টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) শাপলা প্রতীক না দিতে নানা টালবাহানা করা হচ্ছে এবং বিভিন্ন অযৌক্তিক কারণ দেখানো হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। আজ সোমবার দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এনসিপির সাংগঠনিক সমন্বয় সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন তিনি।
সারজিস আলম বলেন, যে রাজনৈতিক দল জুলাই সনদের শর্ত বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দেবে, জুলাই শহীদ পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে ও পুনর্বাসন করবে, আওয়ামী লীগ ও ভারতীয় আধিপত্যবাদের প্রশ্নে আপসহীন থাকবে, সেই দলের সঙ্গে এনসিপির অ্যালায়েন্স হতে পারে।
সারজিস আরও বলেন, ‘আমরা মনে করি, অভ্যুত্থানপরবর্তী বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর চাওয়া-পাওয়া শুধু নির্বাচনকেন্দ্রিক হতে পারে না। আমরাও চাই, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় উত্তরণের জন্য নির্বাচন হোক, ফেব্রুয়ারিতে হলেও এনসিপির সমস্যা নেই।’
এনসিপি নেতা বলেন, ‘অভ্যুত্থানপরবর্তী বাংলাদেশে কোনো প্রতিষ্ঠানের স্বেচ্ছাচারী আচরণ এনসিপি ও এই তরুণ প্রজন্ম মেনে নেবে না। আইনগত বাধা না থাকা সত্ত্বেও এনসিপিকে শাপলা প্রতীক না দিতে নানা টালবাহানা করা হচ্ছে। বিভিন্ন অযৌক্তিক কারণ দেখানো হচ্ছে।
‘আমরা স্পষ্ট বলেছি, যেহেতু কোনো আইনগত বাধা নেই, আমরা আমাদের জায়গা থেকে অবশ্যই প্রতীক হিসেবে শাপলাকে এনসিপির জন্য চাই এবং শাপলা প্রতীক নিয়েই আগামী সংসদ নির্বাচনে অংশ নেব। আমরা ৬৪ জেলা ও ৪৯৫টি উপজেলায় একযোগে আন্দোলনের মাধ্যমে শাপলা আদায় করে নেব।’
এনসিপির উত্তরাঞ্চলের এই সংগঠক বলেন, ‘আমরা জুলাই সনদে স্বাক্ষর করিনি। কারণ, যেই জুলাই সনদের এখন পর্যন্ত আইনগত ভিত্তি আমাদের কাছে স্পষ্ট নয়, যেই জুলাই সনদে গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক সংস্কারগুলোর নোট অব ডিসেন্ট দেওয়া রয়েছে, সেগুলোর ভবিষ্যৎ কী হবে। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিশ্চিত না করে অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচন দিতে পারে না।’
সারজিস আলম আরও বলেন, গণভোটে জুলাই সনদ পাস হয়ে গেলে সেগুলো বাস্তবায়ন করতে সরকার বাধ্য থাকবে কি না, প্রধান উপদেষ্টার স্বাক্ষরে এই জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দিকে যাবে কি না—এ বিষয়গুলো নিশ্চিত হওয়ার আগপর্যন্ত এনসিপি জুলাই সনদে স্বাক্ষর করতে পারে না। এনসিপি সেটা করেনি, এনসিপি নিজেদের মেরুদণ্ড সোজা রেখেছে।
টাঙ্গাইল জেলা এনসিপির প্রধান সমন্বয়কারী মাসুদুর রহমান রাসেলের সভাপতিত্বে সভায় দলের ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল্লাহ হায়দারসহ জেলা-উপজেলার নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) শাপলা প্রতীক না দিতে নানা টালবাহানা করা হচ্ছে এবং বিভিন্ন অযৌক্তিক কারণ দেখানো হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। আজ সোমবার দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এনসিপির সাংগঠনিক সমন্বয় সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন তিনি।
সারজিস আলম বলেন, যে রাজনৈতিক দল জুলাই সনদের শর্ত বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দেবে, জুলাই শহীদ পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে ও পুনর্বাসন করবে, আওয়ামী লীগ ও ভারতীয় আধিপত্যবাদের প্রশ্নে আপসহীন থাকবে, সেই দলের সঙ্গে এনসিপির অ্যালায়েন্স হতে পারে।
সারজিস আরও বলেন, ‘আমরা মনে করি, অভ্যুত্থানপরবর্তী বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর চাওয়া-পাওয়া শুধু নির্বাচনকেন্দ্রিক হতে পারে না। আমরাও চাই, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় উত্তরণের জন্য নির্বাচন হোক, ফেব্রুয়ারিতে হলেও এনসিপির সমস্যা নেই।’
এনসিপি নেতা বলেন, ‘অভ্যুত্থানপরবর্তী বাংলাদেশে কোনো প্রতিষ্ঠানের স্বেচ্ছাচারী আচরণ এনসিপি ও এই তরুণ প্রজন্ম মেনে নেবে না। আইনগত বাধা না থাকা সত্ত্বেও এনসিপিকে শাপলা প্রতীক না দিতে নানা টালবাহানা করা হচ্ছে। বিভিন্ন অযৌক্তিক কারণ দেখানো হচ্ছে।
‘আমরা স্পষ্ট বলেছি, যেহেতু কোনো আইনগত বাধা নেই, আমরা আমাদের জায়গা থেকে অবশ্যই প্রতীক হিসেবে শাপলাকে এনসিপির জন্য চাই এবং শাপলা প্রতীক নিয়েই আগামী সংসদ নির্বাচনে অংশ নেব। আমরা ৬৪ জেলা ও ৪৯৫টি উপজেলায় একযোগে আন্দোলনের মাধ্যমে শাপলা আদায় করে নেব।’
এনসিপির উত্তরাঞ্চলের এই সংগঠক বলেন, ‘আমরা জুলাই সনদে স্বাক্ষর করিনি। কারণ, যেই জুলাই সনদের এখন পর্যন্ত আইনগত ভিত্তি আমাদের কাছে স্পষ্ট নয়, যেই জুলাই সনদে গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক সংস্কারগুলোর নোট অব ডিসেন্ট দেওয়া রয়েছে, সেগুলোর ভবিষ্যৎ কী হবে। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিশ্চিত না করে অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচন দিতে পারে না।’
সারজিস আলম আরও বলেন, গণভোটে জুলাই সনদ পাস হয়ে গেলে সেগুলো বাস্তবায়ন করতে সরকার বাধ্য থাকবে কি না, প্রধান উপদেষ্টার স্বাক্ষরে এই জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দিকে যাবে কি না—এ বিষয়গুলো নিশ্চিত হওয়ার আগপর্যন্ত এনসিপি জুলাই সনদে স্বাক্ষর করতে পারে না। এনসিপি সেটা করেনি, এনসিপি নিজেদের মেরুদণ্ড সোজা রেখেছে।
টাঙ্গাইল জেলা এনসিপির প্রধান সমন্বয়কারী মাসুদুর রহমান রাসেলের সভাপতিত্বে সভায় দলের ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল্লাহ হায়দারসহ জেলা-উপজেলার নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

বরিশালে ওয়ার্কার্স পার্টির কার্যালয় ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে ঘরটির মালিকপক্ষের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকাল ৮টার দিকে অফিসে হামলা চালিয়ে আসবাবপত্র তছনছ করা হয়। এ বিষয়ে আজই সংগঠনটির পক্ষ থেকে কোতোয়ালি মডেল থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়।
২৩ মিনিট আগে
বরিশালে বছরের প্রথম দিনই প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন পাঠ্যবই তুলে দেওয়া হয়েছে। উৎসবের আমেজ না থাকলেও বইয়ের ঘ্রাণে শিক্ষার্থীদের চোখেমুখে আনন্দের ঝিলিক দেখা গেছে। বছরের প্রথম দিন শিশুরা বই পাওয়ায় অভিভাবকেরাও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
২৪ মিনিট আগে
চট্টগ্রামে জেলা প্রশাসনের (১ নম্বর খাস খতিয়ান) একটি জমি বরাদ্দ দিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (সিসিসি) কর্তৃপক্ষ। বরাদ্দ পাওয়া ব্যক্তি ওই জমিতে নির্মাণ করেন দোকান। বিষয়টি জানতে পেরে গতকাল বুধবার সেই স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেয় জেলা প্রশাসন।
৩০ মিনিট আগে
কুড়িগ্রাম-২ আসনের জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য পানির উদ্দিন আহমেদের মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করেছেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা। একই আসনের বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) প্রার্থী আতিকুর রহমানের মনোনয়নপত্রও অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে