ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে সাইফুল ইসলাম (৪৫) নামের এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার ভূঞাপুর-যমুনা সেতু সড়কের কষ্টাপাড়া এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
সাইফুল ইসলাম কুকাদাইর গ্রামের মৃত বদি মিয়ার ছেলে। তিনি একজন মাংস ব্যবসায়ী ছিলেন।
স্থানীয়রা জানায়, ভোরে নামাজ পড়ে একজন হাঁটছিলেন। এ সময় তিনি দেখেন রাস্তার পাশে একটি মানুষ পড়ে রয়েছে। কাছে গিয়ে দেখতে পান তিনি মৃত। পরে তাঁকে চিনতে পেরে পরিবারের লোকজন ও পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে।
মৃতের পরিবারের সদস্যরা জানান, সাইফুল ইসলাম দেড় মাস আগে সপরিবারে ঢাকার আশুলিয়ায় চলে যান। সেখানে তিনি মাংস ব্যবসার (কসাই) কাজ করতেন। ঢাকায় থাকলেও তিনি গরু কেনার জন্য প্রায়ই বাড়িতে আসতেন। স্থানীয় হাট থেকে দু-একটি গরু কিনে ঢাকায় নিয়ে জবাই করে মাংস বিক্রি করতেন।
গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় তিনি ঢাকা থেকে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হলেও বাড়িতে আসেনি। সকালে স্থানীয়দের কাছে তাঁরা শুনতে পান কে বা কারা মেরে লাশ রাস্তার পাশে ফেলে রেখেছে।
সাইফুল ইসলামের ছোট ভাই রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘শত্রুতা করে কেউ হয়তো আমার বড় ভাইকে শ্বাসরোধে হত্যা করে রাস্তার পাশে ফেলে রেখে গেছে। আমার ভাইয়ের হত্যায় যারা জড়িত, তাদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি করছি।’
ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম রেজাউল করিম বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে। দেখে ধারণা করা হচ্ছে, দুর্বৃত্তরা চেতনানাশক দ্রব্যজাতীয় কিছু খাইয়ে শ্বাসরোধে হত্যার পর মরদেহ ফেলে রেখে গেছে।
ওসি আরও বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে প্রকৃত ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন হবে। এ নিয়ে তদন্ত চলছে।

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে সাইফুল ইসলাম (৪৫) নামের এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার ভূঞাপুর-যমুনা সেতু সড়কের কষ্টাপাড়া এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
সাইফুল ইসলাম কুকাদাইর গ্রামের মৃত বদি মিয়ার ছেলে। তিনি একজন মাংস ব্যবসায়ী ছিলেন।
স্থানীয়রা জানায়, ভোরে নামাজ পড়ে একজন হাঁটছিলেন। এ সময় তিনি দেখেন রাস্তার পাশে একটি মানুষ পড়ে রয়েছে। কাছে গিয়ে দেখতে পান তিনি মৃত। পরে তাঁকে চিনতে পেরে পরিবারের লোকজন ও পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে।
মৃতের পরিবারের সদস্যরা জানান, সাইফুল ইসলাম দেড় মাস আগে সপরিবারে ঢাকার আশুলিয়ায় চলে যান। সেখানে তিনি মাংস ব্যবসার (কসাই) কাজ করতেন। ঢাকায় থাকলেও তিনি গরু কেনার জন্য প্রায়ই বাড়িতে আসতেন। স্থানীয় হাট থেকে দু-একটি গরু কিনে ঢাকায় নিয়ে জবাই করে মাংস বিক্রি করতেন।
গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় তিনি ঢাকা থেকে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হলেও বাড়িতে আসেনি। সকালে স্থানীয়দের কাছে তাঁরা শুনতে পান কে বা কারা মেরে লাশ রাস্তার পাশে ফেলে রেখেছে।
সাইফুল ইসলামের ছোট ভাই রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘শত্রুতা করে কেউ হয়তো আমার বড় ভাইকে শ্বাসরোধে হত্যা করে রাস্তার পাশে ফেলে রেখে গেছে। আমার ভাইয়ের হত্যায় যারা জড়িত, তাদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি করছি।’
ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম রেজাউল করিম বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে। দেখে ধারণা করা হচ্ছে, দুর্বৃত্তরা চেতনানাশক দ্রব্যজাতীয় কিছু খাইয়ে শ্বাসরোধে হত্যার পর মরদেহ ফেলে রেখে গেছে।
ওসি আরও বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে প্রকৃত ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন হবে। এ নিয়ে তদন্ত চলছে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
২ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে