সখীপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল) আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম। কিন্তু দলের সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় ১৯৯৯ সালে তিনি জাতীয় সংসদ থেকে পদত্যাগ করেন। পরে নিজেই গঠন করেন নতুন রাজনৈতিক দল কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ। এরপর পেরিয়ে গেছে ২৪ বছর।
দুই যুগ পর আজ বৃহস্পতিবার টাঙ্গাইল সখীপুরের হামিদপুর বাজারে এক পথসভায় স্থানীয়দের প্রশ্নের জবাবে তিনি আওয়ামী লীগ ছেড়ে আসার সে দিনের কারণ জানালেন।
কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম বলেন, ‘মূলত দুই-তিনটা কারণে আমি আওয়ামী লীগ ছেড়েছিলাম। এর মধ্যে একটা হলো, এ এলাকার আটিয়া বন অধ্যাদেশ, আরেকটি হচ্ছে সার, পাটের দাম, আরও একটি হচ্ছে চাকরি। এই সরকার এর একটাও রক্ষা করে নাই।’
তিনি বলেন, ‘জানি না কেন রক্ষা করে নাই। বঙ্গবন্ধুকন্যার সরকার, তাঁর তো মানুষের কথা শোনা দরকার। বঙ্গবন্ধু মানুষের কথা শুনতেন, তাঁর কন্যার কি শোনা উচিত নয়।’
আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘বন আইন আপনারা যেভাবে চান সেভাবেই হবে। মানুষের চাইতে বড় অন্য কিছু নাই। দেশ হচ্ছে মানুষের জন্য, দেশের জন্য মানুষ নয়।’
কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বলেন, ‘এই আটিয়া বন অধ্যাদেশ আমি মানি না। এখানে অনেকের শত বছরের কবর রয়েছে, ওইটাও নাকি বন বিভাগের।
বঙ্গবীর আরও বলেন, ‘ওই সময় আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, এখনো তো আঁটিয়া বন অধ্যাদেশ বাতিল হলো না, পরে মানুষ তো আমাকে আর ভোট দেবে না। তিনি বলেছিলেন, ভোট দেবে, আমরা নতুন কথা বলব, আমরা অন্য কথা বলব। আমি তাঁকে বলেছিলাম, আপনি এসব বলতে পারেন; আমি বলতে পারব না।’
এ সময় কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের উপজেলা কমিটির সভাপতি আব্দুস সবুর খান, সাধারণ সম্পাদক সাবেক পৌর মেয়র সানোয়ার হোসেন সজীবসহ দলীয় নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল) আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম। কিন্তু দলের সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় ১৯৯৯ সালে তিনি জাতীয় সংসদ থেকে পদত্যাগ করেন। পরে নিজেই গঠন করেন নতুন রাজনৈতিক দল কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ। এরপর পেরিয়ে গেছে ২৪ বছর।
দুই যুগ পর আজ বৃহস্পতিবার টাঙ্গাইল সখীপুরের হামিদপুর বাজারে এক পথসভায় স্থানীয়দের প্রশ্নের জবাবে তিনি আওয়ামী লীগ ছেড়ে আসার সে দিনের কারণ জানালেন।
কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম বলেন, ‘মূলত দুই-তিনটা কারণে আমি আওয়ামী লীগ ছেড়েছিলাম। এর মধ্যে একটা হলো, এ এলাকার আটিয়া বন অধ্যাদেশ, আরেকটি হচ্ছে সার, পাটের দাম, আরও একটি হচ্ছে চাকরি। এই সরকার এর একটাও রক্ষা করে নাই।’
তিনি বলেন, ‘জানি না কেন রক্ষা করে নাই। বঙ্গবন্ধুকন্যার সরকার, তাঁর তো মানুষের কথা শোনা দরকার। বঙ্গবন্ধু মানুষের কথা শুনতেন, তাঁর কন্যার কি শোনা উচিত নয়।’
আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘বন আইন আপনারা যেভাবে চান সেভাবেই হবে। মানুষের চাইতে বড় অন্য কিছু নাই। দেশ হচ্ছে মানুষের জন্য, দেশের জন্য মানুষ নয়।’
কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বলেন, ‘এই আটিয়া বন অধ্যাদেশ আমি মানি না। এখানে অনেকের শত বছরের কবর রয়েছে, ওইটাও নাকি বন বিভাগের।
বঙ্গবীর আরও বলেন, ‘ওই সময় আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, এখনো তো আঁটিয়া বন অধ্যাদেশ বাতিল হলো না, পরে মানুষ তো আমাকে আর ভোট দেবে না। তিনি বলেছিলেন, ভোট দেবে, আমরা নতুন কথা বলব, আমরা অন্য কথা বলব। আমি তাঁকে বলেছিলাম, আপনি এসব বলতে পারেন; আমি বলতে পারব না।’
এ সময় কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের উপজেলা কমিটির সভাপতি আব্দুস সবুর খান, সাধারণ সম্পাদক সাবেক পৌর মেয়র সানোয়ার হোসেন সজীবসহ দলীয় নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে