভয়ের মধ্যে কথা-কাটাকাটির হয়। খবর পেয়ে দোকানের মালিক মো. ফজলুল হক এসে তাঁর ছেলেকে বাসায় পাঠিয়ে দেন।
আব্দুর রশিদ খান জানান, রাত পৌনে ৮টার দিকে একদল যুবক এসে দোকানে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট চালান। তাঁদের হামলায় দোকানমালিক মো. ফজলুল হক গুরুতর আহত হন। তাঁকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
ফজলুল হক বলেন, আঙিনাপাড়ার মাহফুজ, মিরাজ, রিফাতসহ একদল যুবক এসে অতর্কিত হামলা চালান। আমাকে বেধড়ক মারধর করা হয়। দোকান থেকে এক লাখ ৬০ হাজারের বেশি টাকা ও বেশ কিছু ওষুধ লুট করে নিয়ে যান হামলাকারীরা।
ব্যবসায়ীর ওপর হামলার খবর পেয়ে মধুপুর শিল্প ও বণিক সমিতির নেতারা তাৎক্ষণিকভাবে মধুপুরের সব দোকানপাট বন্ধ করে হামলাকারীদের আইনের আওতায় আনার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেন।
সংগঠনের সহসভাপতি এনামুল হকের সভাপতিত্বে বাসস্ট্যান্ডের আনারস চত্বরে অনুষ্ঠিত সমাবেশে সাধারণ সম্পাদক মিনজুর রহমান নান্নুসহ অনেকেই বক্তব্য দেন।

এদিকে মধুপুর ড্রাগিস্টস্ ও কেমিস্টস্ সমিতির সভাপতি আব্দুস সালাম তাৎক্ষণিক জরুরি সভা করে মধুপুরের সব ওষুধের দোকান অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে সংগঠনের পক্ষ থেকে দোকান বন্ধ রেখে মাইকিং করে আজ রোববার সকাল ১০টায় সব ওষুধ ব্যবসায়ীকে নিয়ে প্রতিবাদ সভার আহ্বান করা হয়। সকাল ১০টার দিকে তাঁরা এই প্রতিবাদ সভা করেন। তবে থানা-পুলিশের আশ্বাসে তাঁরা কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নেন।
মধুপুর মধুপুর ড্রাগিস্টস্ ও কেমিস্টস্ সমিতির উপদেষ্টা মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দোকানে হামলাকারী ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে থানার ওসির আশ্বাসে আমরা ফার্মেসি খুলে দিয়েছি। আজ (রোববার) বিকেলে মধুপুরের শিল্প ও বণিক সমিতি এবং ড্রাগিস্টস্ ও কেমিস্টস্ সমিতির নেতাদের সঙ্গে এ আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
জানতে চাইলে মধুপুর থানার ওসি এমরানুল কবীর বলেন, ‘আমি খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। থানায় মামলা হয়েছে। ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের জোড় চেষ্টা চলছে। মানবিক দিক বিবেচনায় নিয়ে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার অনুরোধ করেছি। ব্যবসায়ী নেতারা অনির্দিষ্টকালের জন্য ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৫ ঘণ্টা আগে